১৪ দিন মৃত্যুর সাথে লড়াই করে অবশেষে ৪ জুন মঙ্গলবার ভোরে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন দেশের গুণী অভিনেত্রী রিশতা লাবনী সীমানা। তার প্রথম নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয় দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে রাজধানী ঢাকার তেজগাঁওয়ে অবস্থিত চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে। জানাজায় উপস্থিত ছিলেন সীমানার দীর্ঘদিনের সহকর্মীরা। সেখানে দীর্ঘদিনের সহকর্মীরা অভিনেত্রীকে ফুল দিয়ে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এরপর সীমানার লাশ নেওয়া হচ্ছে তার নিজ বাড়ি শেরপুরের নকলা উপজেলায়। সেখানেই চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন তিনি। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় গ্রামের বাড়ি নকলায় দ্বিতীয় নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। মৃত্যুকালে সীমানা স্বামী, দুই ছেলে রেখে গেছেন।

অভিনেত্রী সীমানার বাড়ি নকলা পৌরসভাধীন কায়দা বাজারদী এলাকায়। তার পিতা সেকান্দার আলী অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা। দুই বোন এক ভাইয়ের মধ্যে সীমানা সবার বড় ছিলেন।
জানা গেছে, গত ২১ মে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হলে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে আট দিন চিকিৎসাধীন ছিলেন সীমানা। অবস্থার অবনতি হলে ২৯ মে এই অভিনেত্রীকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে এই অভিনেত্রীকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে ভেন্টিলেশনে শেষ চেষ্টা হিসেবে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। প্রায় ১৪ দিন অচেতন ছিলেন সীমানা। কিন্তু আর ফেরা হলো না সীমানার। সেখানে মঙ্গলবার (০৪ জুন) ভোর ছয়টায় সীমানা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

উল্লেখ্য, নকলা ললিতকলা একাডেমী, খেলাঘর, কোর্টফিল্ড, কমল ওস্তাদজী, শিল্পকলায় অভিনয় চর্চা করতেন। এরপরে বিটিভিতে কাজ শুরু করেন। তারপর ২০০৬ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শোবিজে পা রাখেন সীমানা। এরপর থেকে তিনি নাটক, বিজ্ঞাপনে নিয়মিত কাজ করেন। তিনি তৌকীর আহমেদ পরিচালিত ‘দারুচিনি দ্বীপ’ সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে সবার নজরে আসেন। ‘রোশনী’ নামের একটি সিনেমাতে অভিনয় করেছেন। সীমানার উল্লেখযোগ্য নাটকের সাকিন সারিসুরি, কলেজ টুডেন।




