ads

শনিবার , ৬ মার্চ ২০২১ | ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে এক মাসে করোনার টিকা নিলেন ১৩ হাজার ১১৯ জন

স্টাফ রিপোর্টার - ফটো কার্ড
মার্চ ৬, ২০২১ ৯:১৯ অপরাহ্ণ

শেরপুর জেলায় প্রায় ১ মাসে কোভিড-১৯ এর টিকা নিয়েছেন ১৩ হাজার ১১৯ জন। ৬ মার্চ শনিবার সন্ধ্যায় জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে ওই তথ্য পাওয়া গেছে। উপজেলা পর্যায়ে টিকা গ্রহণের হারে শেরপুর সদর শীর্ষে ও ঝিনাইগাতী সবনিম্ন পর্যায়ে রয়েছে। অন্যদিকে জেলায় এ পর্যন্ত করোনার টিকা পাওয়া গেছে ৩৬ হাজার ডোজ।
জানা যায়, গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে সারা দেশের ন্যায় শেরপুর জেলাতেও কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন এর কার্যক্রম শুরু হয়। আর প্রাথমিক পর্যায়ে জেলায় ৪০ হাজার ডোজের চাহিদার বিপরীতে বরাদ্দ পাওয়া যায় ৩৬ হাজার ডোজ টিকা। কিন্তু গত এক মাসে শনিবার বিকেল পর্যন্ত জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুবসহ জেলায় মোট টিকা প্রদান বা গ্রহণকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ১১৯ জন। এর মধ্যে জেলায় টিকা গ্রহণকারী মোট পুরুষ সংখ্যা ৮ হাজার ১১৫ জন। আর টিকা গ্রহণকারী মহিলার সংখ্যা ৫ হাজার ৪ জন। উপজেলাওয়ারী যার পরিসংখ্যান বা হিসাব হচ্ছে শেরপুর সদর উপজেলায় ৭ হাজার ১০৬ জন, নালিতাবাড়ীতে ১ হাজার ৯৪৭, নকলায় ১ হাজার ৬৯১, শ্রীবরদীতে ১ হাজার ৪৪২ ও ঝিনাইগাতীতে ৯৩৩ জন টিকা নিয়েছেন।

Shamol Bangla Ads

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, জেলায় সদরে ৮টি ভ্যাকসিন টিম ও ৪টি উপজেলায় ২টি করে ভ্যাকসিন টিম কাজ করছে। এজন্য ৭২ জন স্বেচ্ছাসেবক, ৩৬ জন নার্স টিকাদানে অংশ নিচ্ছেন। সুরক্ষা অ্যাপসে নিবন্ধন করে ভ্যাকসিন নিতে হচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে ভ্যাকসিন নিয়েছেন চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিশ, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ। এছাড়া ৪০ উর্ধ্ব বয়সী যেকোন ব্যক্তি নিবন্ধন করে ভ্যাকসিন নিতে পারছেন। যারা বাইরে নিবন্ধন করতে পারছেন না, তাদের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের টিকাকেন্দ্রের সামনে নিবন্ধন বুথ খোলা হয়েছে।
এ ব্যাপারে সিভিল সার্জন ডাঃ একেএম আনওয়ারুর রউফ শ্যামলবাংলা২৪ডটকমকে বলেন, জেলায় চাহিদা মোতাবেক করোনার টিকা প্রদানের জন্য স্বাস্থ্য বিভাগের তরফ থেকে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চলছে। ইতোমধ্যে সদরে টিকা প্রদান বা গ্রহণকারী সন্তোষজনক হলেও উপজেলা পর্যায়ে তা এখনও নাজুক অবস্থায় রয়েছে। তবে এজন্য জনসচেতনতা বাড়াতে স্বাস্থ্যকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে রেজিস্ট্রেশন সহায়তা প্রদানসহ কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে তৎপরতা বাড়াতে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আশা করছি খুব শীঘ্রই সদর উপজেলার মতো অন্যান্য উপজেলাগুলোতেও করোনার টিকা প্রদানের টার্গেট পূরণ করা সম্ভব হবে।

Need Ads