ads

মঙ্গলবার , ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫ | ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

মন্ত্রী মহসিন আলীর মৃতদেহ আসছে আজ : বুধবার দাফন মৌলভীবাজারের শাহ মোস্তফা মাজারে

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ১৫, ২০১৫ ১০:৫৫ পূর্বাহ্ণ

Moshin Aliমৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মহসিন আলীর মৃতদেহ সিঙ্গাপুরের জেনারেল হাসপাতাল থেকে মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর রাত ১০টায় দেশে আনা হচ্ছে। সিঙ্গাপুরের জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর ভোরে মন্ত্রীর মৃত্যু হয়। মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল প্রায় ৭০ বছর। মন্ত্রীর ছোট ভাই সৈয়দ সলমান আলী জানান, বুধবার সকাল ১১টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনে তার প্রথম নামাজে জানাজা শেষে মন্ত্রীর মরদেহ মৌলভীবাজার শহরের শ্রীমঙ্গল সড়কের দর্জিরমহল এলাকায় তার বাস ভবনে আনা হবে। মৌলভীবাজারে শেষ জানাজা শেষে স্থানীয় শাহ মোস্তফা মাজারে তাকে দাফন করা হবে।
উল্লেখ্য, নিউমোনিয়া, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের সমস্যা নিয়ে ৩ সেপ্টেম্বর ভোরে ঢাকা বারডেম হাসপাতালে ভর্তি হন মন্ত্রী। সেখানে তাকে লাইফ সাপোর্টে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য ৫ সেপ্টেম্বর তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরের জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৪ সেপ্টেম্বর সোমবার ভোরে মারা যান তিনি। এদিকে, মন্ত্রীর মৃত্যুর খবর পেয়ে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে অসংখ্য দলীয় নেতাকর্মী সহ সাধারন মানুষ তার মৌলভীবাজার শহরের দর্জিরমহল এলাকার বাড়িতে ছুটে আসছেন। মৌলভীবাজার জেলা শহরে শোকের ছায়া পড়েছে।
সৈয়দ মহসিন আলীর বাবা সৈয়দ আশরাফ আলী ছিলেন একজন ব্যবসায়ী। তার মায়ের নাম আছকিরুনন্নেছা খানম। মৌলভীবাজার থেকে ব্যবসায়ীক প্রয়োজনে কলকাতা যান আশরাফ আলী। কলকাতার আলীপুরে ছিলো তার বিশাল বাড়ি। সেই বাড়িতে ১৯৪৮ সালের ১২ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন সৈয়দ মহসিন আলী। ০৫ ভাই ও ০১ বোনের মধ্যে মহসিন আলী সবার বড়।

Shamol Bangla Ads

মন্ত্রীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্য আব্দুস শহিদ এমপি, জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. আজিজুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি এম এ ফিরুজ, সাধারন সম্পাদক মোঃ নেছার আহমদ,সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুর রহমান বাবুল, পৌর মেয়র ফয়জুল করিম ময়ূন, জাতীয় পার্টির সভাপতি সৈয়দ শাহাবুউদ্দিন, জাসদ সভাপতি এম এ হক, লন্ডন প্রবাসী বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা আলহাজ্ব আলাউদ্দিন আহমদ, প্রেসকাবে সভাপতি এম এ সালাম ও সাধারন সম্পাদক সৈয়দ ওমেদ আলী, মৌলভীবাজার জেলা অনলাইন এসাসিয়েশন এর সভাপতি এড.নুরুল ইসলাম শেফুল ও সাধারন সম্পাদক মোঃ খালেদ পারভেজ বখশ প্রমুখ।

মৌলভীবাজার রাজনগরের মাটি ও মানুষের প্রিয় নেতা সৈয়দ মহসীন আলী সক্রিয় রাজনৈতিক কর্মী ১৯৭১ সালে ৪ নম্বর সেক্টরের বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। এর পাশাপাশি তিনি এখন জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের সদস্য।৬৪ সালে তিনি ছিলেন সিলেট বেতার কেন্দ্রের একজন শিল্পী এবং বাংলাদেশ টাইমসের মৌলভীবাজার প্রতিনিধি। মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ছিলেন দীর্ঘদিন। তিনি ১৯৭৫-৯০ পর্যন্ত রেডক্রসের সেক্রেটারি এবং ১৯৯৭ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনবার পৌরসভা চেয়ারম্যান ছিলেন, সৈয়দ মহসীন আলী ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-রাজনগর ৩ আসনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শক্তিশালী নেতা মরহুম সাইফুর রহমানকে ৩৬ হাজার ভোটে পরাজিত করে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচত হন,তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে অনেক নেতা হয়রানি এড়াতে যখন বিদেশে পালিয়ে যান, তখন দেশ ও নিজ নির্বাচনী এলাকা ছাড়েননি তিনি। দলকে সংগঠিত রেখেছিলেন।
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) হন তিনি। এরপর ১২ জানুয়ারি তিনি মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।
মুক্তিযুদ্ধ ও সমাজসেবায় অসামান্য অবদানের জন্য ভারতের আচার্য দীনেশ চন্দ্র সেন রিসার্চ সোসাইটি তাকে আচার্য দীনেশ চন্দ্র সেন স্মৃতি স্বর্ণপদক-২০১৪ প্রদান করে এবং হ্যালো কলকাতা নামে কলকাতা ভিত্তিক একটি সমাজকল্যাণ প্রতিষ্ঠান তাকে নেহেরুসাম্য সম্মাননা-২০১৪ পুরস্কারে ভূষিত করে।
তার শিা জীবন শুরু হয় কলকাতায়। কলকাতার সেন্টজেভিয়ার্স স্কুল থেকে জুনিয়র কেমব্রিজ ও সিনিয়র কেমব্রিজ পাস করেন। পরে বাংলাদেশে এসে বাংলা মাধ্যমে কিছুদিন অধ্যয়নের পর আবারও কলকাতা ফিরে যান ও ম্যানেজমেন্টে ডিপ্লোমা ডিগ্রি নেন।
স্বাধীনতাত্তোরকালে তিনিই একমাত্র জননেতা যিনি পৌরসভায় পর পর তিন বার বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৯২ সালে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় তাকে শ্রেষ্ঠ পৌরসভা চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করে।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!