ads

বৃহস্পতিবার , ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৫ | ১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শিক্ষাবিদ মুহসীন আলী মাস্টারের জীবনাবসান

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৫ ১:১৩ অপরাহ্ণ

Sherpur-muhosin Ali masterস্টাফ রিপোর্টার : শেরপুর অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, রাজনীতিক মো. মুহসীন আলী মাস্টার (৮২) আর নেই। তিনি ১৬ সেপ্টেম্বর বুধবার রাত সাড়ে ১২ টার দিকে শ্বাসকষ্টজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে শহরের রাজাবাড়ি এলাকার নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেছেন। প্রায় একমাস যাবত ঢাকার পিজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর বুধবার রাতেই তিঁনি বাড়ী ফেরার ৩ ঘন্টার মধ্যে মৃত্যুবরণ করেন। তিঁনি স্ত্রী, ৪ ছেলে, ২ মেয়ে রেখে গেছেন।

Shamol Bangla Ads

মহান মুক্তিযুদ্ধে মুহসীন আলী মাষ্টার একজন সংগঠক ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধে শেরপুরে ৭ সদস্যের সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদের তিঁনি ছিলেন অন্যতম সদস্য। মুক্তিযুদ্ধকালীণ সময়ে মুজিবনগর সরকারের কর্মচারী হিসেবে তিঁনি ভারতের ঢালু ইয়ুথ ক্যাম্পের ইনচার্জ ছিলেন। দীর্ঘদিন তিঁনি শেরপুর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর ঘোষিত শেরপুরকে ৬১ তম জেলা হিসেবে তৎকালীণ জেলা আওয়ামী লীগেরও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। রাজনীতির পাশপাশি তিঁনি শেরপুরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় ও সামাজিক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত ছিলেন। তিঁনি শতবর্ষের ঐতিহবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারি ভিক্টোরিয়া একাডেমীর প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন। শেরপুর সরকারি মহিলা কলেজের তিঁনি অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। নানা সমাজসেবামুলক কাজের সাথে তিঁনি জড়িত ছিলেন। দি নিউ প্রেস নামে তাঁর মুদ্রণ ব্যবসাও ছিলো। মৃত্যুর আগমুহুর্ত পর্যন্ত তিঁনি শেরপুরের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিরক্ষণ পরিষদের আহবায়ক এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আরডিএসের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
সৎ, সজ্জন, গুনী এই সংগঠক, শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিকের মৃত্যুতে কৃষিমন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, হুইপ আতিউর রহমান আতিক, সংসদ সদস্য প্রকৌশলী একেএম ফজলুল হক চাঁন, সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য ফাতেমাতুজ্জহুরা শ্যামলী, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট চন্দন কুমার পাল পিপি, জেলা বিএনপির আহবায়ক, সাবেক এমপি মাহমুদুল হক রুবেল গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এছাড়া পৌর মেয়র হুমায়ুন কবীর রুমান, সাবেক মেয়র গোলাম কিবরিয়া লিটন, এফবিসিসিআই পরিচালক মুক্তিযোদ্ধা মো. মাসুদ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নুরুল ইসলাম হিরু, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট মোঃ সিরাজুল ইসলাম, প্রেস কাব সভাপতি রফিকুল ইসলাম আধার, সাংবাদিক বিপ্লবী রবি নিয়োগী সভাকক্ষ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি সুশীল মালাকার, জেলা বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন গভীর শোক প্রকাশ করেন। তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান জানাতে শহরের মাধ্যমিক স্কুলগুলোতে দোয়া করে ছুটি ঘোষণা করা হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত শহরের চকবাজার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে তাঁর মরদেহ সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হয়। ওইসময় বিভিন্ন সংগঠনের তরফ থেকে তার প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। দুপুর ২ টায় শহরের তিনআনি বাজার মাইসাহেবা মসজিদ চত্বরে তার প্রথম নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল ৩ টায় সদর উপজেলার মির্জাপুর ঈদগাহ মাঠে দ্বিতীয় নামাজে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থান লাশ দাফন করা হয়।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!