ads

বৃহস্পতিবার , ২৪ এপ্রিল ২০১৪ | ১৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

নরসিংদী থেকে অপহরনের ১৫ দিন পর নববধু হেলেনা গাজীপুর থেকে উদ্ধার

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
এপ্রিল ২৪, ২০১৪ ৮:০৭ অপরাহ্ণ

Uddharএম, লুত্ফর রহমান, নরসিংদী : স্বামী ও স্বামীর বাড়ীর লোকজনকর্তৃক অপহৃত গৃহবধু হেলেনা বেগম (১৮)কে অপহরনের ১৫ দিন পর গত বুধবার গাজীপুর জেলার আব্দুল্লাহপুর এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রায়পুরা থানা পুলিশ তাকে নরসিংদীর আদালতে হাজির করে ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী গ্রহন করেছে।জবান বন্দীতে হেলেনা বেগম তাকে স্বামীর বাড়ী থেকে অপহরনের নির্মম কাহিনী বর্ণনা করেছে। হেলেনা জবানবন্দীতে জানায়, গত ৮ এপ্রিল ভোর ৫ টায় স্বামীসহ দেবর, ননদ ও অন্যান্য ৮/১০ জন তাকে হাত-পা ও মুখ বেধে একটি মাইক্রোবাসে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। গাজীপুর জেলার টঙ্গীর নিকট আব্দুলাপুর গ্রামে তাকে একটি ঘরে তালা বদ্ধ করে রাখা হয়। মাঝে মাঝে রুটি কলা ও সামান্য নাস্তা খাবার দিতো। এভাবে ২/৩ দিন এ বাড়ীতে রাখার পর অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জন যুবক তাকে ভারতে পতিতা হিসেবে বিক্রি করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহন করে এবং এ সমস্ত যুবকরা তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে বলেও হেলেনা ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট জবানবন্দীতে উল্লেখ করেছে।ম্যাজিষ্ট্রেট তাকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য সিভিল সার্জনের মাধ্যমে নরসিংদী সদর হাসপাতালের ডাক্তারের নিকট প্রেরন করেছেন।

Shamol Bangla Ads

গত বুধবার তাকে আবদুল্লাপুর থেকে অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার সময় তার ডাক চিৎকারে আব্দুল্লাপুর এলাকার লোকজন তার সাহায্যে এগিয়ে আসে। এসময় অজ্ঞাত যুবকরা অবস্থা বেগতিক দেখে পালিয়ে যায়। পরে এলাকার লোকজন ও স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতায় রায়পুরা থানা পুলিশ আবদুল্লাপুর গিয়ে হেলেনাকে রায়পুরা থানায় নিয়ে আসে। হেলেনার ভাই স্বপন মিয়া স্বামীর বাড়ীতে খোজঁখবর করিয়া বোনের কোন খবর না পাওয়াতে ওই দিনই তার মা, মামা, ভাগিনাসহ অন্যান্যদের নিয়ে স্বামী দুলাল মিয়ার সাপমারা গ্রামের বাড়ীতে যান এবং বাড়ীতে গিয়ে তাদের বাড়ী ঘরের কোন লোকজনকেই না পেয়ে মোবাইল ফোনে তার বোনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও ফোনেও তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি। এতে তার সন্দেহ আরো ঘনিভূত হয় এবং ব্যাপারটি সাপমারা গ্রামের লোকজনদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করিয়া স্বপন মিয়া জানতে পারেন গত ৮ এপ্রিল তার স্বামী দুলাল মিয়া, দুলাল মিয়ার বড় ভাই মনির মিয়া, ভাতিজা আলমগীর, ভাবী শাহানা এবং ভাই আপন, বোন আছমা ও সাবিকুন্নাহারসহ অন্যান্য আসামীরা পরস্পর যোগসাজসে তার বোন হেলেনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এক নম্বর আসামী তার স্বামীর বাড়ী হইতে অপহরন করিয়া গোপন করিয়া রাখে। আসামীরা এ ঘটনার পর বাড়ী ঘর ছেড়ে পালিয়ে যায়। বিয়ের পর হতেই স্বামী দুলাল মিয়া ও তার পরিবারের সাথে হেলেনার কোন ক্রমেই বনিবণা ছিলনা। এবং তারা হেলেনাকে স্ত্রী হিসেবে মেনে নিতে পারছিল না। যেহেতু বিবাহের পর হইতে আসামীরা হেলেনাকে তাদের সংসারে বধু হিসেবে মানিয়ে নিতে পারছিল না সে প্রেক্ষিতে তাকে পথের কাটা হিসেবে দুর করার জন্য এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে তাদের ধারনা। এ ব্যাপারে রায়পুরা থানায় ৩৬৪ ধারায় একটি অপহরন মামলা দায়ের করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, মাত্র এক মাস পূর্বে গত ৭ মার্চ রায়পুরা থানার সাপমারা গ্রামের দুলাল মিয়ার সাথে টেকপাড়া গ্রামের হেলেনা বেগমের বিয়ে হয়।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!