নাটোর প্রতিনিধি : শস্য ভান্ডার খ্যাত নাটোরের চলনবিলের সিংড়া উপজেলার বারটি ইউনিয়ন ও পৌরসভার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া আকস্মিক কাল বৈশাখী ঝড় ও শিলা বৃষ্টির আঘাতে প্রায় ৩৫টি কাঁচা ঘর এবং উঠতি বোরো ধান, গম, ভূট্রাসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। শনিবার বিকেল ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ঝড়ে এ বিপর্যস্ত ঘটেছে।

উপজেলা কৃষি বিভাগ ও স্থানীয় কৃষক সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যায় আকস্মিক কাল বৈশাখী ঝড় ও শিলা বৃষ্টিতে সিংড়া উপজেলার ডাহিয়া, ইটালী, সুকাশ, শেরকোল, লালোর, হাতিয়ান্দহ, কলম, তাজপুর, চৌগ্রাম ইউনিয়নসহ বারটি ইউনিয়ন ও পৌরসভার প্রায় ১০টি কাচা ঘর সম্পূর্ণ এবং এবং ২৫টি পরিবার আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এছাড়া প্রায় সাড়ে ১৫হাজার হেক্টর উঠতি বোরো ধান, গম, ভূট্রা, খেসারি, লিচু, আম ও কলা বাগান এবং সবজিসহ বিভিন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। নাটোর-বগুড়া মহাসড়ক এবং বিভিন্ন ইউনিয়নের আঞ্চলিক সড়কগুলোতে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এছাড়া বৈদ্যুতিক খুটি উপড়ে যাওয়ায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে সিংড়া উপজেলা। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা হিসেবে চিহ্নি করা হয়েছে চলনবিলের ডাহিয়া, ইটালী, চৌগ্রাম ও সুকাশ ইউনিয়ন।
চৌগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান শামীমি হক রোজী জানান, তার ইউনিয়নের বেশ কিছু কাঁচা ঘর ক্ষতিগ্রস্থ ও বোরো কাঁচা ধান সম্পূর্ণ মাটিতে শুয়ে পরায় কৃষক ব্যপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন জানান, ঝড় ও শিলা-বৃষ্টিতে বোরো ধানের ক্ষতি হয়েছে। তবে কি পরিমান ক্ষতি হয়েছে তা তিনি তাৎক্ষনিক জানাতে পারেন নি।
সিংড়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা খাতুন জানান, ঝড় ও শিলা বৃষ্টিতে বোরো ধানসহ কাঁচা ফসলের ব্যপক তির কথা শুনা যাচ্ছে। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে কয়েকটি গ্রামে। এখন পর্যন্ত কোন মৃত্যুর খবর শোনা যায়নি। তবে কি পরিমান তি হয়েছে রাতের অন্ধকারে সঠিক নির্নয় করা যাচ্ছে না।




