ads

শনিবার , ১১ জুন ২০১৬ | ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

এসপিপত্নী হত্যায় জড়িত সন্দেহে যুবক গ্রেপ্তার

শ্যামলবাংলা ডেস্ক - ফটো কার্ড
জুন ১১, ২০১৬ ২:৫৭ অপরাহ্ণ

Babul_Akter_Wife_Murder_ctgচট্টগ্রাম প্রতিনিধি : পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার মিতু হত্যায় জড়িত সন্দেহে এক যুবককে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।

Shamol Bangla Ads

শনিবার চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার ইকবাল বাহার নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের জানান, নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকার শীতল ঝর্ণা আবাসিক এলাকা থেকে শাহ জামান ওরফে রবিন (২৮) নামের ওই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার শাহ জামানের বাড়ি কুমিল্লার লাকসামে। তার বাবার নাম শাহজাহান। সে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ালেখা করেছে বলে ব্রিফিংয়ে জানো হয়।

Shamol Bangla Ads

পুলিশ কমিশনার বলেন, “এলাকায় তার অবস্থান সন্দেহজনক। এ হত্যাকাণ্ডের সাথে তার সম্পৃক্ততা থাকতে পারে।”

মিতু হত্যার পর সংগৃহীত ভিডিও ফুটেজ দেখা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, “হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়াদের মধ্যে সে একজন বলে ধারণা করছি।”

এ নিয়ে এসপিপত্নী হত্যার ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করার কথা জানালো পুলিশ।

গত বুধবার হাটহাজারী থেকে আবু নসুর গুন্নু নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাকে ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাবেক কর্মী বলেছে পুলিশ।

এছাড়া সিসিটিভি ফুটেজে হত্যকাণ্ডের পর চলে যাওয়া কালো রংয়ের মাইক্রোবাসটি চালকসহ আটক করে।

গত রবিবার সকাল পৌনে ৭টায় ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে গিয়ে নগরীর জিইসি মোড়ে যাওয়ার সময় খুন হন চট্টগ্রামে জঙ্গি দমনে বেশ কয়েকটি অভিযানে নেতৃত্বদাতা পুলিশ কর্মকর্তা বাবুলের স্ত্রী মিতু। তাকে ছুরি মেরে ও গুলি করে হত্যা করা হয়।

পরে ওই এলাকার কয়েকটি প্রতিষ্ঠান থেকে সংগ্রহ করা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, হত্যাকাণ্ডের আগে পুলিশ সুপারের স্ত্রী মিতু তার সন্তানকে নিয়ে ওআর নিজাম রোড থেকে বের হওয়ার পর এক যুবক মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে হত্যাকাণ্ডস্থলের দিকে এগিয়ে যায়।

সিএমপি কমিশনার ইকবাল বাহার বলেন, “রাস্তার অপর প্রান্ত থেকে যে ব্যক্তি মোবাইল ফোনে কথা বলে যাচ্ছিল, শাহ জামান সে ব্যক্তি হতে পারে। তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।”

রবিবার এ হত্যা মামলায় শাহ জামান কে আদালতে পাঠানো হবে বলে জানান তিনি।

এসপিপত্মী হত্যার নিন্দা জানিয়ে আল কায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশ শাখার বিবৃতির বিষয়ে ইকবাল বাহার বলেন, একজন নিরাপরাধ গৃহবধুকে মারা হয়েছে যার লেবাস পরিপূর্ণ ইসলামী।

“এ কারণে তারা নিজেদের বাঁচাতে কিংবা জড়িত না থেকেও এ ধরনের বিবৃতি দিতে পারে। আমরা সব বিবেচনা করে কাজ করছি।”

এদিকে দেশজুড়ে সাঁড়াশি অভিযানের প্রথমদিনে শুক্রবার চট্টগ্রাম মহানগরীতে সাতজন গ্রেপ্তার আছে বলে জানান পুলিশ কমিশনার।

“দুই ধরনের অভিযান আছে- একটা ব্লক রেড ও অন্যটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগে। দুটি অভিযানই চলছে। আমি কোয়ালিটি অ্যারেস্টের পক্ষে।”

শুক্রবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে মিতু হত্যার প্রতিবাদে আয়োজিত মানববন্ধন থেকে ছোরাসহ এক যুবককে আটকের বিষয়ে তিনি বলেন, “একবার পাওয়া যাচ্ছে সে ভবঘুরে, আবার রিকশাওয়ালা। সে কেন ওখানে গিয়েছিল এবং সবকিছু মাথায় রেখে কাজ করা হচ্ছে।”

আটক কালো মাইক্রোবাস বিষয়ে সিএমপি কমিশনার বলেন, “এখন পর্যন্ত মাইক্রোবাসে সন্দেহজনক কিছু মনে হয়নি। মাইক্রোবাসটি আবুল খায়ের কোম্পানির কর্মকর্তাদের আনা নেওয়া করে। প্রতিদিন ওই পথে যায়। তবে এর চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

Need Ads