এম. এ করিম মিষ্টার, নীলফামারী : নীলফামারী জেলায় শুরু হয়েছে ধান কাটা-মাড়াই। সেই সাথে কৃষকের ঘরে ঘরে শুরু হয়েছে নবান্নের উৎসব। ১ অগ্রহায়ন থেকে শুরু হওয়া এই উৎসব চলবে ধান কাটা-মাড়াই শেষ না হওয়া পর্যন্ত। যুগ যুগ ধরে চলে আসা আনন্দের এই দিনটি পালনে এবারও কোন ব্যতিক্রম নেই। গ্রামীণ জনপদে আমন ধানের নতুন চাল আর মাছের নাবড়ায় চলছে অন্যরকম ভুড়িভোজ। ইতোমধ্যে জেলার সর্বত্র পুরোদমে আমন ধান কাটা- মাড়াই শুরু হয়েছে। ফলে গ্রামীণ জনপদে নতুন ধানের চাল দিয়ে পিঠা, পুলি, পায়েস- পোলাও এবং নতুন চালের আটা, গুড়, কলা ও নারকেল দিয়ে সিড়নি তৈরি করে আত্বীয়-স্বজন পাড়া পতিবেশীদের নিয়ে খাবার ধুম পড়ে যায়। নবান্ন ছাড়া এ জেলার প্রত্যন্ত এলাকার অনেক কৃষক নতুন চালের ভাত খান না। এর মধ্যে যেসব কৃষকের ধান পাকতে বা কাটতে দেরী হয় তারা পরে নবান্ন করেন। নবান্ন উৎসবকে কেন্দ্র করে মেয়ে- জামাই, শ্বশুর- শাশুড়িসহ আত্বীয়-স্বজনদের দাওয়াত দিয়ে খাওয়ানো হয়। এই এলাকায় ঐতিহ্য হচ্ছে নতুন চালের ভাত এবং বোয়াল, শোল বা গঁজার মাছের নাবড়া দিয়ে ভুড়িভোজ করানো। এই ঐতিহ্য চলে আসছে অনেদিন ধরে। তবে এর সাথে যোগ করা হয়েছে আধুনিকতা।




