অবশেষে ‘পটারহেড’দের জন্য এল বহু প্রতীক্ষিত সুখবর। প্রকাশ পেয়েছে এইচবিও নির্মিত নতুন ‘হ্যারি পটার’ সিরিজের প্রধান ৩ চরিত্রের ফার্স্ট লুক। পরিচিত সেই সিগনেচার গোল চশমা ও স্কুল ইউনিফর্ম পরে হাস্যোজ্জ্বল হ্যারি পটারের ভূমিকায় দেখা গেল নবাগত ডমিনিক ম্যাকলাফলিন-কে। তার সঙ্গে দেখা গেছে হারমায়োনি গ্রেঞ্জার চরিত্রে আরাবেলা স্ট্যানটন এবং রন উইজলি চরিত্রে অ্যালাস্টার স্টাউট-কে।

এর আগে জানানো হয়েছিল, ৩০ হাজারেরও বেশি প্রতিযোগীর মধ্যে থেকে এই তরুণ ত্রয়ীকে নির্বাচন করা হয়। ১৪ জুলাই ঘোষণা করা হয় আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে নতুন অভিনেতাদের নাম। নতুন কাস্টিংয়ে নেভিল লংবটম চরিত্রে থাকছেন ররি উইলমোট, ডাডলি ডার্সলি চরিত্রে আমোস কিটসন, ম্যাডাম হুচ চরিত্রে লুইস ব্রেলি এবং ওলিভান্ডার চরিত্রে অ্যান্টন লেসার।
২০২৭ সালে এইচবিও এবং এইচবিও ম্যাক্স প্ল্যাটফর্মে সম্প্রচার শুরু হবে বহুল আলোচিত এই সিরিজটির। প্রযোজনা শুরু হয়েছে যুক্তরাজ্যের ওয়ার্নার ব্রাদার্স স্টুডিও লিভসডেন-এ। শোরনার ফ্রান্সেসকা গার্ডিনার এবং পরিচালক মার্ক মাইলড-এর তত্ত্বাবধানে, জে. কে. রাউলিংয়ের জনপ্রিয় বই অবলম্বনে তৈরি হচ্ছে এই নতুন ‘হ্যারি পটার’।

এই সিরিজেও দেখা যাবে সেই চেনা গল্প-যেখানে একদিন হ্যারি আবিষ্কার করে যে সে একজন জাদুকর। মাগল পরিবারকে পেছনে ফেলে সে হগওয়ার্টস স্কুল অব উইচক্র্যাফ্ট অ্যান্ড উইজার্ডরিতে পড়তে যায়। সেখানে তার বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে রন ও হারমায়োনির সঙ্গে। ধীরে ধীরে সে জড়িয়ে পড়ে লর্ড ভলডেমর্টের সঙ্গে এক শ্বাসরুদ্ধকর লড়াইয়ে।
অন্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রগুলোতে থাকছেন—-অ্যালবাস ডাম্বলডোর চরিত্রে জন লিথগো, মিনার্ভা ম্যাকগোনাগল চরিত্রে জ্যানেট ম্যাকটিয়ার, সেভেরাস স্নেপ চরিত্রে পাপা এসিডু, রুবিউস হ্যাগ্রিড চরিত্রে নিক ফ্রস্ট।
উল্লেখ্য, জে. কে. রাউলিংয়ের লেখা প্রথম উপন্যাস ‘হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ফিলোসফারস স্টোন’ অবলম্বনে ২০০১ সালে মুক্তি পায় প্রথম সিনেমা। দারুণ জনপ্রিয়তা পায় চলচ্চিত্রটি এবং রাতারাতি তারকা হয়ে ওঠেন ড্যানিয়েল র্যাডক্লিফ, এমা ওয়াটসন ও রুপার্ট গ্রিন্ট। এই ত্রয়ীকে দেখা যায় সিরিজের বাকি ৭টি সিনেমাতেও।
সিরিজটির চিত্রনাট্য ও নির্বাহী প্রযোজনা করছেন ফ্রান্সেসকা গার্ডিনার, পরিচালনার পাশাপাশি নির্বাহী প্রযোজনায় আছেন মার্ক মাইলড। এছাড়া নির্বাহী প্রযোজক হিসেবে আছেন জে. কে. রাউলিং, নীল ব্লেয়ার, রুথ কেনলি-লেটস (ব্রন্টে ফিল্ম অ্যান্ড টিভি) এবং ডেভিড হেম্যান (হেইডে ফিল্মস)।




