মো. ওয়াসীম আকরাম, স্টাফ রিপোর্টার : মশিউর রাজা চৌধুরী সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলার সুখাইর রাজাপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের বারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান মনছব রাজা চৌধুরীর (মহারাজ মিয়া) ছেলে। তার বড় ভাই আমানুর রাজা চৌধুরীও ছিলেন একই ইউনিয়নের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান।

উপজেলার রাজাপুর গ্রামের ঐতিহ্যবাহী এই পরিবারের সাথে সখ্যতা ছিলো স্বধীন বাংলাদেশের স্থপতি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনি প্রচারণায় শেখ মুজিবুর রহমান মশিউর রাজা চৌধুরীদের বাড়িতে গিয়েছিলেন। এই বাড়িতেই বঙ্গবন্ধু ও তার সফর সঙ্গীরা সেদিন জুমার নামাজ আদায় ও দুপুরের খাবার খেয়েছিলেন। জাতির পিতার স্মৃতি বিজড়িত এই মসজিদটি আজও কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। যে টিনসেট ঘরে বঙ্গবন্ধু বিশ্রাম করেছিলেন , সেই ঘরেই তারা স্থাপন করেছেন বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর।
বাবা ও ও বড় ভাইয়ের মতো মশিউর রাজা চৌধুরী নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না থাকলেও এলাকার সকল শ্রেণীর মানুষের সাথে তার রয়েছে নিবিড় সম্পর্ক। সকল সময় তিনি এলাকার মানুষের সুখে দুঃখে পাশে থেকেছেন। সে কারনেই ধর্মপাশা উপজেলায় রয়েছে তার সীমাহীন জনপ্রিয়তা। এলাকাবাসীর দাবির মুখেই এবার আসন্ন আগামী ২১ শে জুন অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা ঘোষণা করেছিলেন মশিউর রাজা চৌধুরী।

কিন্তু সম্প্রতি তার স্ত্রীর অসুস্থতা, ব্যাবসায়ীক ও পারিবারিক কিছু অসুবিধার কারনে তিনি এই নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে পারছেন না। তিনি তার পরিবারের জন্য সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন। এদিকে, নির্বাচনে অংশ নিতে না পারলেও তিনি আগের মতোই সকলের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যাক্ত করেছেন। পাশাপাশি নিন্দুকের কথায় কান না দিয়ে ধৈর্যের সাথে সকল পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে তার ভক্ত, কর্মী, অনুরাগীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।




