আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুরের ৩টি নির্বাচনী আসনের মধ্যে কেবল শেরপুর-১ (সদর) আসনে বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিসের প্রার্থী মো. সফিকুল ইসলাম তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। এছাড়া বাছাইয়ে বাতিলের পর আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন ৪ প্রার্থী। এ নিয়ে জেলার ৩টি আসনে মোট বৈধ প্রার্থী হলেন ১৪ জন। মোট ২০ জানুয়ারি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

বৈধ প্রার্থীরা হচ্ছেন শেরপুর-১ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা, জামায়াত মনোনীত প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম, এনসিপি মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মো. লিখন মিয়া, জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী মো. মাহমুদুল হক মনি ও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মাসুদ। এর মধ্যে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মাহমুদুল হক মনির মনোনীন বাছাই পর্বে বাতিল হলেও আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।
শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী প্রকৌশলী মো. ফাহিম চৌধুরী, জামায়াত মনোনীত প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া ভিপি, ইসলামী আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী মো. আব্দুল্লাহ আল কায়েস ও এবি পার্টি মনোনীত প্রার্থী মো. আব্দুল্লাহ বাদশা। এর মধ্যে বিএনপি প্রার্থী ফাহিম চৌধুরীর মনোনয়ন দ্বৈত নাগরিকত্বের প্রশ্নে বাছাইপর্বে বাতিল হলেও আপিলের শেষ দিনের শুনানীতে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। এছাড়া এবি পার্টির প্রার্থী মো. আব্দুল্লাহ বাদশা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে না পারলেও উচ্চ আদালতের আদেশে পরবর্তীতে মনোনয়নপত্র জমা দেন এবং বাছাইয়ে তা বৈধ হয়।

আর শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মাওলানা নুরুজ্জামান বাদল, ইসলামী আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী মুফতি আবু তালেব মো. সাইফুদ্দিন, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মাকর্সবাদী) মনোনীত প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান ও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আমিনুল ইসলাম বাদশা।




