এম.আবদুল্লাহ আনসারী.পেকুয়া : পেকুয়া থানা পুলিশের ৩দিনের বিশেষ অভিযানে শীর্ষ ডাকাত কমান্ডার সহ ৬সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে।

জানা যায়, পেকুয়া থানার বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে হত্যা ও বোমা হামলার অভিযোগে ও পুলিশ এসলট মামলার পলাতক আসামী পেকুয়া সদরের আন্নর আলী মাতবর পাড়ার মিজানকে ৫নভেম্বর দিবাগত রাত ৯টার দিকে পেকুয়া চৌমুহনী থেকে পেকুয়া থানার এস.আই আবদুল মতিন আটক করেন। তার বিরুদ্ধে হত্যা সহ ৩টি মামলা রয়েছে। এদিকে মাদক মামলার কয়েক বার জেলফেরত পেকুয়া সিকদার পাড়ার বারেককে ইয়াবা সহ ৬নভেম্বর পেকুয়া থানার এস.আই.মতিন ও এ.এস.্আই খালেদ মোশারফ আটক করে ভ্রাম্যমান আদালতে সোপর্দ করলে আদালত তাকে দুমাসের কারাদন্ড প্রদান করে। এদিকে ৫নভেম্বর বারবাকিয়ার বারোয়াখালী থেকে শিলখালীর জারুল বুনিয়া ষ্টেশনের গণডাকাতি মামলার পলাতক আসামী ডাকাত শাহাবউদ্দিনকে আটক করা হয়। ৫নভেম্বর রাজাখালীর কুখ্যাত ডাকাত গ্যাং লিডার বেলালকে গভীর রাতে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে ২টি ডাকাতি মামলার ওয়ারেন্ট রয়েছে বলে থানা সুত্রে জানাগেছে। এদিকে বারবাকিয়ার পাহাড়িয়া খালী থেকে ডাকাত জাফরের ছেলে ডাকাতদলের প্রধান কমান্ডার আলমগীরকে ৪নভেম্বর গভীর রাতে আটক করে পেকুয়া থানার এস.আই আবদুল মতিন। ডাকাত আলমগীরের বিরুদ্ধে ৬টি ডাকাতি মামলা রয়েছে বলে পেকুয়া থানা সুত্রে জানাগেছে। তার বিরুদ্ধে ও তার ভাই বনের রাজা ডাকাত জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে পুরো পাহাড়ি এলাকায় ডাকাত সেন্ডিকেট তৈরী করে ডাকাতি সহ প্রবাসীদের বাড়ি বাড়ি চাদা আদায় ও পাহাড়ি বনভুমি জবর দখল করে বিক্রি করে দেয়ার অভিযোগ রয়েছে। এদিকে স্থানীয় লোকজন ও পাহাড়ি ইউনিয়ন টইটং,বারবাকিয়া ও শিলখালীর জনপ্রতিনিধিদের সাথে কথা বলে জানাগেছে, পেকুয়া থানা পুলিশ চিহ্নিত ডাকাতদের আস্তানায় হানা দিয়ে ডাকাত আস্তানা তছনছ করে দেয়ায় অনেক স্বশস্ত্র ডাকাতদল ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্থি ফিরে এসেছে।
পেকুয়ায় ইয়াবা নজরুলের তান্ডব:এবার নিজের মেয়েকে কুড়ালাঘাত

পেকুয়ার উজানটিয়ায় সোনালী বাজারের উত্তর পাশে মটকাভাঙ্গা এলাকায় মদ্যপ অবস্থায় কুড়াল দিয়ে পথচারীদের ওপর হামলে পড়লে মদ্যপ পিতাকে বাড়ী ফেরাতে এসে পিতার কুড়ালের আঘাতে মাথা ফেটে রক্তাক্ত হয়েছে এক স্কুল ছাত্রীর। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, প্রতিদিনের রুঠিন কাজের মতো ৬নভেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে ওই এলাকার মৃত আবুল বশরের ছেলে ইয়াবা নজরুল মদ্যপ অবস্থায় গালাগাল শুরু করে তার বসতবাড়ির সামনে পথচারীদের হামলা শুরু করলে দুপাশে পথচারী আটকে পড়ে। একপর্যায়ে কয়েকজন পথচারী তার হাকাবকা অগ্রাহ্য করে বাজারের দিকে যেতে চাইলে মদ্যপ নজরুল তাদের ওপর কুড়াল দিয়ে হামলা করতে উদ্যত হয়্ এসময় তার মেয়ে স্কুল ছাত্রী বিউটি পিতাকে বাড়ীতে নিয়ে যেতে চাইলে রাগান্বিত পিতা নিজের মেয়েকে কুড়াল দিয়ে আঘাত করে মাথা ফেটে দেয়। এসময় দুপাশ থেকে আসা পথচারীরা নজরুলকে ধরে ফেলে ও কুড়াল কেড়ে নিয়ে আহত ওই স্কুল ছাত্রীকে পেকুয়ার এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গিয়ে সেল্ইা করে চিকিৎসা দেয়া হয়। স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ কয়েকবার পুলিশ সোনালী বাজারে হানা দেয়ায় ৬নভেম্বর রাতে নজরুল সহ অন্যান্য মদ্যপরা বাজারে গিয়ে ত্রাস সৃষ্টি করেনি। বাড়ীর সামনে গিয়ে মাতলামি করে দুপাশে পথচারীদের আটকে ফেলে এসময় অনাকাংকিত ভাবে নিজের মেয়েকে মেরে রক্তাক্ত আঘাত করে বসে। সোনালী বাজারের ব্যবসায়ীরা বলেন, মাদক আস্তানা পুলিশ গুড়িয়ে দেয়ায় মাদক সেবী বিক্রেতাদের অসুবিধার সৃষ্টি হওয়াতেই তারা ত্রাস সৃষ্টি করছে। পুলিশি টহল বাজায় থাকায় বড়ধরণের ত্রাস করতে পারেনি।




