ads

সোমবার , ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ | ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানার প্রতিবাদে ওষুধের দোকান অনির্দিষ্টকালের বন্ধ ঘোষণা

শ্যামলবাংলা ডেস্ক - ফটো কার্ড
ফেব্রুয়ারি ২৯, ২০১৬ ৩:৫১ অপরাহ্ণ

Sherpur_District_Map_Bangladeshস্টাফ রিপোর্টার : শেরপুরে মেয়াদোর্ত্তীণ ওষুধ রাখার দায়ে এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। আর তারই প্রতিবাদে জেলার ওষুধ ব্যবসায়ী সমিতির সকল সদস্যরা তাদের দোকান বন্ধ রেখেছে।
ভ্রাম্যমান আদালত ও ওষুধ সমিতির সূত্রে জানা যায়, ২৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার দুপুর ১ টার দিকে শহরের সেবা মেডিকেল হলে জেলা প্রশাসনের নিয়মিত কর্মসূচি অনুযায়ী ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়। পরে সেই ফার্মেসীতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখা ও বিক্রিয় দায়ে ভ্রাম্যমান আদালত ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। কিন্তু জরিমানার টাকা না দেওয়ায় ওই দোকানের পরিচালক আবুল কালামকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। ওই ঘটনার প্রতিবাদে শেরপুর কেমিষ্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট সমিতির সদস্যরা শহরের সব ওষুধের দোকান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেয়। সেই সঙ্গে এর প্রতিবাদে তারা শহরে বিক্ষোভ মিছিল করে। এদিকে সব ওষুধের দোকান একযোগে বন্ধ থাকায় রোগীর জন্য অতি প্রয়োজনীয় জরুরি ওষুধ না পেয়ে মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।
এ ব্যাপারে ভ্রাম্যমান আদালতের দায়িত্বে থাকা ও সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো: হাবিবুর রহমান জানান, ভোক্তা আইন ২০০৯ এর ধারা মোতাবেক ওই মেডিকেল হলে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখা ও বিক্রিয় দায়ে এ জরিমানা করা হয় এবং জরিমানার টাকা জমা দেওয়ায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে ।
কেমিষ্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট সমিতির সাধারণ সম্পাদক শওকত আকবর পনির জানান, আমরা জেলা প্রশাসকের সাথে আলোচনায় বসেছি। তার সাথে কথা বলে দোকান খুলে দেব।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জেলা প্রশাসন উভয় পক্ষকে নিয়ে আলোচনায় বসেছেন।

Shamol Bangla Ads

শেরপুরের থানা মোড়ে সেবা মেডিকেল হল নামে একটি ওষুধের দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রাখা ও বিক্রিয় দায়ে ভ্রাম্যমান আদালত ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। কিন্তু জরিমানার টাকা না দেওয়ায় ওই দোকানের পরিচালক আবুল কালামকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। ওই ঘটনার প্রতিবাদে শেরপুর কেমিষ্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট সমিতির সদস্যরা শহরের সব ওষুধের দোকান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেয়। সেই সঙ্গে এর প্রতিবাদে তারা শহরে বিক্ষোভ মিছিল করে। ওষুধের দোকান বন্ধ থাকায় রোগীরা পড়েছেন বিপাকে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জেলা প্রশাসন উভয় পক্ষকে নিয়ে আলোচনায় বসেছেন।

Need Ads