ads

শুক্রবার , ২ মে ২০১৪ | ২৮শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ঝালকাঠিতে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে যৌন উত্তেজক পানীয় : নীরব প্রশাসন

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
মে ২, ২০১৪ ৪:০৯ অপরাহ্ণ

02ঝালকাঠি প্রতিনিধি : ঝালকাঠি শহরে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে যৌন উত্তেজক পানীয়। বিশেষ করে জেলা ও উপজেলা শহর এলাকার কিছুসংখ্যক তরুন-যুবক, প্রৌঢ় ও বৃদ্ধ সহ বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার নারী-পুরুষ ঝুকছে এসব পানীয় পানের দিকে। আর এ সব পানীয় পানের কু প্রভাবে জেলায় যৌনাচার, ব্যভিচার, ধর্ষন, ইভটিজিং আশংকাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এমনকি স্বামী-স্ত্রী ও অভিভাবক-সন্তানের মধ্যে আস্থার সংকট ও অবিশ্বাস সৃষ্টিসহ সামাজিক বন্ধন শিথিল হয়ে যাচ্ছে বলে সমাজকর্মীরা আশংকা প্রকাশ করেছে।

Shamol Bangla Ads

সাম্প্রতিক কালে দেশীয় ও পার্শবর্তী দেশগুলো থেকে আশা বিভিন্ন অসাধু কম্পানীর সরবারহকৃত এসব যৌন উত্তেজক পানিয়তে বাজার সয়লাব হয়ে গেছে। স্থানীয় প্রশাসন বা ভ্রাম্যমান আদালতের পক্ষ থেকে কোন প্রকার নজরদারী করা হচ্ছেনা। প্রশাসনের নীরবতার সুযোগে যৌন উত্তেজক এসব পানিয় পানের ফলে যৌন অপরাধ প্রবনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যের মারাক্তক বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে স্থানীয় চিকিৎসকরা আশংকা প্রকাশ করছেন । ঝালকাঠি জেলার চারটি উপজেলার শহর-হাট-বাজারে প্রকাশ্যে এ সব যৌন উত্তেজক পানীয় বিক্রি হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদারকীর লক্ষে কার্যকর কোন পদক্ষেপ গ্রহন করতে দেখা যায় না। শহরের কলেজ মোড়, ফায়ার সার্ভিস মোড়, সদর চৌমাথা, বাসষ্ট্যান্ড, বড় বাজার, চাঁদকাঠি বাজার সহ অধিকাংশ দোকানেই প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে বিভিন্ন কোম্পানীর প্রস্তুতকৃত এসব পানীয়। আবার প্রচন্ড গরমের কারনে অনেকে না জেনেই এসব পানিয় পানের কুপ্রভাবের শিকার হয়। সন্ধ্যা নামার পরেই এসব পানীয় পান করার জন্য দোকানের সামনে ভীর জমায় যুবক থেকে মধ্য বয়সী বিভিন্ন পর্যায়ের সেবনকারীরা। বিএসটিআই’র অনুমোদনহীন এসব যৌন উত্তেজক পানিয় পানের তোড়জোড় লক্ষ করা য্য়া। ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বিভিন্ন কোম্পানীর প্রস্তুতকৃত ড্রিকংস এর মধ্য উলে­খ যোগ্য হচ্ছে ডাবল হর্স, হর্স পাওয়ার, ম্যান পাওয়ার, পাওয়ার ম্যান, তৃপ্তি পাওয়ার, মাসরুম, পাগলু ২, নাইট পাওয়ার, জিনসিং পানীয় উলে­খযোগ্য। ব্যবসায়ীরা আরো জানান, অন্যান্য ড্রিংকস বিক্রি করে লাভ বোতল প্রতি ২/৪ টাকা। আর এ সকল যৌন উত্তেজক ড্রিকংস বিক্রি করে বোতল প্রতি লাভ ৮ থেকে ১০ টাকা আর বিক্রিও হয় অন্যন্য গুলোর চেয়ে দ্বিগুন/তিনগুন। যৌন উত্তেজক ড্রিংস সেবনকারী ঝালকাঠি বড় বাজার এলাকার স্বপন, ফায়ার সার্ভিস মোড়ের কামাল সহ কয়েক জনে বলেন, যৌন উত্তেজক ড্রিংস সেবনের পূর্বে যৌন ক্ষমতা স্বাভাবিক থাকলেও অধিক শক্তি পাওয়ার আশায় এ সকল পানীয় সেবন করা হয়। এখন সেবনকারীদের এমন অবস্থা হয়েছে যে সেবন না করলে যৌন উত্তেজনা সৃষ্টি হয়না তাই বাধ্য হয়ে নিয়মিত এ ড্রিকংস সেবন করতে হচ্ছে। এ বিষয়ে ঝালকাঠির সদর হাসপাতালের বিহির বিভাগের চর্ম ও যৌন বিভাগের ডাক্তার জানান, নিয়মিত যৌন উত্তেজক ড্রিংকস/ওষুধ সেবন করলে যৌন শক্তি একেবারে হারিয়ে যায়। এমন কি মানব শরীরের গুরুত্বপূর্ন কিডনি ড্যামেজ, যৌনশক্তি স্থায়ী ভাবে হারিয়ে ফেলাসহ নানারকম ক্ষয়ক্ষতির আশংকা রয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহলের অভিমত, প্রশাসন ও ভ্রম্যমান আদালতের দায়িতত্বশীল কর্মকর্তাদের অতিসত্ত¡র এ সকল যৌন উত্তেজক ও মানব দেহের ক্ষতিকারক পানিয় বাজারজাত ও বেচাকেনার বিষয়ে নজরদারী একান্ত প্রয়োজন। তা না হলে চটকদারী ও সাময়িক কৌতুহলের বশবর্তী হয়ে এসব পানীয় সেবন করে বড়ধরনের বিপর্যয় ঘটনার আশংকা দেখা দিয়েছে। এ ব্যাপারে স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ী জানায়, তাদের খাবার হোটেলগুলোতে প্রায় সময়ই ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালায় বিভিন্ন অংকের জরিমানা-জেল দন্ড দেয়া হয়। কিন্তু জনস্বাস্থ্যের মারাক্তক ক্ষতিকর এসব যৌন উত্তেজক ড্রিংকস এর উপর প্রশাসনের কোন নজরদারী নেই কেনো এ নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে।

Need Ads
error: কপি হবে না!