ads

মঙ্গলবার , ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ | ২৮ অক্টোবর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

রামগঞ্জে বিধি লঙ্গন করে ইট পোড়ানোর মহোৎসব

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক - ফটো কার্ড
ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১৫ ৮:৫০ অপরাহ্ণ

B 3মনির হোসেন বাবুল,রামগঞ্জ(লক্ষ্মীপুর) : রামগঞ্জ পৌরশহরস্থ মডেল ডিগ্রী কলেজের সামনেসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ফসলি জমিতে স্থাপিত ১৮টি ইটভাটায় সরকারি বিধি লঙ্গন করে আবাদি জমিনের টপ সয়েল কাটার পাশাপাশি বনায়ন উজাড় করে কয়লার পরিবর্তে কাঠ, তৈলের গাদ, টায়ার ও প্লাস্টিক, বোতমের গুড়া, রাসায়নিক বর্জ্য পোড়ানোর মহোৎসব চলছে। এতে একদিকে খাদ্য শষ্য উৎপাদনে মারাত্মক ব্যাঘাত হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ হুমকির মুখে পড়েছে।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, রামগঞ্জ পৌরশহরস্থ মডেল ডিগ্রী কলেজের সামনে মেসার্স পাটওয়ারী (এমপিবি) ব্রিক্স কয়েক বছর যাবৎ সরকারি বিধি লঙ্গন করে ইট পোড়াচ্ছে। এ ইট ভাটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে হওয়ায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের পড়া লেখায় মারাত্বক ব্যাঘাত ঘটছে। এ ছাড়া বিভিন্ন রোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা আক্রান্ত হচ্ছে। ইট ভাটার কালো ধুয়া ও উত্তাপ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছড়িয়ে পড়েছে।
এ ছাড়াও ফসলি জমিতে উপজেলার উত্তর শৈরশৈই গ্রামের এমএমবি ব্রিক্স, কাটাখালী এইচটিসি ব্রিক্স, হাজীরপাড়া এম.ডি.এ ব্রিক্স, সুধারাম আব্বাস ব্রিক্স, আল-মদিনা ব্রিক্স, সাকিব ব্রিক্স, আকরতমা মেঘনা ব্রিক্স এন্ড ম্যানুফ্যাকচারিং, ফাহাদ ব্রিক্স এন্ড ম্যানুফ্যাকচারিং, ভাট্রা এমএসবি ব্রিক্স, লক্ষ্মীধরপাড়া মোতালেব ব্রিক্স, দেহলার মদিনা ব্রিক্স, আজিমপুর জে বি এম ব্রিক্স, পাটওয়ারী ব্রিক্সসহ ১৭টি ইটভাটায় মালিকেরা সরকারি বিধি লঙ্গন করে ভাটায় কয়লার পরিবর্তে কাঠ, টায়ার, তেলের গাদ, বোতামের গুড়া, রাসায়নিক বর্জ্য ও প্লাস্টিক দিয়ে ইট পোড়াচ্ছে। কয়েকটি ভাটায় শিশু-কিশোরদের দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করানো হচ্ছে। প্রতিটি ইটভাটায় দেখা গেছে ল ল ঘনফুট টপ সয়েলের স্তুব। যা বিভিন্ন আবাদি জমিন থেকে বড় চাকার ট্রলি দিয়ে সংগ্রহ করা হয়। বড় চাকার ট্রলি দিয়ে টপ সয়েল বহন করায় পাকা রাস্তাগুলোর প্রায় স্থানে বিশাল গর্ত হয়ে চলাচলে প্রতিবন্ধাকতার সৃষ্টি হচ্ছে।
স্থানীয় সাংবাদিকরা এ ব্যাপারে বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় একাধিক বার সংবাদ প্রকাশ করলেও পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে ও স্থানীয় জেলা-উপজেলা প্রশাসন রহস্যজনক ভাবে নিরব ভুমিকা পালন করে যাচ্ছে।
ইটভাটার পাশে বসবাসকারীরা জানান, ইট পোড়ানোর সময় র্দুগন্ধ ও বাতাসে ধূলো কণা ছড়ানোর ফলে বিভিন্ন রোগে তারা আক্রান্ত হচ্ছেন।
ইট ভাটার কয়েকজন মালিক বলেন, গ্রামাঞ্চলে সরকারি প্রজ্ঞাপন মেনে কয়লা দিয়ে ইট পোঁড়ানো সম্ভব নয়।
ইট পোড়ানো নিয়ন্ত্রন আইন ১৯৮৯ ও ২০০১ সালের ১৭নং অনুচ্ছেদের ৪ ও ৫ ধারায় উল্লেখ রয়েছে যে, আবাদি জমিতে কোনো ইটভাটা তৈরি করা যাবে না ও ১২০ ফুট চিমনি ব্যবহার করতে হবে। কাঠ পোড়ানো যাবে না। এখানকার ইটভাটা গুলোতে এ আইন মানা হচ্ছে না।

Need Ads

সর্বশেষ - খেলাধুলা

Shamol Bangla Ads