শ্যামলবাংলা ডেস্ক : চতুর্থ দফার আওতায় দেশের ৪৭ জেলার ৮৮ উপজেলায় ৭০৯টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। ৭ মে শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ওই ভোটগ্রহণ চলবে। এতে ১ কোটি ১০ লাখের বেশি ভোটার ভোট দিয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করবেন।
কমিশনের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী চতুর্থ দফায় চেয়ারম্যান সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত সদস্যসহ মোট ৩৪ হাজার ৫৯১ প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে মোট প্রার্থী রয়েছে ৩ হাজার ২৪৫ জন। সাধারণ সদস্য পদে ২৪ হাজার ১৮৭ জন, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ৭ হাজার ১৫৯ জন প্রার্থী রয়েছে। এছাড়াও নির্বাচনের আগেই একক প্রার্থী থাকায় এ দফায় ৩৫৮ প্রার্থী ইতোমধ্যে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন ৩৩ জন। যাদের সবাই আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী। এ ছাড়া সাধারণ সদস্য পদে ভোটের আগেই নির্বাচিত হয়েছেন ২২৭ প্রার্থী। সংরক্ষিত আসনের এ সংখ্যা রয়েছে ৯৮ জন।
এ দফায় ইসির নিবন্ধিত ১৭ রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা অংশ নিয়েছেন। এর বাইরের চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা লড়ছেন। তবে সদস্য ও সংরক্ষিত সদস্য পদে ভোট হচ্ছে নির্দলীয়ভাবে। চতুর্থধাপে চেয়ারম্যান পদে মোট ৩ হাজার ২৪৫ প্রার্থীর মধ্যে ইসির নিবন্ধিত ১৭ রাজনৈতিক দলের প্রার্থী রয়েছে ১ হাজার ৭২৩ জন। স্বতন্ত্র প্রার্থীর সংখ্যা রয়েছে ১ হাজার ৫২২ জন। এ দফায় ৭২৫ ইউপিতে ভোটগ্রহণ করা হলেও বিএনপির প্রার্থী নেই ১০৬ ইউপিতে। অপরদিকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নেই মাত্র ১ ইউপিতে। ১৭ রাজনৈতিক দলের মধ্যে এ দফায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী রয়েছে ৭২৪ ইউপিতে, বিএনপির ৬১৯ ইউপিতে, জাতীয় ১৫৬, জাসদ ৪২, জেপি ৩, ওয়ার্কার্স পার্টি ৯, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১৫৪, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন২, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি ১, সিপিবি ১, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ৪, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ২, বিএনএফ ২, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ২, ইসলামী ঐক্যজোট ১ ও অন্যান্য ১ ইউপিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।
কমিশন জানিয়েছে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠানের জন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনী এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ব্যালট পেপার, ব্যালট বাক্স, ভোটার সিলমোহরসহ সব নির্বাচনী সরঞ্জাম সংশ্লিষ্ট সব ভোট কেন্দ্রে পৌঁছানো হয়েছে। নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট এলাকায় সব ধরনের প্রচার, মিছিল-মিটিং, পথসভা নিষিদ্ধ থাকবে। এ দফায় দেশের ৪৭ জেলার ৮৮টি উপজেলার ৭০৯ ইউপিতে ভোটগ্রহণ করা হচ্ছে। এ কারণে প্রত্যেক উপজেলায় অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণসহ নির্বাচনী অনিয়ম রোধ এবং তাৎক্ষণিক বিচার ব্যবস্থার জন্য নির্বাহী ও বিচারিক হাকিম নিয়োগ দেয়া হয়েছে। নির্বাচনে দায়িত্বে নিয়োজিত কোন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠলে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।




