ads

রবিবার , ৩০ নভেম্বর ২০১৪ | ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

কেশবপুরে সন্ত্রাসী হামলায় আহত ছাত্রীর পাশে দাঁড়ালেন জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
নভেম্বর ৩০, ২০১৪ ৮:৫০ অপরাহ্ণ
কেশবপুরে সন্ত্রাসী হামলায় আহত ছাত্রীর পাশে দাঁড়ালেন জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি : কেশবপুরে সন্ত্রাসীর হাতে দু’বার আক্রান্ত কলেজ ছাত্রীর পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসনের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
রোববার সকালে কেশবপুরের মঙ্গলকোট ইউনিয়নের হতদরীদ্র মালো পাড়ায় এসেছিলেন যশোরের জেলা প্রশাসক ড.হুমায়ূন কবির,পুলিশ সুপার মোঃ আনিসুর রহমান পিপিএম, খুলনার উপ-পরিচালক (শিক্ষা) টি এম জাকির হোসেন ,জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ নাসির উদ্দিন।
প্রথমে জিপে তারপর প্রায় আধা কিলো মিটার পায়ে হেঁটে তারা হরিহর নদীর পাড়ে প্রত্যন্ত অঞ্চল মালো পাড়ায় পোঁছান। এ সময় এলাকার কয়েক শত নারী পুরুষ সেখানে উপস্থিত হন। খুলনার উপ-পরিচালক (শিক্ষা) বলেন, শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশে তারা সরেজমিনে ঘটনা জানতে এসেছেন।
কেশবপুর থেকে ৫কিলোমিটার দূরের বড়েঙ্গা গ্রামের মালো পাড়া থেকে কলেজে আসতো নির্যাতিতা শিক্ষার্থী,প্রথম দফা কলেজ থেকে বাড়ি ফেরার পথে ৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে নদী পাড়ে নির্জন স্থানে সন্ত্রাসী এক যুবক ওই কলেজ ছাত্রীর শ্লীলতা হানীর চেষ্টা করে। মেয়েটির শরীরের কয়েক স্থানে জখম করে দেয়। তার চীৎকারে মাঠে কর্মরত কৃষকরা এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীটি পালিয়ে যায়। তখন থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়। কিন্তু শিক্ষার্থীর নির্যাতনের ঘটনার কোন বিচার হয়নি।
গত ২২ নভেম্বর (শনিবার) দ্বিতীয় দফা একই সন্ত্রাসী নদীর পড়ে শিক্ষার্থীটির শ্লীলতা হানীর জন্য রাস্তায় ওৎপেতে থাকে। প্রথমবার সন্ত্রাসীকে চিনতে না পারল্ওে এবার তাকে চিনে ফেলে এবং চিৎকার দেয়। এলাকার মানুষ দলবদ্ধভাবে সন্ত্রাসীকে ধাওয়া দেয়। পালিয়ে যায় ওই সন্ত্রাসী যুবক। নিজেকে অসহায় বোধ করে শিক্ষার্থীটি ঘরের চালে ওড়না বেঁধে আতœহত্যার চেষ্টা করে বলে মেয়ের মা জানান। ঘটনার পর বড়েঙ্গা গ্রামের পাশ্ববর্তী মঙ্গলকোট উত্তর পাড়ার রশিদ গাজীর ছেলে মটর শ্রমিক জাহিদুল ইসলামকে আসামী করে থানায় অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীর পিতা। ধরা পড়েনি আসামী। রোববার ঘটনাস্থলে পৌঁছে জেলা প্রশাসক ড.হুম্য়াুন কবীর বলেন, আক্রান্ত ছাত্রীর সকল শিক্ষা খরচ জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে বহন করা হবে। ছাত্রীর প্রতিবন্ধী পিতাকে প্রতিবন্ধী ভাতার ব্যবস্থা করবেন । এসময় আক্রান্ত ছাত্রীটি সহ উপস্থিত আরও এক কলেজ ছাত্রীকে কলেজে আসা যাওয়ার জন্য ১হাজার টাকা করে সাহায্য প্রদান করেন। পুলিশ সুপার মোঃ আনিছুর রহমান বলেন, এলাকার সকল ছাত্রী ্ও কিশোরীদের নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য পুলিশ র্আও কঠোর ভুমিকা রাখবে। তিনি কেশবপুর পুলিশ প্রশাসনকে আরও কঠোর হতে এবং আসামীকে দ্রুত গ্রেফতার করতে নির্দেশ দেন। এলাকার জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান এইচ এম আমীর হোসেন,উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরীফ রায়হান কবীর,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা সাদেক, বিশিষ্ট সাংবাদিক শ্যামল সরকার ও ওসি আব্দুল জলিল উপস্থিত ছিলেন। অপরদিকে বিকেলে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে মালোপাড়ার দুই কলেজ ছাত্রীর মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ করেন থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল জলিল।

Need Ads