ads

শুক্রবার , ২৫ এপ্রিল ২০১৪ | ২রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

রাজশাহীতে ২৮১ ইট ভাটার অধিকাংশই অবৈধ : পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
এপ্রিল ২৫, ২০১৪ ১:৫৪ অপরাহ্ণ

Break Picওবায়দুল ইসলাম রবি, রাজশাহী : রাজশাহী জেলার ৯টি উপজেলা ও পৈরসভার এরাকায় গড়ে উঠেছে ইট ভাটার রাজত্য আর বেপাকে কৃষক। ২৮১ টি ইট ভাটার সিংহ ভাগ ভাটার মালিকগন অবৈধভাবে রমরমা ব্যবসা করছে । স্থানীয়ভাবে অধিকাংশ ভাটার মালিক কাস্টমস, পরিবেশ অধিদপ্তর ও প্রশাসন কে তোষামদের মাধ্যমে এই সকল ইট ভাটা গড়ে তুলেছে। ইট ভাটার চিমটি ১২০ মিটার উচ্চতার কথা থাকলেও বেশির ভাগ চিমটি ৫০-৯০মিটার প্রায় । প্রচলিত আইনে খনিজ কয়লা জালানি হিসেবে ব্যাবহার নিতি কিন্ত তাদের নাম মাত্র কয়লার ¯ু‘প।জালানি হিসেবে ফলজ, বনজ, ঔষদ এবং বাসের মুল।এর কারন জানতে চাইলে কর্মরত শ্রমিক জানায কয়লার মুল্য হিসেবে মালিকের লাভ হয় কম,যার কারনে খনিজ কয়লার পরির্বতে বিভিন্ন গাজ জালানিতে ব্যাবহার করা হয়।যার কারনে পরিবেশ দূশনের মুল কারন। এই ব্যাবসার প্রবলচনায় কিছু জমির মালিক তাদের জমি ইটভাটার নামে লিজ দিলেও অনেকে তা থেকে বিরত থাকেন। কিন্ত এই ইট ব্যাবসায়িরা চাতুরতার কারনে কৃষকের কাছ থেকে চাহিদা মতে জমি লিজ না নিতে পারলেও নগদ অর্থ দিয়ে উর্বর ফসলির জমির মাটি (১-২ফিট) ক্রয় করছেন।্ অন্য দিকেঅপরিকল্পিত ভাবে ইট ভাটা গড়ে তুলার কারনে আসে পাশের আম,পিয়ারা ও বিভিন্ জাতের বরাই বাগান গুলোর উৎপাদন তুলান মুলক ভাবে অনেক কম। পবা উপজেলার অলিম গঞ্জের মোড় আন্ধারকোটা এলাকার ৪০ বিঘা জমিতে আম ও পেয়ারা বাগানের পাশে গড়ে উঠেছে ইট ভাটা। স্থানিয় কৃষকরা বিভিন্ন পর্যয়ে অভিযোগ করে কোন ফল পাইনি বলে জানায়। গোদাগাড়ির দেওপাড়া ইউনিয়নের সারোইল গ্রামের জনবসতিপুর্ণ অধিবাসিরা রাজশাহী জেলা প্রশাসক ও পরিবেশ অধিদপ্তর উপ পরিচালকের কাছে বসত বাড়ি ও বাগানের কাছে ইট ভাটা বন্ধের আবেদন জানিয়েছেন।নাম না প্রকাশের শর্তে কিছু ইট ভাটার মালিক জানিয়েছেন মাঝে মধ্যে কাস্টমসের লোক মাইক্রো গাড়ি ভাড়া করে কিছু কিছু ইট ভাটা পরির্দশনের নামে মসোহারা নিয়ে যায় । ইট ভাটা মালিক সমিতির এক জন কর্মকর্তা বলেন শুধু কাস্টমস নয়, চারঘাট, বাঘা, পুঠিয়া, দূগাপুর, পবা, মোহনপুরন, তানের, গোদাগাড়ি সহ সকল ূউপজেলার সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইন শৃঙ্গলা বাহীনি সহ বিভিন্ন মহলে ভাল অংকের অর্থ দিয়েই ম্যনেজ করতে হয়। এই প্রক্রিয়ায় চলছে ইট ভাটার স্থাপনা নষ্ট হচ্ছে কৃষি ধানি জমি,রবি শষ্যের মাট,ফুল ফলের বাগান। কৃষক নেতৃবিন্দ জানান কৃষকদের কোন সংগঠন না থাকায় হাজার হাজার কৃষক ক্ষতির সম্মুখীন হলেও অভিযোগ করে কোন লাভ হয় না। রাজশাহী কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত আঞ্চলিক পরিচালক মোঃ নরুল আমিন বলেন কৃষিজমিতে ও বাগানের পাশে অবৈধ ভাবে ইট ভাটা তৈরির ফলে ফসল ও ফলের পরাগাযনে ব্যাঘাত ঘটে। ফসলের ধারন খমতা কমে যায়, সটিক উৎপাদন হয়না যারফলে কৃষসক ক্ষতি গ্রস্থ হয়। পরিবেশ দুষনের পাশাপাশি ফসল ফলের উৎপাদন স্বাবিক ওজন কমে জায়।পরিবেশ দুষন, ধানি জমি ফল বাগানের ক্ষতি হলেও এ ব্য্পাারে কৃষি বিভাগের কিছু কারার থকেনা। ইট ভাটার লাইসেন্স স্থানিয় প্রশাসন, কাষ্টমস ও পরিবেশ অধিদপ্তর দিয়ে থাকেন। শেষে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বললে তিনি জানান, উক্ত বিষয়গুলো তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Need Ads
error: কপি হবে না!