ads

মঙ্গলবার , ৮ জুলাই ২০২৫ | ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

রেকর্ড ৩৪৭ মিলিমিটার বৃষ্টিতে নাজুক অবস্থা ফেনীর

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
জুলাই ৮, ২০২৫ ২:৩৬ অপরাহ্ণ

ফেনীতে গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩৪৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। চলতি মৌসুমে জেলায় এটি সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত। টানা বর্ষণে শহরের বিভিন্ন এলাকায় হাঁটু থেকে কোমর সমান পানি জমে গেছে। এতে শহরবাসীকে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে ‘দুর্যোগ’ সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। ফেনী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান বলেন, জেলায় টানা ২ দিন ধরে মাঝারি ও ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে। ৮ জুলাই মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত সর্বোচ্চ ৩৪৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। যা চলতি মৌসুমে সর্বোচ্চ। আগামী ২-৩ দিন জেলাজুড়ে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

Shamol Bangla Ads

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, টানা বর্ষণে ফেনী শহরের ডাক্তারপাড়া, শহীদ শহিদুল্লা কায়সার সড়ক, পুরাতন রেজিস্ট্রি অফিস, শাহীন একাডেমি এলাকা, পাঠানবাড়ি, নাজির রোড, মিজান রোড, সদর হাসপাতাল মোড় ও পেট্রোবাংলাসহ বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে এসব এলাকার নিচু সড়কগুলো। দোকানপাটে পানি ঢুকে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মালপত্র।

করিম মিয়া নামে পৌর হকার্স মার্কেটের এক ব্যবসায়ী বলেন, সকাল থেকে দোকানে পানি ঢুকে জিনিসপত্র নষ্ট হচ্ছে। গেল বছরের বন্যার ক্ষতি এখনো ঠিকভাবে কাটিয়ে উঠতে পারিনি। বর্ষা মৌসুমের আগে যদি শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল করা হতো তাহলে আমাদের এত ক্ষতির মুখে পড়তে হতো না।

Shamol Bangla Ads

মো. মামুন রহমান নামে ছাগলনাইয়ার আবদুল হক ডিগ্রি কলেজের এক শিক্ষার্থী বলেন, দুপুর ২টা থেকে অনার্স চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা। টানা বৃষ্টি আর পানির মধ্য দিয়ে কীভাবে পরীক্ষা কেন্দ্রে যাব জানি না। কর্তৃপক্ষ যদি পরীক্ষা স্থগিত করতেন আমরা অনেক উপকৃত হতাম।

এ বিষয়ে ফেনী পৌর প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক গোলাম মো. বাতেন বলেন, অতিবৃষ্টি ও অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে শহরে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি বন্ধ হলে পানি নেমে যাবে। ইতোমধ্যে পৌরসভার ৭টি টিম কাজ শুরু করেছে।

Need Ads
error: কপি হবে না!