ads

বুধবার , ২৩ এপ্রিল ২০১৪ | ২রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

বাসাইলের নদীগুলো নাব্যতা হারিয়ে অস্তিত্ব নিয়ে লড়াই করছে

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
এপ্রিল ২৩, ২০১৪ ৮:১২ অপরাহ্ণ

basail tangail pictureআবুল কাশেম, বাসাইল (টাঙ্গাইল) : বাসাইল উপজেলার বুক চিরে বয়ে চলা এক সময়ের ভরা যৌবনা স্্েরাতস্বীনি ছোট-বড় নদীগুলো এখন স্রোতহারা ছ,মাসি নদীতে পরিণত হয়েছে। বর্ষাকালে পানিতে টুইটুম্বর হলেও আশ্বিন-কার্তিক মাসেই তারা বৃদ্ধতে পরিণত হয়ে যায়। শীতকাল শেষ না হতেই এসব নদী শুকাতে শুরু করে। তাই ফাল্গুন-চৈত্র মাসের আগেই কোন কোন নদীর তলদেশ গরু ছাগলের চারণ ভূমিতে পরিণত হয়। মূলত উজান থেকে পানি না আসা ও শাসনর্কাযক্রম না থাকায় উপজেলা নদীগুলোর এ অবস্থা হয়েছে বলে মনে করেন সচেতন লোকজন। তাই এদের নাব্যতা ফিরিয়ে আনার জন্য উজানের পানি প্রবাহ নিশ্চিত করণসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষপ নেয়া প্রয়োজন।

Shamol Bangla Ads

প্রাচীনকাল থেকেই দেশের অন্যান্য অংশের ন্যায় উপজেলা এসব নদী ব্যবসায়িক পন্যসহ মালামাল পরিবহনের ক্ষেত্রে সূলভ ও সহজতর- ব্যবস্থা ছিল। অথচ সেগুলো এখন নিজেদের অস্তিত্বের প্রশ্নে টিকে থাকার লড়াই করছে । পানি শুন্যতার কারণে নদীর দু’ধারের আবাদী জমিগুলো অনুর্বর হওয়াসহা ব্যবসা-বানিজ্যের মালামাল পরিবহণে পাল তোলা নৌকার কোন দৃশ্য এখন আর চোখে পড়েনা । একই কারণে এলাকার জেলে স¤প্রাদায়গুলো পড়েছে চরম বেকায়দায় । বাসাইল উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রধান নদীগুলো হচ্ছে ঝিনাই, লৌহজংগ বংশী ও লাঙ্গুলিয়া নদী। জামালপুর জেলার বাউশি থেকে যমুনার পূর্বপাশ দিয়ে ভূয়াপুর উপজেলার ৭ কিলেমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে জোকার চড়ের কাছে ধলেশ্বরী হয়ে এক অংশ উপজেলার আইসড়া, দেউলি, দাপনাজোর, নথখোলা, কাশিল, কাঞ্চনপুর দিয়ে মিজাপুরের দিকে চলে গেছে যা ঝিনাই নদী নামে খ্যাত। বর্ষাকালে বাসাইলের সবচে খরস্্োরতা ঝিনাই নদীর স্্োরতে ঘরবাড়িসহ অনেক সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি হলেও শুকনো মৌসুমে এর অনেক স্থান শুকিয়ে ধুধূ চড়ে পরিণত হয়। ধলেশ্বরীর অপর অংশ ফুলকী দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কাউলজানী, বাদিয়াজান, বালিয়া, বাঘিল ও কাশিল দিয়ে ঝিনাই নদীতে মিলিত হয়েছে। এলাকাবাসি এটিকে লাঙ্গুলিয়া নদী বলে চিনত। নাব্যতা সংকটের কারণে এটি এখন মরা খালে পরিণত হয়েছে। তাই সময়ের ব্যবধানে অস্তিত্ব সংকটের কারণে কেউ আর এটিকে নদী বলেনা।
উপজেলার পশ্চিমভাগ দিয়ে প্রবাহিত লৌহজংগ নদীটি নাহালী ও মটরা দিয়ে মির্জাপুরো বংশাই নদীতে পতিত হয়েছে। এক সময়ের প্রবল খোরস্রোত এ নদীটি উজান থেকে পানি না প্রবাহিত হওয়া, অবৈধ দখলদারিত্ব, স্থাপনা নির্মাণসহ নানাবিধ কারণে এটি এখন মৃত নদীতে পরিণত হয়েছে। শিল্প বর্জ্ব নিঃস্বরণের কারনে এ পানি ব্যাপক দূষনের শিকার ।
বাসাইলের পূর্ব সীমান্ত নির্ধারনী নদী হচ্ছে বংশী। এটি উপজেলার কাউলজানী, ডুমনীবাড়ী, কল্যানপুর, গিলাবাড়ী, সুন্না, নাইকানি বাড়ী, সিংগারডাকসহ অনেক গ্রাম ছুয়ে মির্জাপুরের দিকে চলে গেছে। অধিক বাকের অধিকারি এ নদীও শুকনা মৌসুমের শুরুতে শুকিয়ে যায়। অথচ বাশ, কাঠসহ হাজারো ব্যবসায়ি পন্যবাহি হরেক রকমের যান চলত এ নদী দিয়ে যা এখন বয়স্কদের নিকট শুধুই স্মৃতি। তাই নদীপারের লোকজনের দাবি উজান থেকে পানিপ্রবাহ নিশ্চিত করণসহ উপজেলার নদীগুলো খননের উদ্যোগ নিলে ফিরে পেতে পারে তাদের অতীত যৌবন। অন্যদিকে ব্যবসা-বানিজ্যসহ দু’ধারের আবাদি-অনাবাধি জমিগুলো উর্ব্বরতা ফিরে পেতে পারে।

Need Ads
error: কপি হবে না!