নালিতাবাড়ী (শেরপুর) প্রতিনিধি : শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় ভোগাই নদীতে বালু তোলাকে কেন্দ্র করে ইউপি চেয়ারম্যানকে মারধর ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ১৪ মে শনিবার রাতে ওই ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, উপজেলার ভোগাই নদীর চকযোগানিয়া এলাকায় যোগানিয়া ইউনিয়ন পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো.হাবিবুর রহমানের ছেলে সারুয়ার জাহান (১৮) ও ভাতিজা গোলাম মোস্তফা (২৫) শ্যালো মেশিনের মাধ্যমে বুধবার বালু তোলার প্রস্তুতি নেন। ওইসময় উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম প্রচার সম্পাদক তাকিজুল ইসলামের ছোট ভাই এনামুল কবির (২৫) বাধার দুই দিন পর সেখান থেকে চেয়ারম্যান পক্ষের লোকজন মেশিন সরিয়ে নেয়। শনিবার নদীর উজানে জামিরাকান্দা এলাকায় চেয়াম্যানের ছেলে ও ভাতিজা নদীতে বালু তোলার মেশিন স্থাপন করেন। এ নিয়ে বিকেলে এনামুলের সঙ্গে সারুয়ার ও মোস্তফার কথাকাটা কাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। ওইসময় ৩ জনই আহত হন। বিষয়টি পরে মুঠোফোনে তাকিজুল ইসলামকে জানানো হলে তিনি সহ ১০-১২ জন ঘটনাস্থলে যান। সেখানে তাকিজুল ইসলামের সঙ্গে চেয়ারম্যান হবিবুর রহমানের বাগবিত-ার এক পর্যায়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ বাঁধে। সংঘর্ষে চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান গুরুতর আহত হন। পরে এলাকাবাসী চেয়ারম্যানকে উদ্ধার নালিতাবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ ব্যাপারে চেয়াম্যানের পক্ষ থেকে নালিতাবাড়ী থানায় মামলার প্রস্ততি চলছে।
ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান বলেন, ‘বালু তুলতে গেলে এনামুল চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার সঙ্গে আমার ছেলে ও ভাতিজার সঙ্গে কথাকাটাকাটি হয়। এর জের ধরে তাকিজুল ইসলাম নেতৃত্বে ১০-১২জন অর্তকিতভাবে আমার উপর হামলা করে। গলায় গামছা দিয়ে শ্বাসরোধ করে শরীরের ভিভিন্ন জায়গায় রড ও লাঠি দিয়ে আঘাত করে।’
তাকিজুল ইসলাম বলেন,‘আমার ভাই কারও কাছে চাঁদা দাবি করেনি। চেয়ারম্যানের ছেলে ও ভাতিজা আমার ভাইয়ের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করায় হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। পরে বিষয়টি মিমাংসা করতে গেছি। আমার বিরুদ্ধে চেয়ারম্যানকে আহত করার যে অভিযোগ করা হয়েছে সেটা সম্পূর্ন মিথ্যা। আমার ভাইকে আঘাত করায় আমিও আইনগত পদক্ষেপ নিবো।’
নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.ফসিহুর রহমান বলেন, বিষয়টি শুনেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়েছিলো। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেব।




