শেরপুরের নকলায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার মন্ডপ পরিদর্শন করেছেন ভারপ্রাপ্ত নকলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দা তামান্না হোরায়রা। এসময় তিনি পূজারীদের সাথে মতবিনিময় ও পরিদর্শন বহিতে স্বাক্ষর করেন। ৯ অক্টোবর বুধবার দুপুরে তিনি মন্ডপ পরিদর্শনে বের হন।

নকলা পৌরশহরে কালিমাতা মন্দিরে মন্ডপ পরিদর্শন ও পূজারীদের সাথে মতবিনিময়কালে ইউএনও সৈয়দা তামান্না হোরায়রা উপস্থিত পূজা উদযাপন পরিষদ নকলা উপজেলা শাখার আহবায়ক দেবজিৎ পোদ্দার ঝুমুর ও সদস্য সচিব আশীষ কুমার সাহা এবং স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গোৎসব পালনের লক্ষ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও প্রতিটি মন্ডপে সরকারি সহায়তা বিতরণের পাশাপাশি মন্ডপ ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নিরাপত্তার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। অধিকতর নিরাপত্তার স্বার্থে প্রতিটি মন্ডপে স্থাপন করা হয়েছে সিসি ক্যামেরা। উপজেলার ১৭টি মন্ডপে নিরাপত্তার জন্য পুলিশের পাশাপাশি ১০২ জন আনসার সদস্য ও ৫১ জন গ্রাম পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তিনি নির্ভয়ে উপজেলার সকল সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুর্গোৎসব পালনের আহ্বান জানান।
পূজা উদযাপন পরিষদ নকলা উপজেলা শাখার আহবায়ক দেবজিৎ পোদ্দার ঝুমুর ও সদস্য সচিব আশীষ কুমার সাহা জানান, নকলা উপজেলায় এবার ১৭টি মন্ডপে দুর্গোৎসব হচ্ছে। তবে গতবছর মন্ডপ ছিল ১৯টি। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমরা আশা করব এবারের দুর্গাপূজা সেনাবাহিনী ও পুলিশ প্রশাসন এবং বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দের সহযোগিতায় সুন্দর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে উদযাপিত হবে। তবে বন্যার কারণে উরফা ইউনিয়নের পিছলাকুড়ি ও বারমাইসা এবং গণপদ্দী ইউনিয়নের বিহারীরপাড় এলাকায় স্থাপিত মন্ডলগুলোতে পানি উঠায় সেগুলো অপেক্ষাকৃত উঁচু ও নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।




