শেরপুরের নকলায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজের সবচেয়ে বড় জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে কায়দা-বাজারদী গোরস্থান কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে। ২১ মার্চ শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় নকলা পৌরশহরের ওই মাঠে গুড়গুড়ি বৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়া থাকা সত্ত্বেও প্রায় ১০ হাজার মুসল্লি একসাথে পবিত্র ঈদুল ফিতরের ২ রাকাআত ওয়াজিব নামাজ আদায় করেছেন।

মাঠে নামাজ আদায় করেছেন নকলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহাঙ্গীর আলম, শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনের এমপি প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরীর প্রতিনিধি উপজেলা বিএনপি নেতা মোবাশ্বের আলী চৌধুরী ওরফে টুটন চৌধুরীসহ ঈদগাহ মাঠ পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দ, প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গ ও স্থানীয় সাংবাদিকগণ।
নামাজে ইমামের দায়িত্ব পালন করেছেন আলহাজ্ব হযরত মাওলানা আব্দুস সালাম বিন নুরুল্লাহ। ঈদগাহ মাঠ পরিচালনা কমিটি সূত্রে জানা যায় তিনি প্রায় ১৫ বছর ধরে এ মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার নামাজে ইমামের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

নামাজ শুরুর পূর্বে ঈদগাহ মাঠে উপস্থিত মুসল্লিদের সাথে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন নকলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহাঙ্গীর আলম, শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনের এমপি প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফাহিম চৌধুরীর প্রতিনিধি উপজেলা বিএনপি নেতা মোবাশ্বের আলী চৌধুরী ওরফে টুটন চৌধুরী, ঈদগাহ মাঠ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সরকারি হাজী জালমামুদ কলেজের প্রভাষক গোলাম মাসুম। নামাজ শেষে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহ এবং দেশের শান্তি ও অগ্রগতি কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
কায়দা-বাজারদী গোরস্থান ঈদগাহ মাঠ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক স্থানীয় সরকারি হাজী জালমামুদ কলেজের প্রভাষক গোলাম মাসুম জানান, যুগ যুগ ধরে চলা কায়দা-বাজারদী কেন্দ্রীয় গোরস্থান ঈদগাহ মাঠ অত্র এলাকার সবচেয়ে বড় ঈদগাহ মাঠ। ঈদগাহ মাঠটিতে দূরদূরান্ত থেকে ঈদের নামাজ পড়তে আসা মুসুল্লিদের জন্য আর কি কি সুযোগসুবিধা বৃদ্ধি করা যায় সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।
উল্লেখ্য, এবার নকলা উপজেলার একটি পৌরসভা ও ৯টি ইউনিয়নে মোট ১০২টি ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা গেছে। সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে গতকাল শুক্রবার (২০ মার্চ) সকালে নকলা পৌরসভার চরকৈয়া মহল্লায় কিছুসংখ্যক মুসুল্লি ঈদুল ফিতরের ২ রাকাআত ওয়াজিব নামাজ আদায় করেছেন।




