স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানী ঢাকার গুলশানে জঙ্গী হামলার ঘটনায় সারাদেশের ন্যায় শেরপুরেও দু’দিনব্যাপি রাষ্ট্রীয় শোক কর্মসূচি পালিত হয়েছে। ৩ জুলাই রবিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত জেলা সদরসহ ৫টি উপজেলায় ওই কর্মসূচি পালিত হয়। কর্মসূচির আওতায় সরকারি-বেসরকারি, স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানসহ সর্বত্র জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। এছাড়া মসজিদ, মন্দির, গির্জায় নিহতদের স্মরণে এবং দেশ ও জাতির শান্তি কামনাসহ জঙ্গীবাদ নির্মূলে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনা করা হয়। এ উপলক্ষে সোমবার বাদ আছর জেলা শহরের ঐতিহ্যবাহী মাইসাহেবা জামে মসজিদে বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের খতিব ও ইমামদের উপস্থিতিতে আয়োজিত বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক ডাঃ এ এম পারভেজ রহিম, পুলিশ সুপার মোঃ মেহেদুল করিম ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক হাবেজ আহমেদ। দোয়া পরিচালনা করেন মাই সাহেবা মসজিদের খতিব মাওলানা মোঃ আকরাম হোসেন। এতে মাইসাহেবা জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুল ওয়াদুদ অদু, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম স্বপন, তেরাবাজার জামিয়া সিদ্দিকিয়া মাদ্রাসার মোহতামিম মাওলানা সিদ্দিক আহমেদ, এসআর জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মোঃ আব্দুল্লাহসহ শহরের অন্যান্য মসজিদের খতিব ও ইমামগণসহ বিপুল সংখ্যক মুসল্লী শরিক হন।
এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক ডাঃ এ এম পারভেজ রহিম জানান, গুলশানে হামলার ঘটনায় পুলিশের ২ কর্মকর্তা এবং দেশি-বিদেশি ২০ নাগরিক নিহত হওয়া ছাড়াও গুরুতর আহত হয়েছেন অন্তত: ৩০জন। তাদের মধ্যে ২ জনের অবস্থা আশংকাজনক। তাই রাষ্ট্রীয় শোক কর্মসূচির আওতায় জেলার মসজিদগুলোসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোতে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। অন্যদিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আব্দুল ওয়ারীশ বলেন, জঙ্গী নাশকতাসহ যেকোন ধরনের অপতৎপরতা রোধে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে। এছাড়া টানা ছুটির ফাঁদেও যেন নিরাপত্তা বিঘিœত না হয় সেদিকেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। এজন্য সোমবার পর্যন্ত পুলিশের কারোরই ছুটির কোন তালিকাই প্রস্তুত করা হয়নি।




