ads

সোমবার , ২৮ এপ্রিল ২০১৪ | ২রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

বাসাইল উপজেলা নির্বাচন ২০১৪ : বাসাইলে যারা লড়তে যাচ্ছেন

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
এপ্রিল ২৮, ২০১৪ ৭:৩১ অপরাহ্ণ

222আবুল কাশেম ,বাসাইল, টাঙ্গাইল :   অবশেষে ৬ষ্ট দফায়  বাসাইল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষিত হয়েছে। সে অনুযায়ি আগামী ১৯ মে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।  উপজেলা নির্বাচন কমিশন অফিস থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ি জানা যায় আসন্ন বাসাইল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৭জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১৩ জন ও  মহিলা ভাইস চেয়রম্যান পদে ৫ জন মনোয়নপত্র জমা দিয়েছেন। আগামী ৩ মে মনোয়ন প্রতাহারের শেষ দিনে  জানা যাবে কারা চুড়ান্ত লড়াইয়ে উপজেলার নির্বাচনী  মাঠ কাপাবেন। চেয়ারম্যান পদে ও আওয়ামীলীগ সমর্থিত বর্তমান চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম, হাবিবুর রহমান চৌধুরী হবি, বিএনপি সমর্থিত মুহাম্মদ শাহিদুল ইসলাম (কাজী শহিদ), স্বতন্র প্রার্থী আব্দুর রহিম আহমেদ, আব্দুল অদুদ খান, সাইফুল ইসলাম খান ও কৃষক শ্রমিক জনতালীগ সমর্থিত নাজমুল হুদা খান বাহাদুর। ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোয়ন পত্র জমা দিয়েছেন আওয়ামীলগ সমর্থিত মোস্তাফিজুর রহমান বাদশাহ, জামায়াত সমর্থিত শফিকুল ইসলাম, বিএনপি নেতা আবুল কাশেম, আবুল কালাম আজাদ, জাকির হোসেন আবু, আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুর  রউফ, মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, মোবারক আলী খানশুর, তোফাজ্জল খান, প্রফুল¬ সরকার, শেখ উজ্জল, নুরুল আমিন রবিন, ও এম এ হালিম মিঞা । অপরদিকে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদের প্রার্থীরা হলেন  আওয়ামীলীগ সমর্থিত জবেদা বেগম, বিএনপি সমর্থিত রাশেদা সুলতানা, বিশিষ্ট সাংবাদিক রোজিনা মফিজ খান, মিনারা আক্তার ও মোসা. রেখা বেগম।
৪র্থ দফা তফসিলে বাসাইল উপজেলার নাম আসার পূবেই আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভায় সর্বসম্মতক্রমে বর্তমান চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলামের নাম ঘোষনার পর থেকেই তার সমর্থক নেতাকর্মীনরা  চাঙ্গা হয়ে প্রার্থীর নানা উন্নয়নের ফিরিস্তি তুলে জনসমর্থন পুরোপুরি বাগে নেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন। প্রার্থী কাজী অলিদ ইসলাম ইতোমধ্যে নির্বাচনী মাঠে নিজের পক্ষ্যে গোছিয়ে নিয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। আবার শেষ দিনে কাউলজানী ইউনিয়ন আওয়ামীগ সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান চৌধুরী হবি দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে মনোয়নপত্র জমা দেয়ায় আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থী নিয়ে নতুন সংকট তৈরি হতে পারে বলে আলোচনা শোনা যাচ্ছে। তবে শেষ পর্যন্ত নেতা কর্মিরা একাট্টা হয়ে তার  পক্ষ্যে  মাঠে  থাকবেন বলে ভোটারদের ধারণা। অন্যদিকে বিএনপির কথিত ভোট ব্যাংক খ্যাত এ উপজেলা অতীতের কোন নির্বাচনেই দলের কোন প্রার্থী নিবাচতি হতে পারেনি । সর্বসম্মতিক্রমে প্রার্থী মনোয়ন, নেতাকর্মীদের সর্বাত্মকভাবে মাঠে নামা,তাদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাবসহ নানাবিধ কারণে বার বার দলের প্রার্থী হেরেছে। তবে এবার ভিন্ন অবস্থা। দলীয় ফোরামে সর্বসম্মতিক্রমে কাজী শহিদুল ইসলামকে প্রার্থী ঘোষনা দেয়ায় দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরাজমান দ্বিধা-দ্বন্ধ দূরীভূত হয়েছে। নেতাকর্মীদের ধারণা কাজী শহিদুল ইসলাম দলের একক প্রার্থী হওয়ায় আসন্ন নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভের সম্ভাবনা উজ্জল হয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুর রহিম আহমেদ এবারো শক্তিশালী প্রার্থী। গত নির্বাচনের অল্পের জন্য হারলেও সারা উপজেলায় তিনি উচ্চ ঈমেজের অধিকারি। তা ছাড়াও একজন হেভওয়েট প্রার্থী নির্বাচন না করায় এবার তাকে সবচেয়ে ফেভারিট ভাবা হচ্ছে। স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করলেও তিনি সকল দলীয় প্রার্থীর নিকট দুঃচিন্তার কারণ বলেই মনে করা হচ্ছে। কর্মী-সমর্থকদের ধারণা কৌশলগত কারণে সুবিধা জনক অবস্থানে থাকায় সুষ্ঠ নির্বাচন হলে বিরাট ব্যবধানে জয়লাভ করেন। এবার মনোয়নপত্র জমা দিয়েছেন বাসাইল এমদাদ হামিদা কলেজের সহকারি অধ্যাপক আব্দুল অদুদ খান। তিনি মনে করেন সারা উপজেলায় তার প্রচুর ছাত্র-ছাত্র ছড়িয়ে রয়েছে। সকলেই তার পক্ষে একটা হয়ে নির্বাচন করলে তিনি বিজয়ী হবেন বলেই তার দাবি।তার ধারণা বাসাইলের এলিট শ্রেনীর ভোটাররা তাকে বেছে নেবে। তবে ভোটারদের ধারণা নির্বাচনে  কাজী অলিদ ইসলাম, বিএনপি সমর্থিত মুহাম্মদ শাহিদুল ইসলাম (কাজী শহিদ), স্বতন্র প্রার্থী আব্দুর রহিম আহমেদ’র মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দিতা শেষে যে কেউ বিজয়ী হতে পারে।   এ ছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে  জামায়াত নেতা শফিকুল ইসলাম দলের একক প্রার্থী হলেও ও বিএনপি নেতা আবুল কাশেম ও আবুল কালাম আজাদের কাউকে দলীয়ভাবে প্রার্থী ঘোষনা করা হয়নি । এ ছাড়া আওয়ামী থেকে মোস্তাফিজুর রহমান বাদশা কে প্রার্থী ঘোষনা করা হলেও  দলের একাধিক নেতা মনোয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তাই একক প্রার্থী হওয়ায় এ  পদে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছে। অবস্থা ধরে রাখতে পারলে ক্লিন ঈমেজের অধিকারি সুবক্তা শফিকুল ইসলাম বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করবে বলে অনেক মনে করা হচেছ। অন্যদিকে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে  বিএনপি সমর্থিত রাশেদা সুলতানা ও আওয়ামীলীগ সমর্থিত জবেদা বেগমের  মধ্যে তীব্র লড়াই হবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। তবে জবেদা বেগম গত নির্বাচনে বিজয়ী জনপ্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হওয়ার বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী রাশেদা সুলতানা জয়লাভের সম্ভাবনাই বেশি।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!