ads

বুধবার , ২৯ অক্টোবর ২০১৪ | ৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

আগৈলঝাড়া কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় উজাড় হচ্ছে বনায়ন

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
অক্টোবর ২৯, ২০১৪ ১:২৩ অপরাহ্ণ
আগৈলঝাড়া কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় উজাড় হচ্ছে বনায়ন

পাউবো- বন বিভাগের রশি টানাটানি

৬ বছরে মাত্র ১৫টি মামলা : উপকারভোগীরা বঞ্চিত: সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব

অপূর্ব লাল সরকার, আগৈলঝাড়া (বরিশাল) : বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার সরকারী রাস্তায় বনায়নকৃত বাগানের বিভিন্ন প্রজাতির গাছ হর হামেশাই চুরি করে কেটে নিয়ে যাচ্ছে স্থানীয় প্রভাবশালীরা। নির্বিচারে গাছ কাটার ফলে উজার হয়ে যাচ্ছে এলাকার বনভুমি। প্রভাব পরছে জীব বৈচিত্রের ভারসাম্যর উপর। চুরি হওয়া গাছ কাটার তুলনায় বন বিভাগের উদাসীনতা ও চোরের সাথে আপোষ রক্ষার কারণে ছয় বছরে মামলা হয়েছে মাত্র ১৫টি। গাছ উদ্ধারের পরিমানও নাম মাত্র। বন বিভাগ কর্তৃক উদ্ধারকৃত গাছও আবার রাতের আধারে সরকারী কর্মকর্তারা বিক্রি করেণ বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে বনায়নের সাথে সুফল ভোগিরা অর্থনৈতিকভাবে বঞ্চিত হচ্ছেন অন্যদিকে সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব।
উপজেলা বনায়ন কর্মকর্তা প্রদীপ চন্দ্র মন্ডল ও সংশ্লিষ্ট অফিসসুত্রে জানা গেছে, উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের ওয়াপদা বেরী বাঁধ, এলজিইডি’র রাস্তা ও গ্রামীন জনপদের রাস্তার দু’পাশে সরকারের সামাজিক বনায়ন, সৃজিত বাগান, উপকুলীয় সবুজ বেষ্টনী প্রকল্পসহ বিভিন্ন এনজিওর সাথে যৌথভাবে লাগানো ২১টি বাগান রয়েছে। এর দৈর্ঘ্য ১শ ১৭ কি.মিটার। এসকল বাগানের সুফল ভোগীর সংখ্যা রয়েছে ১৮ হাজার ৫৭ জন।
সূত্র মতে, ১৯৯০ সালে এলাকায় প্রথম শুরু হয় সৃজিত বাগানের কাজ। ১৯৯৯-২০০০ অর্থ বছরে উপকুলীয় সবুজ বেষ্টনী প্রকল্প ও ২০১০-২০১১ অর্থ বছরে সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির মাধ্যমে এলাকায় বনায়নের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করা হয়। এছাড়াও বিভিন্ন এনজিও’র সম্পৃক্ততায় রোপন করা হয় বিভিন্ন এলাকার প্রধান রাস্তায় বিভিন্ন প্রজাতীর গাছ। ২০০৯ সালে উপজেলা বনায়ন অফিসের কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকে গাছ চোরেরাও বসে নেই। ওই বছর সেপ্টেম্বর মাসের ৯ তারিখে ৫১টি গাছ কাটার ঘটনায় উপজেলা বনায়ন কর্মকর্তা এবিএম ফেরদৌস চাঁদ ত্রিশিরা গ্রামের প্রভাবশালী কালাম ভাট্রি, সারোয়ার ও জালানুর ভাট্রিকে আসামী করে ১৯৭২ সনের বন আইন সংশোধিত ২০০ সনের ৩৩ (১)(ছ) ধারায় প্রথম মামলাটি করেন। ওই বছর মোট মামলা করা হয় ৪টি। আর তাতে আসামী করা হয় ৬ জনসহ অজ্ঞাতনামাদের। ৫১টি গাছ জব্দের মাধ্যমে ১শ ৫২.৭৫ ঘন ফুট গাছ ও ৪০ মন লাকড়ি জব্দ করা হয়। অপর ঘটনার স্থানগুলো ছিল ধরাধর দিঘি থেকে বরিয়ালি সড়ক, বাগধা ২নং পোল্ডার থেকে মোজাম ভাট্রির বাড়ির রাস্তা, জসীম ফকির ও ওয়াজেদ হাওলাদার কর্তৃক রাজিহার ফকির বাড়ি রোডের জব্দকৃত ১২০ ফুটের মুল বট গাছের কান্ড।
২০১০-২০১১ সালে কাজিরহাট ¯ুইজ গেট থেকে নুরু গোমস্তার বাড়ির সড়ক, রতœপুর আলাউদ্দিন তালুকদারের পুল থেকে ছয়গ্রাম আতিয়ারের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা, উজিরপুরের ধামুরা সীমানা থেকে বেলুহার রাস্তা পর্যন্ত ছাড়া একটি জিআর মামলাসহ চারটি মামলায় আসামী করা হয় ১৯ জনকে। জব্দ তালিকায় এবছর কোন কোন গাছ দেখা যায়নি।
২০১১-২০১২ অর্থ বছরে রতœপুর এলাকা, বড়মগড়া থেকে পয়সা হয়ে এনজিও তরঙ্গ রাস্তা, ধরাধর দিঘি থেকে বরিয়ালি মাদ্রাসা পর্যন্ত সড়কের চুরি যাওয়া গাছের জন্য তিনটি মামলা করা হয়। এর মধ্যে দুইটি মামলার আসামী অজ্ঞাত থাকলেও অপর মমলাটিতে নান্না শরীফ, জলীল শরীফ, অরুন ভূইয়া, সোহাগ ভূইয়া, জালাল ভূইয়া, রনী মীর, সাহাবুদ্দিন ভূইয়াসহ ১২ জনকে আসামী করে মামলা করেন তৎকালীন বনায়ন কর্মকর্তা এবিএম ফেরদৌস। এসব স্থান থেকে প্রায় ৮১ ঘন ফুট কাঠ ও মাত্র ৩ মন লাকড়ির কাঠ জব্দ দেখানো হয়।
২০১২-২০১৩ অর্থ বছরে উল্লেখযোগ্য পরিমান গাছ চুরির ঘটনা ঘটলেও ওই বছর রেকর্ড পত্রে কোন মামলা দেখা যায়নি। চলতি অর্থ বছরে কাজীরহাট ¯¬ুইজ গেট থেকে নুরু গোমস্তার বাড়ি পর্যন্ত কাটা গাছের ১৬.৫২ ঘন ফুট গাছ উদ্ধার, আমবৌলা আবুল হোসেনের বাড়ি থেকে বাগধা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাটা গাছের অংশ বিশেষ ১০.২৭ ঘন ফুট, ধরাধর দিঘি থেকে বড়িয়ালি মাদ্রাসা পর্যন্ত কাটা গাছের প্রায় ৮ ঘন ফুট গাছ উদ্ধার করা দেখানো হয়। এঘটনায় মামলা করা হয় তিনটি। একটি মামলায় তিন জন আসামী করা হলেও অপর মামলাগুলো করা হয় অজ্ঞাত আসামী দিয়ে। সর্বশেষ মামলাটি করা হয় গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার ৩ নং রামশীল ইউনিয়ন চেয়ারম্যান খোকন বালাসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে। বাকাল ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকা রাজাপুর থেকে কোটালীপাড়া সীমানা পর্যন্ত রাস্তার গাছ কাটার অভিযোগে। ওই চেয়ারম্যান রাস্তার গাছ কেটে তার বাড়ির সামনে ব্রীজ নির্মান করেন।
এলাকায় বিভিন্ন সড়কে অহরহ গাছ চুরির ঘটনা ঘটলেও বনায়ন কর্মকর্তা ও কর্মচারিরা ঘটনাস্থলে পৌছেন সময় ক্ষেপন করে। তারা এলাকায় গিয়ে প্রভাবশালীদের সাথে আপোষ রক্ষা করে চলে আসেন বলেও বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। কোন কোন ঘটনায় চাপের মুখে মামলা করতে হলেও আসামী রাখেন অজ্ঞাত। আবার পানি উন্নয়ন বোর্ডে রাস্তায় গাছ চুরির ঘটনা ঘটলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বনায়ন কর্মকর্তার রশি টানাটানিতে মামলাতো হয়ইনা বরং একে অন্যের ঘারে দোষ চাপিয়ে পার পাওয়ার চেষ্টা চালান। স্থানীয়ভাবে গাছ কাটার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে গাছ জব্দ করলেও সংশ্লিষ্ট দুই দপ্তরের রশি টানাটানিতে কোন মামলা না দেয়ায় সহজেই পার পেয়ে যাচ্ছে চোর চক্ররা। এতে আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে চোর চক্র। এছাড়াও কোথাও কোথাও গাছ কাটার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায়, গাছগুলো ব্যক্তি মালিকানার জায়গায় রোপিত, তারা জন প্রতিনিধিদের মাধ্যমে গাছ কাটার অনুমতি দিয়েছেন। তবে আজ পর্যন্ত কোন অনুমতি পত্র কেউ দেখাতে পারেনি। আবার উপজেলা পরিষদের কোন মিটিংএও গাছ দেয়া সংক্রান্ত কোন রেজুলেশনও দেখা যায়নি। জন প্রতিনিধিদের মৌখিক নির্দেশের কথা বলে পার পেয়ে যাচ্ছেন প্রভাবশালীরা। প্রতি বছর বিপুল পরিমান গাছ নিধন ও চুরি হলেও কার্যত প্রশাসনের কর্মকর্তারা চুরি রোধে কার্যকর কোন ব্যবস্থাই গ্রহন করেননি। তাছাড়া এলাকায় গাছ কাটার ঘটনায় বন বিভাগের মামলা দায়ের করতে হলে জেলা বন কর্মকর্তার অনুমতিপত্র পেয়ে মামলা করতে হয় বলে তাৎক্ষনিক মামলা করতে পারছেননা উপজেলা বন বিভাগ। ফলে বনায়নের সাথে সংশ্লিষ্ট সুফল ভোগিরা অর্থনৈতিকভাবে বঞ্চিত হচ্ছেন অন্যদিকে সরকার হারাচ্ছে বিপুল পরিমান রাজস্ব। অফিস সূত্র জানায়, অধিকাংশ মামলাই বিচারাধীন রয়েছে।
এব্যপারে উপজেলা বনায়ন কর্মকর্তা প্রদীপ চন্দ্র মন্ডল বলেন, তাদের জনবল কাঠামো কম। তাছাড়া গাছ কেটে নেয়ার পরে তাদের জানানো হয়, তাই তারা আসামী সনাক্ত করতে পারেননা।এছাড়াও জন প্রতিনিধি ও দলীয় প্রভাবের কারণে অনেক সময় তারা মামলা করতে পারছেননা। উদ্ধারকৃত গাছ জেলা থেকে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয় না বলেও তিনি জানান।

Shamol Bangla Ads

আগৈলঝাড়ায় স্বামী-স্ত্রী গ্রেফতার

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় স্বামী স্ত্রীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
জানা গেছে, উপজেলার দত্তেরাবাদ গ্রামের মৃত মহব্বত ফকিরের ছেলে ওয়ান্টেভুক্ত পলাতক আসামী আলতাফ ফকির ও তার স্ত্রী আনোয়ারা বেগকে সোমবার রাতে এসআই সহিদুর রহমান নিজ বাড়ি থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গ্রেফতার করেন। গতকাল মঙ্গলবার গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

Shamol Bangla Ads

চাকুরীর দেয়ার নামে হোটেলে কলেজ ছাত্রী ধর্ষণ চেষ্টা: আগৈলঝাড়ার দলিল লেখক জালাল মোল্লা গ্রেফতার

বরিশালের আগৈলঝাড়ার দলিল লেখক জালাল মোল্ল¬া কর্তৃক কলেজ ছাত্রীকে চাকুরীর প্রলোভন দেখিয়ে হোটেল কক্ষে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা হয়েছে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই দলিল লেখককে হোটেল পুর্নিমা থেকে গ্রেফতার করলেও অপর সঙ্গি পালিয়েছে। বিলম্বে এজাহার প্রাপ্ত সূত্রে জানা গেছে, আগৈলঝাড়া উপজেলার বাকাল গ্রামের ইউনুছ মোল্ল¬ার ছেলে আগৈলঝাড়ার সাব রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল লেখক জালাল মোল্ল¬া (৪৫) ২৩ অক্টোবর তার মামাতো ভাই ইউনুস মোল্ল¬ার মাধ্যমে পরিচিত হয়ে পাশ্ববর্তি গৌরনদী উপজেলার বড়দুলালী গ্রামের আলমগীর সরদারের মেয়ে বরিশাল বিএম কলেজের ১ম বর্ষের ছাত্রী আরিফা আক্তার (২০)কে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকুরী দেয়ার প্রলোভন দেখায়। চাকুরির কথা বলে ঘটনার দিন উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে দেখা করিয়ে দিতে আশুকাঠি থেকে জালাল তার মোটর সাইকেলে করে আরিফাকে নিয়ে বরিশাল নগরীর কাটপট্রি এলাকার পুর্নিমা হোটেলের ৩য় তলার ১২ নং কক্ষে উঠায়। হোটেলে ঢুকেই আরিফার মোবাইল ফোন আটক করে জালাল নোটারী পাবলিকের ষ্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে ফাইল থেকে দুই কপি ছবি নিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষনের চেষ্টা চালায়। কৌশলে আরেফিন জালালকে ধর্ষণে নিবৃত করে রাতে এক সাথে থাকার প্রলোভন দেখায়। এসময়ের মধ্যে আরিফাকে হোটেলের কর্মচারিদের সাথেও দেখা করতে দেয়নি জালাল। এক পর্যায়ে জালাল বাথরুমে গেলে ওই সুযোগে আরেফিন তার বাসার মোবাইলে এসএমএস করে ঘটনা জানায়। এসএমএস পেয়ে আরেফিনের মা ছুটে এসে বরিশাল কোতয়ালী থানায় বিষয়টি অবহিত করেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে পূর্নিমা হোটেলের ৩য় তলার ১২ নম্বর কক্ষ থেকে আরেফিনকে উদ্ধার ও লম্পট জালালকে আটক করলেও পুলিশের টের পেয়ে জালালের অপর সঙ্গি তার মামাতো ভাই ফরহাদ হোসেন পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এঘটনায় আরিফা বাদী হয়ে দুই জনকে আসামী করে ২৪ অক্টোবর কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা করেছে। যার নং-৪৭।

ছাত্রলীগের সম্মেলন উপলক্ষে আগৈলঝাড়া ও গৌরনদীর প্রার্থীদের আবেদনপত্র সংগ্রহ শুরু

বরিশালের গৌরনদী উপজেলা, পৌর ও কলেজ ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৫ নভেম্বর। অন্যদিকে আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সম্ভাব্য কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে ১৬ নভেম্বর। এলক্ষে কমিটিতে পদ প্রত্যাশী প্রার্থীদের কাছ থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত আবেদনপত্র সংগ্রহ করবে সংশি¬ষ্ট উপজেলা ছাত্রলীগ নেতারা।
আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্রলীগ সহ সভাপতি লিটন সেরনিয়াবাত জানান, ২৫ নভেম্বর থেকে ১০ নভেম্বর নভেম্বর পর্যন্ত আবেদন পত্র দলীয় কার্যালয়ে জমা দেয়া যাবে। ওই আবেদন পত্র জেলা ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদকের কাছে উপজেলা নেতৃবৃন্দ জমা দেবেন।
গৌরনদী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সৈয়দ মাহবুব আলম জানান, ২৮ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত— নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গৌরনদী উপজেলা, পৌর ও সরকারি গৌরনদী কলেজ ছাত্রলীগের দলীয় কার্যালয়ে আবেদনপত্র জমা নেয়া হবে।

আগৈলঝাড়ার গ্রামাঞ্চল থেকে হারিয়ে যাচ্ছে খেঁজুরের রস

শীতের প্রাদুর্ভাব পরতে না পরতেই আগৈলঝাড়ার প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের খেঁজুর গাছি বা সিউলিরা গাছের রস সংগ্রহের জন্য ব্যস্ত হয়ে পরেছেন। গ্রাম-বাংলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যরে প্রতীক খেঁজুর গাছ। পাশাপাশি অর্থকারী সম্পদও। গ্রামবাংলার ঐতিহ্যের সঙ্গে এ গাছের সম্পর্ক পুরানো ও নিবিড়। দেশে সাধারণতঃ পুরুষ এবং স্ত্রী দু’প্রজাতির খেজুর গাছ দেখা যায়। স্ত্রী প্রজাতির গাছে খেজুর ও রস উভয়ই পাওয়া যায়। পুরুষ প্রজাতির খেঁজুর গাছ থেকে শুধুই রস সংগ্রহ করা যায়। কিন্তু বর্তমানে ইটভাটায় জ্বালানী হিসেবে ব্যবহারের কারণে ক্রমশঃ হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামবাংলার এই সৌন্দর্য্যরে প্রতীক খেঁজুরগাছ। উপজেলার ৫টি ইউনিয়নে বিভিন্ন গ্রামে হাজার হাজার গাছের মধ্যে এ গাছ অনেক স্থানে সারি বেধেঁ দাঁড়িয়ে থাকত। অপরিকল্পিতভাবে কেটে রস সংগ্রহ করা এবং নতুন করে খেঁজুর গাছ হারিয়ে যাওয়ার ফলে খেঁজুরগাছ তেমন একটা চোখে পরেনা। তাই গ্রামাঞ্চলের রাস্তার পাশে এখন আর সারি বাঁধা খেজুর গাছের দৃশ্য দেখা যায়না। খেজুর গাছে ঝুলানো রস সংগ্রহের মাটির হাঁড়ি এদেশে এখন আর দেখা যায়না। শীতকালে খেজুর গাছের রস দিয়ে পায়েস ও পিঠা খাওয়ার প্রচলন রয়েছে। কিন্তু খেজুর গাছ বিলুপ্তির কারণে এখন আর গ্রামাঞ্চলের শীতের পিঠা খাওয়ার তেমন কোন ধুম নেই।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!