জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে শেরপুরের মেধাবী শিক্ষাথী সুমাইয়া আক্তার সুমনা। তবে পরিবারের দৈন্যদশা ও আর্থিক অনটনের কারণে ভর্তিসহ সামনের পড়াশোনার খরচ নিয়ে শঙ্কায় রয়েছে সে। সুমনা শহরের কসবা এলাকার দরিদ্র রংমিস্ত্রি সুমন আহমেদের মেয়ে।

জানা যায়, রংমিস্ত্রি সুমন আহমেদের ২ ছেলেমেয়ের মধ্যে সুমাইয়া আক্তার সুমনা বড়। ৮ বছর বয়সী ছোট ছেলে সিয়াম স্থানী একটি মাদ্রাসায় পড়ছে। সুমনা কসবা কিন্ডারগার্টেন স্কুল থেকে ২০২৩ সালে এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৪.৭৮ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়। পরবর্তীতে ২০২৫ সালে শেরপুর সরকারি মহিলা কলেজ থেকে মানবিক বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়। পরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৩০৪ তম মেধাক্রম পেয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তির সুযোগ পায় সে। তবে ভর্তির সুযোগ পেলেও পরিবারের আর্থিক অনটনের কারণে দুঃশ্চিন্তায় পড়েছে তার পরিবার।
সুমনার বাবা সুমন আহমেদ বলেন, মেয়েটা ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনার প্রতি খুবই আগ্রহী ছিল। আমিও আমার সাধ্যমতো তাকে পড়ানোর চেষ্টা করেছি। এখন সে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে। তার ভর্তির টাকা ও বইপত্র ক্রয়সহ অন্যান্য খরচ নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় পড়েছি। কারণ বসতভিটা ছাড়া আমার কোন সহায়-সম্পত্তি নেই। অনিয়মিত রংমিস্ত্রির কাজ করে ৪ সদস্যের সংসারের খরচ চালানোই কঠিন। সরকারি বা বেসরকারি সহযোগিতা পেলে হয়তো মেয়েটা পড়াশোনা চালিয়ে মানুষ হতে পারবে।

সহযোগিতার জন্য সুমনার বাবার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন (০১৯২২-৬১২৪৭০-বিকাশ-নগদ পারসোনাল)।




