শেরপুরে অগ্নিকাণ্ডে আব্দুস সালাম নামে এক কৃষকের ৩টি বসতঘর, ১টি গোয়ালঘর ও ৩টি গরুসহ ঘরের সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়েছে। ২২ মার্চ মঙ্গলবার রাতে সদর উপজেলার কামারেরচর ইউনিয়নের সাহাব্দীরচর এলাকায় ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় ১০ লক্ষ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের। এদিকে খবর পেয়ে বুধবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহনাজ ফেরদৌস।

জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সোয়া ৯টার দিকে সদর উপজেলার কামারেরচর ইউনিয়নের সাহাব্দীরচর এলাকার কৃষক আব্দুস সালামের গোয়ালঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। এতে মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে আব্দুস সালামের বসতঘর, তার দুই ছেলে বাবুল মিয়া ও বায়েজিদ মিয়ার বসতঘর ও গোয়ালঘরে। খবর পেয়ে শেরপুর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ওই এলাকায় প্রশিক্ষণরত সেনা সদস্য ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে ৩টি বসতঘরের যাবতীয় মালামাল, নগদ ৮০ হাজার টাকা ও গোয়ালঘরে থাকা ৩টি গরু পুড়ে মারা যায়। এছাড়া গুরুতর আহত হয়েছে আরও ৫টি গরু।
কৃষক আব্দুস সালাম জানান, ঘরে থাকা প্রায় ১০ মণ শুকনা মরিচ, ধান, চাল, নগদ ৮০ হাজার টাকাসহ সব পুড়ে গেছে। পরনের কাপড় ছাড়া আর কোন মালামাল ঘর থেকে বের করতে পারি নাই। যে গরুগুলো বেঁচে আছে সেগুলোর অবস্থাও আশঙ্কাজনক। আগুন আমার সব কাইড়া নিছে। এখন সরকারের সহযোগিতা ছাড়া আমার আর বাঁচার উপায় নাই।

এদিকে অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে সাথে সাথেই স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান হাবিব ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন।
শেরপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক জাবেদ হোসেন মো. তারেক পাটোয়ারী শ্যামলবাংলা২৪ডটকমকে জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছে। এতে প্রায় ৬/৭ লক্ষ টাকার মতো ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণ করা হচ্ছে। ঘটনাস্থল একটু দূরে হওয়ায় এবং রাস্তা খারাপ থাকায় সেখান পৌঁছাতেও একটু সময় লেগেছে।
এ ব্যাপারে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহনাজ ফেরদৌস শ্যামলবাংলা২৪ডটকমকে জানান, খবর পেয়ে অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে যাওয়া বসতঘর পরিদর্শন করেছি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।




