শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে দুই কিশোর গ্যাং এর মধ্যে সংঘর্ষে ৩ জন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় ২ কিশোরকে আটক করেছে থানা পুলিশ। ২৯ এপ্রিল বুধবার বিকেলে ঝিনাইগাতী উপজেলা সদরের সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হচ্ছে ঝিনাইগাতী উপজেলা সদরের ওয়াসিম মিয়ার ছেলে রিয়াদ মিয়া (১৮), বাদশা মিয়ার ছেলে বন্ধন (২০), শ্রীবরদী উপজেলার গোসাইপুর ইউনিয়নের বালিয়াচন্ডি গ্রামের আব্দুস ছবুরের ছেলে ইমরান হোসেন (২২)।

আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় রিয়াদকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে, বন্ধন ও ইমরানকে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় শ্রীবরদী উপজেলার গোসাইপুর ইউনিয়নের বালিয়াচন্ডি গ্রামের ছামিউল ইসলামের ছেলে তাহমিদুল ইমলাম রাতুল ( ১৭) ও একই গ্রামের আব্দস ছোবাহানেরর ছেলে ইমরান হোসেন (১৮) আটক করেছে থানা পুলিশ।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে, বালিয়াচন্ডি গ্রামের রাজু মিয়া একই গ্রামের এক গৃহবধূর সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনার বাধ সাধে তাহমিদুল ইসলাম রাতুল ও ইমরান হোসেন। রাজু মিয়ার পরকীয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত প্রায় ১ মাস পূর্বে রাজু মিয়াকে মারধর করে রাতুল ও ইমরান হোসেন। এ নিয়ে উভয় গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। এক পর্যায়ে উভয়ের মধ্যে সমঝোতার প্রস্তাব উঠে। আর ওই সমঝোতা বৈঠক করতে বুধবার রাজু মিয়ার আত্মীয় বাড়ি ঝিনাইগাতী উপজেলা সদরে আসে উভয় পক্ষের লোকজন। বিকাল ৩ টার দিকে স্থানীয় সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বসে বৈঠকটি। বৈঠক চলাকালীন সময়ে উভয়ের মধ্যে আবারও উত্তেজনা দেখা দেয়।

এক পর্যায়ে রাতুল ও ইমরানের হাতে থাকা সুইস গিয়ার চাকু দিয়ে রিয়াদ ইমরান,ও বন্ধনের শরীরে উপুর্যুপরি আঘাত করে। এতে ওই ৩ জন গুরুতরভাবে আহত হয়। আহত ৩ জনই রাজু মিয়ার আত্মীয় বলে জানা গেছে। ইমরান ও রাতুল এবারে এসএসসি পরীক্ষার্থী বলে জানা গেছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঝিনাইগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম বলেন এ বিষয়ে রিয়াদের পিতা ওয়াসিম মিয়া বাদী হয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। আইনগত ব্যবস্থা প্রকৃয়াধীন।




