শেরপুরের শ্রীবরদীতে যাত্রীবাহী বাসের সাথে শ্যালোইঞ্জিনচালিত ট্রলির মুখোমুখি সংঘর্ষে হামিদুল্লাহ (২৭) নামে ট্রলির হেলপার নিহত হয়েছে। এতে গুরুতর আহত হয়েছে ট্রলির চালক রমজান আলী (২০)। ২১ ফেব্রæয়ারি বুধবার ভোরে উপজেলার কুড়িকাহনীয় ইউনিয়নের ভায়াডাঙা-কুরুয়া সড়কের কুরুয়া পশ্চিমপাড়া এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে। নিহত হামিদুল্রাহ বড় পোড়াগড় গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে। আহত রমজান আলী একই গ্রামের শাহেদ আলীর ছেলে।

জানা যায়, ট্রলিতে লাকড়ি নিয়ে ভায়াডাঙা হতে শেরপুর যাওয়ার পথে কুরুয়া পশ্চিমপাড়া এলাকায় গেলে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা মা মনি নামে যাত্রীবাহী দূরপাল্লার বাসের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটে। এতে ট্রলি উল্টে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যায় এবং বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে একটি বাড়িতে উঠে যায়। ওইসময় ট্রলির হেলপার হামিদুল্লাহ ট্রলির চাপায় পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। গুরুতর আহত হয় ট্রলিচালক রমজান আলী। পরে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার রোমান হায়দার বলেন, দুর্ঘটনার পর খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল থেকে একজনকে মৃত ও কয়েকজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছি।

বাসের যাত্রীরা জানান, মামণি বাসের চালক ঘুমিয়ে ছিল। বাসের হেলপার গাড়িটি চালানোর সময় ওই দুর্ঘটনা ঘটে।
এ ব্যাপারে শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাইয়ুম খান সিদ্দিকী বলেন, ওই ঘটনায় নিহত একজনের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ট্রলির চালক রমজান আলীর অবস্থা আশংকাজনক। বাসটি আটক করা হয়েছে। ওই ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।




