ads

মঙ্গলবার , ১৫ এপ্রিল ২০১৪ | ১লা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ইসলামপুরে যমুনার ভয়াবহ ভাঙ্গনে বন্যা নিয়ন্ত্রন বাধ বিলিন

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
এপ্রিল ১৫, ২০১৪ ৬:৪০ অপরাহ্ণ

jomuna riveইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি : চলতি শুকনা মৌসুমে যমুনার গুঠাইল বাজার হার্ড পয়েন্ট থেকে শুরু করে কুলকান্দি হার্ট পয়েন্ট পর্যন্ত ভয়াবহ ভাঙ্গনে বন্যা নিয়ন্ত্রন বাধ বিলিন হয়েছে। ফলে ওই এলাকায় আরো ৫ কিলোমিটার  তীর সংরক্ষনের ডাম্পিং কাজ অতীব জরুরি প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। জামালপুরের পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সুত্রে জানাযায়, ২০১১ সালের ৩০জুন দেওয়ানগঞ্জের ফুটানী বাজার থেকে শুরু করে ইসলামপুরের পার্থশী সীমানা পর্যন্ত ২কিঃ মিঃ, ইসলামপুর উপজেলায় ৫ কিঃ মিঃ এবং সরিষাবাড়ী উপজেলায় ৩ কিঃ মিঃ। এসব এলাকায় শুষ্ক মোটা বালি জিও বস্তায় ভর্তি করে ড্রাম্পিং এবং কংক্রিট বøক দ্বারা পাইলিং কাজের অনুমোদন পায়। পরবতি যমুনা নদীর অব্যাহত ভাঙ্গন থেকে রক্ষার জন্য তা’ বাড়িয়ে মোট ৪শ ১৭কোটি টাকা বরাদ্দ উন্নিত করা হয়। ইসলামপুর উপজেলার কুলকান্দি হার্ড পয়েন্ট থেকে শুরু করে গুঠাইলবাজার হার্ড পয়েন্ট পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৩ কিলোমিটার পাউবো কোন কাজ বাস্তবায়ন না করায় শুষ্ক মৌসুমে বিশাল এলাকা জুড়ে অব্যাহত ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ফলে সাড়ে ৩ কিলোমিটার এলাকার বন্যা নিয়ন্ত্রন বাধটি বর্তমানে যমুনা নদী গর্ভে বিলিন হয়েছে। বর্তমানে ইসলামপুরের ঔতিহ্যবাহি নৌ-বন্দর গুঠাইল হার্ডপয়েন্ট, হুমকির মুখে পড়েছে।অপরদিকে গুঠাইল হার্ড পয়েন্টের পিছনে ভাটির দিকে ৩ কিলোমিটার ডাম্পিং করা হলেও তার পিছনে দেড় কিলোমিটার বাদ রেখে পরবর্তি ভাটি এলাকায় আবার দেড় কিলোমিটার টেন্ডার করে সেখানে ৫০ভাগ কাজ শেষে অবশিষ্ট কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে। সামনের দেড় কিলো মিটার ডাম্পিং না করে পিছনের অংশ কাজ করা হলে যে কোন মুহুর্তে যমুনায় বিলিন হবে। এছাড়া  কদমতলী- উলিয়া অংশের দেড় কিঃমিঃ এবং কুলকান্দি-গুঠাইল হার্ড পয়েন্টের মাঝ খানে সাড়ে ৩ কিলোমিটারসহ মোট ৫ কিলোমিটার এলাকা শুষ্ক মৌসুমে ডাম্পিং করা না হলে আগামী বর্ষায় ইসলামপুরের গুঠাইল নৌ-বন্দর, গুঠাইল হার্ড পয়েন্ট, গুঠাইল বাজার, গুঠাইল হাইস্কুল এন্ড কলেজ, গুঠাইল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়,গুঠাইল মাদ্রাসা, মসজিদ সহ অসংখ্য ঘরবাড়ী গাছ-পালা হাজার –হাজার একর ফসলী জমি যমুনার গর্ভে বিলিন হবে। ভেস্তে যাবে ৪শ ১৭ কোটি টাকার প্রজেক্ট। এ ব্যপারে পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলীর নবকুমার এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন কদমতলী- উলিয়া অংশের দেড় কিলো মিটার খুব শিঘ্রই দরপত্র আহবান করা হবে। তবে কুলকান্দি হার্ড পয়েন্ট থেকে গুঠাইল হার্ড পয়েন্ট পর্যন্ত সাড়ে ৩ কিলোমিটার ডাম্পিং কাজের প্রস্তাব মন্ত্রনালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান। অপর দিকে সাড়ে ৩ কিলোমিটার বন্যানিয়ন্ত্রন বাধটি নদী গর্ভে বিলিন হওয়ায় আগামী বর্ষাায় ইসলামপুর, মেলান্দহ,মাদারগঞ্জ,ও সরিষাবাড়ি উপজেলার বিস্তৃর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে ব্যাপক ফসল তলিয়ে যাবে মারাত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হবে সাধারণ মানুষ। তাই এলাকাবাসির প্রাণের দাবী অবিলম্বে শুষ্ক সময়ের মধ্যে ডাম্পিং কাজ শেষ করে পুনরায় বন্যা নিয়ন্ত্রন বাধ নির্মাণের অনুরোধ জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে স্থানীয় এমপি আলহাজ ফরিদুল হক খান দুলাল বলেন যমুনার ভাঙ্গন রোধে আরো ৫কিঃমিঃ ডাম্পিং কাজ দ্রুত করা প্রয়োজন। অবিলম্বে দরপত্র আহবান করে সঠিক সময়ে অথাৎ বর্ষাার আগে কাজ শেষ করতে না পারলে  এলাকাবাসীর চরম ক্ষতিগ্রস্থ্য হবে। এমন কি ডাম্পিং কাজ বিলিন হলে সরকারী অর্থ অপচয় হবে। তাই অবিলম্বে কার্য্যকর পদক্ষেপ গ্রহনের জোর দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসি।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!