শেরপুরে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের উদ্যোগে আরও ৩টি অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। ১৪ ডিসেম্বর রবিবার সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত সদর উপজেলায় বিভিন্ন অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শুভাগত সরকার বর্ণ এবং নিলুফা ইয়াছমিন মিতু। ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রসিকিউশন প্রদান করেন জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ হেদায়েতুল ইসলাম।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না থাকায় রবিবার সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত সদর উপজেলায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়। ওইসময় সদর উপজেলার মনকান্দায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে মেসার্স এম আর এইচ ব্রিকস-০১ জিগজ্যাগে ২ লক্ষ টাকা, মেসার্স এম আর এইচ জিগজ্যাগ ব্রিকস-০২ এ ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ও মেসার্স এম আর এইচ জিগজ্যাগ ব্রিকস-০৩ এ ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
এসময় ওইসব অবৈধ ৩টি ইটভাটায় মোট আট লক্ষ টাকা জরিমানা ধার্যপূর্বক আদায় করাসহ ইটভাটা গুলোতে তৈরিকৃত কাঁচা ইট বিনষ্ট করা হয়। এছাড়াও বিদ্যুৎ সংযোগ বিছিন্ন করা এবং ইটভাটা গুলোর সকল কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতে সেনাবাহিনীর সদস্যবৃন্দ, পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স এর সদস্যবৃন্দ, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এর প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

পরিবেশ অধিদপ্তর শেরপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ হেদায়েতুল ইসলাম জানান, পরিবেশ দূষণ রোধে অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে এধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, এর আগে আরও ৩টি ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে কার্যক্রম বন্ধসহ ৯ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।




