
স্পোর্টস ডেস্ক : এবারের আইপিএলের শেষ দিকে ছোটো কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ দুটি ইনিংস খেলেছিলেন সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপুল শর্মা। এবার ছোট্ট ঝড় নয়, ফতুল্লায় দেখা গেল দীর্ঘ সময়ের তাণ্ডব। ঢাকা লিগে নিজের প্রথম ম্যাচেই ঝড়ো এক শতক উপহার দিয়েছেন ভারতের এই অলরাউন্ডার।
শনিবার মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে কলাবাগান ক্রীড়া চক্রের বিপক্ষে ৮৫ বলে শতক করেছেন বিপুল। মেরেছেন ৮টি ছক্কা! লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে এটি তার প্রথম শতক। আগের ৬৮ ম্যাচে সর্বোচ্চ ছিল ৬৮।
বিপুল যখন উইকেটে গিয়েছিলেন, টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা মোহামেডান তখন বেশ চাপে। ব্যাটিং বান্ধব উইকেটেও ২১তম ওভারে রান মোটে ৬৯, উইকেট নেই ৩টি। বিপুল নেমেই ঘুরিয়ে দেন ইনিংসের মোড়।
উইকেটে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরই লং অফ দিয়ে উড়িয়েছেন বাঁহাতি স্পিনার শাহবাজ চৌহানকে। পরের ঘণ্টা দুয়েক এটিই ছিল সবচেয়ে নিয়মিত দৃশ্য। একটি ছক্কা মেরেছেন কেবল এক্সট্রা কভারের ওপর দিয়ে। বাকি সবকটি লং অন, লং অফ দিয়ে।
কলাবাগান ফিল্ডারদের বদান্যতাও কাজে লাগিয়েছেন বিপুল। বাজে ফিল্ডিংয়ে দু’বার বেঁচে গেছেন রান আউট হওয়া থেকে। অর্ধশতকের পর মিড উইকেটে দারুণ এক ডাইভে বল হাতে জমিয়েও ছেড়ে দেন শরীফুল্লাহ।
৬২ বলে স্পর্শ করেছিলেন অর্ধশতক। সেখান থেকে মাত্র ২৩ বলেই পরের পঞ্চাশ। দেওয়ান সাব্বিরকে এক্সট্রা কভার দিয়ে চার মেরে তিন অঙ্ক ছুঁয়েছেন ৮৫ বলে। পরের বলেই ক্রস ব্যাটে খেলে বোল্ড। ৬টি চার ও ৮ ছক্কায় ৮৬ বলে ১০০।
সাব্বির, চৌহান ও শরীফুল্লাহকে মেরেছেন দুটি করে ছক্কা, রাজ্জাক ও তানভিরকে একটি। কেবল মাত্র মাশরাফিকেই ছক্কা মারতে পারেননি, তার ১৫ বলে নিতে পেরেছেন ৯ রান।
শুরুর অস্বস্তি কাটিয়ে মোহামেডান তখন বড় স্কোরের পথে। চতুর্থ উইকটে মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে ১৪৭ বলে গড়েছেন ১৭১ রানের জুটি। অধিনায়ক মুশফিক করেছেন ৭১ বলে ৭৫।
ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটিতে ৫০ ওভারে মোহামেডান করেছে ৬ উইকেটে ২৯০ রান। জিতলেই সুপার লিগ নিশ্চিত হয়ে যাবে মোহামেডানের। কলাবাগান জিতলে টিকে থাকবে তাদের সম্ভাবনাও।





