বাবুগঞ্জ(বাবুগঞ্জ) প্রতিনিধি : বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের ২০১৩/২০১৪ অর্থ বছরে ভিজিএফ’র অধিনে জেলেদের পূর্ণবাসনের চাল বিতনের ইউপি চেয়াম্যানের বিরুদ্ধে প্রত্যেক কাটধারীকে ০৮ থেকে ১০ কেজি করে চাল কম দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় কয়েকজন ইউপি সদস্য ও স্থানীয় জেলে সমিতির সম্পাদক চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। জানগেছে,কেদারপুর ইউনিয়নে ৪৫৭ জন জেলেকে ভিজিএফ প্রকলের অধিনে প্রতিমাসে (মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা চলাকালে) ৪০ কেজি করে চাল বিতরেন কর্মসূচি গ্রহীত হয়। গত সপ্তাহে উপজেলা খাদ্যগুদাম থেকে ৪৫৭ জন জেলেদের পূর্ণবাসনের জন্য বরাদ্ধাকৃত চাল উত্তেলন করা হয়। গত সোমবার ওই চাল বিতরন কালে কেদারপুর ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর মৃধা প্রত্যেক কার্ডধারী ৮ থেকে ১০ কেজি করে চাল কম দেন বলে অভিযোগ করেন মৎস্য সমিতির সম্পাদক ও জেলেরা। এসময় ইউপি সদস্য জানে আলম এবং উপজেলা মৎস্য সমিতির সাধারন সম্পাদক মোঃ বাচ্চু ও স্থানীয়রা এর প্রতিবাদ করলে ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর মৃধা ও ইউপি সদস্য মোঃ হানিফ ডাক্তার’র সংঙ্গে স্থানীয়দের সাথে বাকবিতন্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। চাল কম দেওয়ার বিষয়ে স্থানীয় জেলে হাকিম ,পান্নু হাওলাদার,আলাউদ্দিন ফকির, হোসনে মীর,জব্বার হাওলাদার, সহ শতাধিক জেলেরা অভিযোগ করে বলেন আমাদের ৪০ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা থাকলেও কাউকে ৩০ কেজি আবার কাউকে ৩২ কেজি করে চাল দিয়েছেন। চেয়াম্যানের অনিয়মের বিরুদ্ধে ভূক্তভুগী জেলেরা গতকাল মঙ্গলবার বাবুগঞ্জ-মুলাদী ৩ আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড.শেখ মোঃ টিপু সুলতান ,বরিশাল জেলা প্রশাসক শহীদুল আলম , বাবুগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান সরদার খালেদ হোসেন স্বপন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বাকাহীদ হোসেন’র কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। জেলেদের চাল বিতনের অনিয়মের বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া সহ প্রকৃত জেলেরা যাতে জেলেরা ৪০ কেজি হারে চাল পেতে পারে তাহার ব্যবস্থা করার জন্য আহবান জানান। এ বিয়ষে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বাকাহীদ হোসেন এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন-অভিযোগ পেলে ,তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ব্যাপরে ইউপি চেয়াম্যান জাহাঙ্গীর মৃধা বলেন, আমি নিয়মতান্ত্রিক ভাবে চাল বিতরন করেছি। তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন।




