ads

মঙ্গলবার , ২ জুন ২০২৬ | ১৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ভোলায় তোফায়েল আহমেদের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত, গার্ড অব অনার প্রদান

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জুন ২, ২০২৬ ৩:৩৪ অপরাহ্ণ

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী এবং ভোলা-১ ও ভোলা-২ আসনের নয়বারের সাবেক সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদের দ্বিতীয় জানাজা নিজ জেলা ভোলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজায় দলীয় নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেয়। জানাজার আগে তাকে রাষ্ট্রীয় সম্মান ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়। ২ জুন মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে ভোলা সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ইমামতি করেন ভোলার খলিফাপট্টি জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মো. মহিউদ্দিন।

Shamol Bangla Ads

জানাজায় তোফায়েল আহমেদের স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী, আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। এ সময় তার রুহের মাগফিরাত কামনা করে সবার কাছে দোয়া চান স্বজনরা। জানাজা শেষে মরদেহ নিজ গ্রাম কোড়ালিয়ায় নেওয়া হয়। সেখানে শেষ জানাজা শেষে বাবা-মা ও স্ত্রীর কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে।এ সময় ভোলা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর, সদস্য সচিব রাইসুল আলমসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে দুপুর ১টা ৩৫ মিনিটে তার মরদেহ বহনকারী হেলিকপ্টার ঢাকা থেকে ভোলার বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবতরণ করে।

Shamol Bangla Ads

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১ জুন) বিকেলে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তোফায়েল আহমেদ মারা যান। রাতে রাজধানীর ধানমন্ডিতে মাসজিদ-উত-তাকওয়ায় (তাকওয়া মসজিদ) তোফায়েল আহমেদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘদিন ধরে তিনি পক্ষাঘাতসহ নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন।

তোফায়েল আহমেদ ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ছাত্রজীবনে তিনি বরিশালের ব্রজমোহন কলেজ ছাত্রসংসদ ও পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত তিনি ডাকসুর সহ-সভাপতি (ভিপি) ছিলেন এবং ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে অন্যতম নেতৃত্ব দেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তিনি আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন এবং বিভিন্ন সময়ে বাণিজ্যমন্ত্রীসহ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।

তোফায়েল আহমেদ মৃত্যুকালে একমাত্র মেয়ে ডা. তাসলিমা আহমেদ মুন্নি, জামাতা ডা. তৌহিদুজ্জামানসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, গুণগ্রাহী ও রাজনৈতিক সহকর্মী রেখে গেছেন।

Need Ads
error: কপি হবে না!