ads

বুধবার , ২৮ মে ২০১৪ | ৬ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ভোলার লালমোহন উপজেলার বদরপুর ইউপি’র উপ-নির্বাচন : ২ প্রার্থীর ভোট বর্জন, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার প্রত্যাহার

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
মে ২৮, ২০১৪ ৪:০৫ অপরাহ্ণ
ভোলার লালমোহন উপজেলার বদরপুর ইউপি’র উপ-নির্বাচন : ২ প্রার্থীর ভোট বর্জন, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার প্রত্যাহার

ভোলা প্রতিনিধি : ভোলার লালমোহন উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হয়।মঙ্গলবার সকাল ৮টায় ইউনিয়নের নয়টি কেন্দ্রে একযোগে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। ইউনিয়নের নয়টি ভোটকেন্দ্রের সবক’টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘোষণা করে প্রশাসন।

Shamol Bangla Ads

নির্বাচন অফিস ও স্থানীয় সূত্র জানায়, উপ-নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে সাত প্রার্থী প্রতিদ্বন্ধিতা করলেও পাঁচ প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছে। এখন মাঠে রয়েছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি সমর্থিত দুই প্রার্থী।
এরা হলেন, আনারস প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী জাফর আহমেদ জয় ও দোয়াত-কলম প্রতীক নিয়ে বিএনপি সমর্থিত জুলফিকার আহমেদ।
ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ২২ হাজার ৪০৪ জন। জয়ের ব্যাপারে উভয় প্রার্থীই আশাবাদী। তবে কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সমর্থকরা প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে বলে বিএনপি প্রার্থী জুলফিকার আহমেদ অভিযোগ করেছেন।
এ ব্যাপারে ভোলার সহকারী পুলিশ সুপার রামানন্দ সরকার বলেন, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। কেন্দ্রগুলোতে আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে থাকা মোবাইল টিম, স্টাইকিং ফোর্স ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট টহল দিচ্ছে। অন্যদিকে ভোট কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তার, জাল ভোট দেওয়া, কেন্দ্র থেকে এজেন্টদের বের করে দেওয়াসহ নানা অভিযোগ এনে ভোলার লালমোহনের বদরপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) উপ-নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত ও স্বতন্ত্র দুই চেয়ারম্যান প্রার্থী ভোট বর্জন করেছেন। তারা অভিযোগ করেন, বারবার রিটার্নিং অফিসারকে জানিয়েও কোন ফল না হওয়ায় নির্বাচন বর্জন করতে হলো।
এ বিষয়ে রিটার্নিং অফিসার আমির খসরু রেজা বলেছেন, ভোটগ্রহণ সুষ্ঠুভাবেই চলছে। কোন লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় লালমোহন রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিপক্ষ প্রার্থী ও সমর্থকদের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ তুলে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী জুলফিকার আহমেদ এ নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে তিনি পুনরায় ভোটগ্রহণের দাবিও জানান।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নির্বাচন নিয়ে নানা অভিযোগ তুলে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল ওহিদ ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী জুলফিকার আহমেদ অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচন শুরু হওয়ার পর থেকেই কেন্দ্রে কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তার শুরু হয়।
ইউনিয়নের ৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ৮টিতেই জাল ভোট দেওয়ার প্রতিযোগিতা চলে। প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থীর আনারস প্রতিকের কর্মীরা আমার এজেন্টদের ভোট কেন্দ্র থেকে বের করে দেন।
তিনি আরো অভিযোগ করেন, প্রশাসকে বিষয়টি বার বার বলা সত্ত্বেও কোন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। তাই ভোট বর্জন করা হয়েছে।
এদিকে, সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বদরপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্য বদপুরপুর সেনের হাওলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর হয়ে ওপেন সিল মারা ও প্রার্থীর হয়ে কাজ করার অভিযোগে কেন্দ্রের সহকারী প্রিজাইপিডং অফিসার আব্দুল সোবাহানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। কেন্দ্রের দায়িত্বরত প্রিজাইডিং অফিসার মো. ইব্রাহিম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তার ও এজেন্টদের বের করে দেয়ার অভিযোগের বিষয়ে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রাথী জাফর আহমেদ জয় বলেন, এ ধরনের অভিযোগ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। দলেল কোনো কর্মী কোনো কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেনি।
এ বিষয়ে রিটার্নিং অফিসার মো. আমির খসরু গাজীর বলেন, নির্বাচন নিয়ে আমরা কোনো অভিযোগ পাইনি। সুষ্ঠু পরিবেশে ভোটগ্রহণ করা হয়েছে।

ভোলার চরফ্যাশনের মেঘনায় জালপাতা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১৫

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ঢালচরের খালগোরা ও সামরাজের বেড়ী ভাঙ্গা সংলগ্ন মেঘনায় জালপাতাকে কেন্দ্র করে দুটি পৃথক সংঘর্ষে ১৫ জেলে আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে গুরুতর আহত ৫ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিমে প্রেরন করা হয়েছে। সোমবার ভোর সাড়ে ৫টা ও সকাল ৭ টায় পৃথক এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে এলাকা সূত্রে জানা যায়। ঢালচরের মৎস্য ব্যবসায়ী আবুল কালাম জানান,ঢালচরের খালগোরা সংলগ্ন মেঘনায় শাহে আলম মাঝির মাছ ধরা ট্রলারের জেলেরা রবিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টায় জাল পাতে।একই স্থানে নুরাবাদের জলিল মাঝি ও বেচু মাঝির ট্রলারের জেলেরা ও জাল পাতে। সোমবার ভোর সাড়ে পাঁচটায় শাহে আলম মাঝির ট্রলারের জেলেরা জাল টানা শুরু করলে তাদের পাতা জালের উপর জলিল মাঝি ও বেচু মাঝির জাল দেখতে পেয়ে জাল পাতার কারন জানতে চাইলে উভয় গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে দশ জেলে আহত হয়। সামরাজের বেড়ী ভাঙ্গা এলাকার মেঘনায় রবিবার দিবাগত রাত সাড়ে এগারটায় মোছলেম মাঝির ট্রলারের জেলেরা জাল পাতে। একই স্থানে রাতে আলম মাঝির ট্রলারের জেলেরা জাল পাতে।সোমবার সকাল ৭টায় মোছলেম মাঝির ট্রলারের জেলেরা জাল টানা শুরু করলে আলম মাঝির ট্রলারের জেলেদের সাথে তর্কবিতর্কের এক পর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।সংঘর্ষে পাঁচ জেলে আহত হয়েছে। শাহে আলম মাঝি জানান,তার ট্রলারের গুরুতর আহত জেলে বাবুল(৩২),খায়ের(২৫),জনু সারেং (৩০),মাহে আলম(২২) ও বাবুর্চি সফিকে(২৮)উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিমে প্রেরন করা হয়েছে। পৃথক দুইটি সংঘর্ষের ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জেলেরা জানিয়েছেন।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!