মালদ্বীপের বিপক্ষে গ্রুপের আগের ম্যাচে প্রথমার্ধে ২ গোলের লিড নিয়ে পরে ২ গোল হজম করে ড্র করে বাংলাদেশ। ১১ মে রবিবার বাঁচা-মরার লড়াইয়ে ভুটানের বিপক্ষেও শুরুতে ২ গোল পেয়ে যায় গোলাম রব্বানী ছোটনের দল। এদিন অবশ্য খেলার বাকি সময়ে আর কোনো বিপদ ঘটতে দেননি যুবারা। লিড ধরে রেখে শেষ দিকে ব্যবধান আরও বাড়িয়ে ৩-০ গোলের জয়ে পৌঁছে যায় অনূর্ধ্ব-১৯ সাফের সেমিফাইনালে।

জানা যায়, অরুণাচলের গোল্ডেন জুবিলী স্টেডিয়ামে শুরুর ৪৫ মিনিট ছিল পুরোটাই বাংলাদেশের। শুরু থেকে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকেন নাজমুল হুদা-মুর্শেদ আলীরা। সুবাদে ১৩ মিনিটেই লিড পেয়ে যায় বাংলাদেশ। অধিনায়ক নাজমুলের বাড়ানো দারুণ পাস পেয়ে বক্সে ঢুকে জায়গা করে নিয়ে বাঁ পায়ের বাঁকানো শটে জাল খুঁজে নেন মুর্শেদ।
গোছালো ফুটবলে ২৭ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে নেন যুবারা। ডান দিক থেকে মুর্শেদের ক্রস ভুটানের এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে দিক পাল্টে চলে যায় সুমন সরেনের কাছে। একটু সামনে এগিয়ে তাঁর জোরাল শট গোলরক্ষকের গায়ে লেগে জাল খুঁজে পায়। দ্বিতীয়ার্ধে তেড়েফুঁড়ে আক্রমণের চেয়ে বলের নিয়ন্ত্রণে মনোযোগী ছিল বাংলাদেশ। ওই সুযোগে বাংলাদেশকে বারবার চাপে ফেলেছে ভুটানি ফরোয়ার্ডরা। তবে নিখুঁত ফিনিশিং পায়নি তারা। বাংলাদেশের গোলরক্ষক ইসমাইল হোসেন মাহিন পোস্টের নিচে দৃঢ়তা দেখিয়েছেন। ৭৩ মিনিটে টেনডিং টিসেরাংয়ের শট ঝাঁপিয়ে কর্নারের বিনিময়ে ফেরান তিনি।
আক্রমণ অব্যাহত রেখে বাংলাদেশের ওপর চাপ বাড়িয়েই যাচ্ছিল ভুটানিরা কিন্তু যোগ করা সময়ে সব অনিশ্চয়তার ইতি টেনে দেন অধিনায়ক নাজমুল হুদা।
ডান দিক দিয়ে আক্রমণে ওঠা মুর্শেদের ক্রস নিখুঁত ট্যাপ ইনে জালে জড়িয়ে দেন তিনি।




