শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে সাংবাদিক বাড়িতে যাওয়ায় আঙ্গুরি বেগম (৭৫) নামে এক বৃদ্ধা নারিকে পিটিয়ে আহত করেছে প্রতিবেশীরা। ৬ জুলাই রবিবার রাতে উপজেলার নলকুড়া ইউনিয়নের গোমড়া গুচ্ছ গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে। আঙ্গুরি বেগম ওই গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের মেয়ে।

জানা যায়, আঙ্গুরি বেগম গোমড়া গুচ্ছ গ্রামের ঘরে বসবাসের পাশাপাশি শ্রম বিক্রি করে চলতো তার সংসার। কিন্তু বয়সের ভারে এখন কোন কর্ম করতে পারেন না আঙ্গুরি বেগম। গত ২ মাস পুর্বে আঙ্গুরি বেগমের সাথে দেখা হয় ঝিনাইগাতীর এক সাংবাদিকের। পরে ওই সাংবাদিক আঙ্গুরি বেগমের ভরনপোষণের দায়িত্ব নেন। মাঝে মধ্যে ওই সাংবাদিক আঙ্গুরি বেগমের দেখভাল করতে তার বাড়িতে আসেন। আর সাংবাদিক আঙ্গুরি বেগমের বাড়িতে আসায় গোমড়া গুচ্ছ গ্রামের সভাপতি আব্দুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক জনাব আলীসহ অন্যান্যরা আঙ্গুরি বেগমের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। তাদের দাবি হচ্ছে সাংবাদিক কেন আঙ্গুরি বেগমের বাড়িতে আসবে। ওই অজুহাতে আঙ্গুরি বেগমের সাথে সবাই অসদাচরণ শুরু করে। তাকে হুমকি দেয়া হয় গুচ্ছ গ্রামের ঘর থেকে বের করে দেওয়া হবে।
অভিযোগ রয়েছে, গুচ্ছ গ্রামের সভাপতি ও সম্পাদকের নির্দেশে অন্যান্যরা গুচ্ছগ্রামের কোন নলকূপ থেকে পানি আনতে দেন না। গায়ে পরে ঝগড়া বাধানোর করে। গত এক মাস ধরে আঙ্গুরি বেগমকে একঘরে করে রাখা হয়েছে। শুধু তাই নয়। ওই সাংবাদিক এলাকায় আসলে তাকেও হত্যার হুমকি দেয়া হচ্ছে। ওই ঘটনার জের ধরে রবিবার রাত ৮ টার দিকে গুচ্ছ গ্রামের নারী পুরুষ ৮/১০ জন আঙ্গুরি বেগমকে তার ঘর থেকে বের করে মারধর করে। ঘবর পেয়ে থানা পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার নেপথ্যে কলকাঠি নারছেন স্থানীয় একাধিক জনপ্রতিনি। এ ব্যাপারে আঙ্গুরি বেগম বাদি হয়ে ১০ জনকে বিবাদী করে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি) আল আমিন বলেন, এ বিষয়ে আঙ্গুরি বেগমের দেয়া একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




