ads

শুক্রবার , ১৪ জুন ২০২৪ | ১লা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে ৯ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বন কর্মকর্তার নামে মামলা

খোরশেদ আলম, ঝিনাইগাতী
জুন ১৪, ২০২৪ ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ

শেরপুরের শ্রীবরদীতে ৯ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে রবিউল ইসলাম নামে এক বন কর্মকর্তার নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ১৩ জুন বৃহস্পতিবার জেলার শ্রীবরদী থানায় এ মামলাটি দায়ের করা হয়। বন বিভাগের পক্ষ থেকে  শ্রীবরদী উপজেলার বালিজুরি ফরেষ্ট রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ সুমন মিয়া বাদী হয়ে এ মামলাটি দায়ের করেন। অভিযুক্ত বন কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বালিজুরি ফরেষ্ট রেঞ্জ অফিসের সাবেক রেঞ্জ কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ২০১৬ সাল থেকে বালিজুরি রেঞ্জের একাধিক বিটের বিট কর্মকর্তা ও রেঞ্জ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

Shamol Bangla Ads

জানা গেছে, বন কর্মকর্তা রবিউল ইসলামের বাড়ি জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ এলাকায়। ,সাবেক বস্ত্র ও  পাট মন্ত্রী মির্জা আজমের এলাকার লোক হিসাবে দাপটে একই কর্মস্থলে তিনি ৮ বছর চাকুরি করেন।

এলাকাবাসী জানান, এখানে যোগদানের পরপরই তিনি নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন। মন্ত্রী এলাকার লোক হিসাবে তিনি কাউকেই তোয়াক্কা করেননি। তার দাপটে এলাকাবাসীও মুখ খুলতে সাহস পায়নি। এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে এলাকাবাসীর কাছ থেকে।

Shamol Bangla Ads

এলাকাবাসী আরও জানান, তিনি  সুফল বাগান সৃজনে অনিয়ম দুর্নীতির পাশাপাশি বিভিন্ন খাতে তিনি দুর্নীতি করেছেন। বর্তমান ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আ ন ম আব্দুল ওয়াদুদ কর্মস্থলে যোগাযোগের পর ঘটনা আঁচ করতে পেরে বন কর্মকর্তা রবিউল ইসলামকে বদলি করে বালিজুরি রেঞ্জ কর্মকর্তা হিসেবে সুমন মিয়াকে পদায়ন করেন।  কিন্তু রবিউল ইসলাম সুমন মিয়াকে দায়িত্ব বুঝিয়ে না দিয়ে তার বদলির নির্দেশ স্থগিত করানোর জন্য তদবিরে মেতে উঠেন।

জানা গেছে, বিভাগীয় বন কর্মকর্তার স্বদিচ্ছার কারণে তা আর সম্ভব হয়নি। অবশেষে গত ২৫ ফ্রেব্রুয়ারি রবিউল ইসলাম সুমন মিয়াকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেন। সুমন মিয়া দায়িত্ব বুঝিয়ে নেয়ার পর রবিউল ইসলামের ৯ কোটি টাকার ঘাপলার ঘটনা ফাঁস হয়ে যায়।

পরে  এ বিষয়ে  বিভাগীয়ভাবে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটির তদন্তে  ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হলে বন বিভাগ বন কর্মকর্তা রবিউল ইসলামকে সরকারি হরিলুটের ৯ কোটি টাকা ফেরত দেয়ার জন্য বলা হয়। কিন্ত রবিউল ইসলাম টাকা  জমা না দিয়ে গা ঢাকা দেন। এ বিষয়ে বন বিভাগের পক্ষ থেকে শ্রীবরদী থানায় এ মামলাটি দায়ের করা হয়।

শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ কাইয়ুম খান সিদ্দিকী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

Need Ads
error: কপি হবে না!