শেরপুরে অপহরণের ১০ দিন পরও উদ্ধার হয়নি অপহৃত কিশোরী স্কুলছাত্রী (১৩)। গত ২৫ মার্চ রাতে শহরের দমদমা কালিগঞ্জ এলাকা থেকে অপহরণ হয় পার্শ্ববর্তী দিঘারপাড় মহল্লার এক ব্যবসায়ীর মেয়ে ও মমতাজ বেগম মেমোরিয়াল একাডেমির অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই ছাত্রী। ওই ঘটনায় সদর থানায় দিঘারপাড় মহল্লার মৃত জহুর আলী খলিফার ছেলে মমিন মিয়া (২৬) কে প্রধান আসামি করে ৫ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের হয়। ওই মামলায় ২ এপ্রিল শনিবার স্বপন নামে এক সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে এখনও উদ্ধার হয়নি অপহৃত স্কুলছাত্রী এবং গ্রেফতার হয়নি প্রধান আসামি মমিন মিয়াসহ এজাহারনামীয় কোন আসামি।

এ ব্যাপারে সদর থানার এসআই ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিঞা মো. জোবায়ের খালিদ রবিবার বিকেলে শ্যামলবাংলা২৪ডটকমকে জানান, ঘটনার পর থেকেই আসামিরা স্ব-স্ব মোবাইল বন্ধ করে পলাতক রয়েছে। মামলার ভিকটিমকে উদ্ধারসহ আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তারই আওতায় গাজীপুরের গাছা থানার বড়বাড়ি এলাকা থেকে প্রধান আসামি মমিন মিয়ার আপন ভাগনে ও সহযোগী স্বপন (২৫) কে গ্রেফতার করে ৫ দিনের পুলিশ রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
তার দাবি, স্বপন মামলার ভিকটিম ও প্রধান আসামির আত্মগোপনে থাকার সবকিছু জেনেও কৌশলে পাশ কেটে পুলিশ ও বাদীর আত্মীয়-স্বজনকে হয়রানী করছিল। আগামী বুধবার আদালতে তার রিমাণ্ডের বিষয়ে শুনানী হবে। খুব দ্রুতই মামলার ভিকটিমকে উদ্ধার করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

উল্লেখ্য, গত ২৫ মার্চ রাত সাড়ে ৯ টার দিকে শেরপুর শহরের দমদমা কালিগঞ্জ মহল্লায় এক সামাজিক অনুষ্ঠান শেষে মাকে নিয়ে বাড়ি ফিরতে রাস্তায় অটোরিক্সার জন্য অপেক্ষা করছিল ব্যবসায়ী-সাংবাদিক পরিবারের ওই স্কুলছাত্রী। ওই অবস্থায় একই এলাকার মমিন মিয়া তার কতিপয় সহযোগি নিয়ে তাকে অপহরণ করে। পরে খোঁজা-খুঁজি করে না পেয়ে স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে মমিন মিয়াসহ স্থানীয় শামীম মিয়া (২৫), জুবাইদুল (৩২), রায়হান (২৫) ও পার্শ্ববর্তী প্রতাবিয়া শাকিল মিয়া (২০)সহ ৫ জনকে স্ব নামে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২/৩ জনকে আসামি করে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ২৭ মার্চ তা নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড হয়।




