ভাগ্যের জোরে বাংলাদেশ নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেলেও নিজেদের যোগ্যতায় টুর্নামেন্টের একাদশে সুযোগ পেয়েছেন বাংলাদেশের ২ নারী ব্যাটার। সেই ২ জন হচ্ছেন- অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ও শারমিন আক্তার সুপ্তা।

জানা যায়, জ্যোতি-সুপ্তার বাইরে আরেকজন বাংলাদেশি সুযোগ পেয়েছেন। তবে টুর্নামেন্টে ৬ উইকেট নেওয়া লেগ স্পিনার রাবেয়া খান আছেন রিজার্ভ খেলোয়াড় হিসেবে।
গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ থাইল্যান্ডকে বড় ব্যবধানে হারালেও সমীকরণ মেলাতে না পারায় ভারতে হতে যাওয়া নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পান জ্যোতিরা। অথচ যেভাবে জ্যোতি-সুপ্তারা টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল তাতে ভাগ্যের জোরে বাংলাদেশকে টিকিট পেতে হতো না। কেননা টানা তিন ম্যাচ জয়ের পর যদি শেষ ২ ম্যাচের একটিতে জিততে পারত। সে যাই হোক ভাগ্য সুপ্রসন্ন হয়েছে বাংলাদেশের।
ভাগ্যেকে পাশে পাওয়ার পেছনেও কিন্তু জ্যোতি-সুপ্তাদের অবদান কম নয়। তারা দুর্দান্ত না খেললে তো এমন সমীকরণই পেত না বাংলাদেশ। ২৬৬ রান করে টুর্নামেন্ট দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক সুপ্তা। আর ২৪১ রান নিয়ে তৃতীয় সর্বোচ্চ বাংলাদেশের অধিনায়ক জ্যোতি।
থাইল্যান্ডের বিপক্ষে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরিও হাঁকিয়েছেন জ্যোতি। তারই স্বীকৃতি হিসেবে দুজনই একাদশে সুযোগ পেয়েছেন।

একাদশেও দাপট দেখিয়েছে টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান। তাদের ৪ জন ক্রিকেটার জায়গা পেয়েছেন। সেই চারজন হচ্ছেন- মুনিবা আলি ( ২২৩ রান), ফাতিমা সানা (১০৩ রান ও ১২ উইকেট) , নাসরা সান্ধু (১০ উইকেট) ও সাদিয়া ইকবাল (৯ উইকেট)।
অন্যদিকে শেষ মুহূর্তে স্বপ্নভঙ্গ হওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের তিনজন পেয়েছে।
ক্যারিবিয়ানদের ৩ জন হচ্ছেন- হেইলি ম্যাথিউস (২৪০ রান ও ১৩ উইকেট), চিনেলে হেনরি (১৭১ রান) ও আলিহা অ্যালেইন (৬৩ রান ১২ উইকেট)। একাদশের বাকি দুজন হচ্ছেন স্কটল্যান্ডের দুই ক্যাথেরিন- ব্রাইস (২৯৩ রান ও ৬ উইকেট) ও ফ্রেজার (৭৭ রান ও ১০ উইকেট)। ব্রাইস আসরের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। দলের অধিনায়ক পাকিস্তানের ফাতিমা সানা।
মেয়েদের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের সেরা একাদশ:
হেইলি ম্যাথুস (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), মুনিবা আলি (পাকিস্তান), শারমিন আক্তার (বাংলাদেশ), ক্যাথরিন ব্রাইস (স্কটল্যান্ড), নিগার সুলতানা জ্যোতি (বাংলাদেশ), ফাতিমা সানা (পাকিস্তান), চিনেলে হেনরি (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), ক্যাথেরিন ফ্রেজার (স্কটল্যান্ড), আলিহা অ্যালেইন (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), নাশরা সান্ধু (পাকিস্তান), সাদিয়া ইকবাল (পাকিস্তান),
দ্বাদশ খেলোয়াড় : রাবেয়া খান (বাংলাদেশ)




