ads

সোমবার , ১৪ ডিসেম্বর ২০১৫ | ১৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
ডিসেম্বর ১৪, ২০১৫ ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ

14 decemberশ্যামলবাংলা ডেস্ক : আজ ১৪ ডিসেম্বর; দেশের ইতিহাসে কলঙ্কজনক একটি দিন। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে আজকের দিনে দেশের সূর্য সন্তানদের নির্বিচারে হত্যা করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসররা। মুক্তিযুদ্ধে পরাজয় নিশ্চিত জেনে বাঙালি জাতিকে জ্ঞান ও নেতৃত্ব শূন্য করাই ছিলো হত্যাযজ্ঞের মূল উদ্দেশ্য। স্বাধীনতার পর দেশের সবচেয়ে জ্ঞানী ও অগ্রগামী সন্তানদের হারানোর এই দিনটি পালিত হয়ে আসছে বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে।
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও উইকিপিডিয়া থেকে জানা যায়, ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে পাকবাহিনী বুঝতে পারে, তাদের পক্ষে যুদ্ধে জেতা অসম্ভব। নবগঠিত দেশটিকে সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও শিক্ষাগত দিক থেকে দুর্বল এবং পঙ্গু করে দিতে ১৪ ডিসেম্বর রাতে বর্বর হত্যাযজ্ঞ চালায় পাক বাহিনী ও তাদের দেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর ও আল শামস।
হত্যাযজ্ঞের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী। ২৫ মার্চ রাতে অপারেশন সার্চলাইটের পরিকল্পনার সাথে বুদ্ধিজীবীদের হত্যার পরিকল্পনাও নির্ধারিত হয়। মেজর ফরমানের একান্ত বন্ধু তথ্য সচিব আলতাফ গওহর এক সাক্ষাৎকারে জানান, তার (ফরমান আলী) তালিকায় বাঙালি কবি সানাউল হকের নাম ছিল। পরে তিনি অনুরোধ করলে লিস্ট থেকে সানাউল হকের নাম কেটে দেন মেজর ফরমান।
পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে এই হত্যাযজ্ঞে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করে জামায়াত ইসলামের- আল বদর বাহিনী। তারা দেশের বুদ্ধিজীবীদের তালিকা প্রস্তুতি করে পাক বাহিনীর কাছে সরাবরাহ করতো। বর্বর হত্যা চালাতো ঘাতক বদর বাহিনীর চৌধুরী মঈনুদ্দীন ও আশরাফুজ্জামান খান (প্রধান জল্লাদ)। এছাড়া এই বাহিনীতে ছিলেন- এ বি এম খালেক মজুমদার, মাওলানা আবদুল মান্নান, আবদুল কাদের মোল্লা। চট্টগ্রামে প্রধান হত্যাকারী ফজলুল কাদের চৌধুরী ও তার দু’ছেলে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং গিয়াস কাদের চৌধুরী।
১৪ ডিসেম্বর রাতে এবং ১৫ ডিসেম্বর সারাদিন প্রায় ২০০ জনের মত বুদ্ধিজীবীদের চোখে কাপড় বেঁধে বাসা হতে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকই ছিলেন ২১। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সম্পৃক্ত নয় এমন ৯৬৮ জন শিক্ষাবিদ অপহরণের শিকার হন। পরে তাদের মিরপুর, মোহাম্মদপুর, নাখালপাড়া, রাজারবাগসহ বিভিন্ন ‘নির্যাতন কেন্দ্রে’ আটক রেখে বর্বর ও পৈশাচিক নির্যাতন চালায় পাক বাহিনী। বীভৎস নির্যাতনের পর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় দেশের বাঙালীর বীর সন্তানদের।
বুদ্ধিজীবীদের বর্বর হত্যাযজ্ঞের এক জীবন্ত বিবারণ দেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন। তিনি বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভ ডটকমকে বলেন, “এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা কিন্তু একদিনে হয়নি। সত্তরের নির্বাটনের পর থেকেই পাকিস্তানী সামরিক সরকার ও তাদের জেনারেলরা এটা শুরু করে। আর তারই অংশ হিসেবে প্রথমে ২৫ মার্চ কালো রাতে এবং সবশেষ ১৪ ও ১৫ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবীদের নিশংসভাবে হত্যা করা হয়।
এই হত্যাকাণ্ডকে পৈশাচিত ও বর্বর উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এটা শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উপর হয়েছিলো, এমন নয় বরং সারাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, স্বাধীনতাকামী মানুষদের উপরও হয়েছিলো। তাদের লক্ষ্য ছিলো একটায়- বাঙলী জাতিকে মেধা ও জ্ঞানশূন্য করে দেওয়া।”

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!