রডসহ অন্যান্য লোহাজাতীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে স্ক্র্যাপ জাহাজের আমদানি শুল্ক টন প্রতি ১৫শ টাকা থেকে কমিয়ে ৫শ টাকা করার প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ শিপ ব্রেকার্স অ্যান্ড রিসাইক্লিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএসবিআরএ)। রবিবার সকালে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সঙ্গে আগামী ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনায় এ প্রস্তাব তুলে ধরেন সংগঠনটির আবু তাহের।

রাজধানীর সেগুনবাগিচার জাতীয় রাজস্ব ভবন সম্মেলন কক্ষে এনবিআর সদস্য (শুল্ক নীতি) মো. মাসুদ সাদিকের সভাপতিত্বে প্রাক-বাজেট আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
বিএসবিআরএ সভাপতি বলেন, স্ক্র্যাপ জাহাজের আন্তর্জাতিক বাজার দর টনপ্রতি ৩৫০ থেকে বেড়ে ৬৩০ ডলারে পৌঁছেছে। ডলারের মূল্যও বেড়েছে। ফলে জাহাজের ক্রয়মূল্য বেড়ে গেছে। এ কারণে বাজারে রড ও লৌহজাতীয় পণ্যের দাম বেড়ে বিরূপ প্রভাব পড়েছে অবকাঠামো খাতের উপর। তাই স্ক্র্যাপ জাহাজের আমদানি শুল্ক কমাতে হবে। একই সঙ্গে সরবরাহ পর্যায়ে প্রতি টন রডের জন্য এক হাজার টাকা ভ্যাট দিতে হয়। এটা কমিয়ে ৫০০ টাকা করার প্রস্তাব করেন তিনি।

একই অনুষ্ঠানে এনবিআর বাংলাদেশ ইনল্যান্ড কন্টেইনার ডিপোস অ্যাসোসিয়েশেন, বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস এসোসিয়েশন, ফেডারেশন অব বাংলাদেশ কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন এবং বাংলাদেশ ইনল্যান্ড কন্টেইনার ডিপোস অ্যাসোসিয়েশন (বিআইসিডিএ) এর বাজেট প্রস্তাব নেয়।
বিআইসিডিএ র সভাপতি নুরুল কাইয়ুম খান বলেন, এ খাতের কোম্পানির কর ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনা দরকার। এছাড়া উৎসে কর ৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৬ শতাংশ করার প্রস্তাব করেন তিনি।




