ads

শনিবার , ২৬ এপ্রিল ২০২৫ | ২৫শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

একই অপরাধে ২ বার শাস্তি হাস্যকর: হৃদয় ইস্যুতে বিসিবিকে তামিম

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
এপ্রিল ২৬, ২০২৫ ১২:৩৮ অপরাহ্ণ

একই ঘটনায় ২ বার শাস্তি—তাওহিদ হৃদয়ের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে বিসিবির সিদ্ধান্তকে ‘হাস্যকর’ বললেন তামিম ইকবাল। ২৫ এপ্রিল শুক্রবার মিরপুর শেরে বাংলায় বিসিবির কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক দীর্ঘ বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে মুখ খোলেন জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক।

Shamol Bangla Ads

বিসিবিতে সকাল থেকেই জমজমাট পরিবেশ। একে একে হাজির হন তামিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মুস্তাফিজুর রহমান, নাঈম শেখ, শরিফুল ইসলামরা। নিজেরা একদফা আলোচনার পর শেষ দিকে যুক্ত হয়েছিলেন বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদও। পরে সাংবাদিকদের সামনে হাজির হয়ে হৃদয়ের শাস্তি ইস্যুতে অসন্তোষের কথা জানান তামিম।

তামিম বলেন, প্রথমে দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা দেয়া হলো, কেউ কিছু বলেনি। পরে এক ম্যাচ কমিয়ে দেয়া হলো। আবার দুই ম্যাচ খেলার পর নতুন করে এক ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা—পুরো ব্যাপারটাই কোনো সেন্স করে না। এটা হাস্যকর। তিনি আরও বলেন, ‘মোহামেডান থেকে প্রেশার দিয়ে খেলানো হয়েছে কী হয়নি এটা গুরুত্বপূর্ণ না। বড় কথা হলো বিসিবি কি তাকে খেলার অনুমতি দিয়েছে? যদি দিয়ে থাকে, তাহলে সে শাস্তি ভোগ করেছে। তাহলে কীভাবে আবার একই অপরাধে শাস্তি পাবে? বিষয়টা আমরা বোর্ড সভাপতিকে বুঝিয়েছি।’

Shamol Bangla Ads

জানা যায়, তাওহিদ হৃদয় ডিপিএলে আম্পায়ারের সঙ্গে অসদাচরণ করায় প্রথমে ২ ম্যাচ নিষিদ্ধ হন। পরে বাইলজ পরিবর্তন করে এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞায় নামিয়ে আনা হয় শাস্তি। কিন্তু সেই সিদ্ধান্তে তীব্র সমালোচনা হলে, লিগের টেকনিক্যাল কমিটি আগের রায়ই বহাল রাখে। ফলে ২৩ বছর বয়সী এই ব্যাটার আবারও এক ম্যাচ নিষিদ্ধ হন। যদিও গত ২০ এপ্রিল অগ্রণী ব্যাংকের বিপক্ষে মোহামেডানের হয়ে মাঠে নেমে নেতৃত্বও দেন তিনি।

ঘটনা শুরু হয়েছিল ১২ এপ্রিল। সেদিন মোহামেডান ফিল্ডারদের আবেদনে সাড়া না দিয়ে আউট দেননি আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা সৈকত ও তানভীর আহমেদ। তখনই আম্পায়ারদের সঙ্গে তর্কে জড়ান হৃদয়। এতে তার বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ আনা হয় এবং চার ডিমেরিট পয়েন্টসহ ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

পরবর্তীতে আম্পায়ারদের বিরুদ্ধে মন্তব্য করায় আরও এক ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয় হৃদয়কে। নিয়ম অনুযায়ী সুপার লিগের প্রথম দুই ম্যাচে মাঠের বাইরে থাকার কথা ছিল তার, কিন্তু এক ম্যাচ পরই আবার খেলার সুযোগ পান তিনি, যা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সিনিয়র ক্রিকেটাররাও।

Need Ads
error: কপি হবে না!