ads

শনিবার , ২৫ অক্টোবর ২০১৪ | ১লা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

পাবনার ২টি গ্রাম আর্সেনিকে আক্রান্ত : এ পর্যন্ত ৬০ জনের মৃত্যু

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
অক্টোবর ২৫, ২০১৪ ৬:১৭ অপরাহ্ণ

pabna photo-1-23.10.14ইমরোজ খোন্দকার বাপ্পি, পাবনা : পাবনার রূপপুর গ্রামে বিশুদ্ধ পানির অভাবে ব্যাপক হারে আর্সেনিকের প্রভাব বিস্তার ঘটেছে। অধিকাংশ মানুষ আর্সেনিক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। আর্সেনিকে আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত থেকে ৬০ জন নারী-পুরুষের মৃত্যু হয়েছে। স্থায়ীভাবে আর্সেনিক প্রতিরোধে কার্যকর কোন পদক্ষেণ গ্রহণ না করায় এ গ্রামের মানুষ আর্সেনিক ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে গ্রামটি আর্সেনিক গ্রাম বলে পরিচিত লাভ করেছে।

Shamol Bangla Ads

সরেজমিন খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, আশির দশক থেকে পাবনার রূপপুর ও চররূপপুর গ্রামে আর্সেনিকে আক্রান্তে আলামত পাওয়া যায়। গ্রাম গুলো এখনও চূড়ান্ত পর্যায়ে আর্সেনিকে আক্রান্ত এলাকা। গ্রামবাসীদের মতে এই গ্রামে গত ২০ বছরে অন্তত ৬০ জন আর্সেনিকে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। এদের মধ্যে একই পরিবারে মারা গেছে ১১ জন। তবে সরকারী হিসাবে ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবী করা হয়।
চররূপপুর গ্রামের বাসিন্ধা আব্দুল আলিম জানান, বিশুদ্ধ পানির অভাবে গ্রামের মানুষ বাধ্য হয়েই আর্সেনিক যুক্ত (রেডমার্ককৃত) টিউবওয়েলের পানি পান করছে। আর্সেনিকে আক্রান্ত হয়ে তার দাদা, দাদী, চাচা, চাচী, ভাই মারা গেছে। বর্তমানে তার ভাই আব্দুল করিম ও মা মাজেদা খাতুনসহ পরিবারের অনেকেই আর্সেনিকে আক্রান্ত রয়েছে। গ্রামের অধিকাংশ মানুষ আর্সেনিকে আক্রান্ত হওয়ায় আশ-পাশের গ্রামের লোকজন আমাদের আর্সেনিক গ্রামের বাসিন্দ বলে ডাকে। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে গ্রামটি আর্সেনিক গ্রাম বলে পরিচিত লাভ করেছে। মাঝে মধ্যে বিভিন্ন বে-সরকারী সংস্থা আর্সেনিক প্রতিরোধের ঔষধ দিলেও সেগুলো কোন কাজে আসেনা। সরকারী ভাবে কোন সময় কোন লোক আসে না।
জানা গেছে, ইউনিসেফের আর্থিক সহায়তায় ২০০০ সালে আর্সেনিক প্রতিরোধে একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) রূপপুর ও চর রূপপুর এলাকায় জরিপ চালায় এবং আর্সেনিক যুক্ত টিউবওয়েল সনাক্ত করে রেডমার্ক করা হয়। পরে সরকারী বেসরকারী সংস্থা গ্রাম ২টিতে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহে বেশ কিছু পিএসএফ (পন্ড স্যান্ড ফিল্টার), ফিল্টার স্থাপন করে। প্রথম দিকে সেগুলো কিছুটা কাজে লাগলেও সুষ্ঠ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবসহ বিভিন্ন কারণে বর্তমানে সেগুলোর সবই কার্যকারিতা হারিয়েছে। বিশুদ্ধ পানির অভাবে গ্রামের মানুষকে বাধ্য হয়েই রেডমার্ককৃত টিউবওয়েলের আর্সেনিকযুক্ত পানিই পান করতে হচ্ছে।
এ ব্যাপারে পাবনা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী জামানুর রহমান বলেন, সরকারী ভাবে ওই গ্রাম গুলোতে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহন করায় ২০০৫ সানের পর থেকে আর্সেনিকে আক্রান্ত হয়ে ওই গ্রাম গুলোতে এখন আর কোন রোগী মারা যায়নি। তবে গ্রাম গুলোতে আর্সেনিকের ভয়াবহতা পুরোপুরিভাবে এখনও কমেনি। গ্রামের মানুষকে সচেতন করতে এবং আর্সেনিকমুক্ত পানি সরবরাহে সরকার কাজ করছে।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!