চিতলমারী (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : বাগেরহাটের চিতলমারীর আড়ুয়াবর্নী গ্রামে একটি জায়গা দখলের চেষ্টার হামলায় ৩ জন আহত হয়েছে। আহতদের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হামলাকারীদের ভয়ে থানায় অভিযোগ করতে পারছে না বলে জানিয়েছে।
জানাগেছে, শুক্রবার সকাল ৮ টায় আড়ুয়াবর্নী গ্রামের মাহাবুর সরদার (৪৫) এর একটি জায়গা প্রতিপক্ষ মোশারেফ শেখ, বাবুল শেখ ও বাশারের নেতৃত্বে ১৫/২০ জনের একদল লাঠিয়াল বাহিনী তার বাড়িতে অতর্কিত ভাবে প্রবেশ করে হামলা চালায়। হামলায় মাহাবুর (৪৫), তার স্ত্রী পারুল বেগম (৩০) ও ১০০ বছরের আলাউদ্দিন নামের এক বৃদ্ধকেও হামলাকারীরা কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। ওই সময়ই চিতলমারী থানার অফিসার ইনচার্জকে বিষয়টি অবহিত করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়। হামলাকারীরা আহত মাহাবুরের পরিবারকে অব্যাহত হুমকি প্রদান করছে মামলা না করার জন্য। অপরদিকে চরবানিয়ারীর কৃষ্ণ নগর উত্তর পাড়ায় ধান কাটাকে কেন্দ্র করে এক সংঘর্ষে উজ্জ্বল হীরা (২৩), সুজন হীরা (১৮), নারায়ন মাঝি (৫০), নিত্য সরকার (৪৫) ও হলধর হীরা (৬৫) রক্তাক্ত জখম হয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে।
চিতলমারীতে ওএমএস’র চাল বিক্রী শুরু

বাগেরহাটের চিতলমারী গত ১০ এপ্্িরল থেকে ৬ জন ওএমএস ডিলারগণ প্রতিকেজি ২৪ টাকা দরে চাল বিক্রি শুরু করেছেন। আর সরকারের এই উদ্যোগের সুফল পাবে সারা দেশের ন্যায় চিতলমারী উপজেলার চিতলমারী, চরবানিয়ারী, সন্তোষপুর ইউনিয়নের বাসিন্দারা। বঞ্চিত হচ্ছে বড়বাড়িয়া, কলাতলা, শিবপুর ও হিজলা ইউনিয়নের অধিকাংশ গ্রামাঞ্চলের দরিদ্র ও শ্রমজীবী মানুষ।
উপজেলা খাদ্য অধিদপ্তরের একটি সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ এপ্রিল থেকে মাথাপিছু ৫ কেজি হারে প্রতি কেজি চাল ২৪ টাকা দরে কিনতে পারবেন। সপ্তাহের শনিবার ছাড়া বাকী ৬ দিন চাল বিক্রি করবেন ডিলারগণ। ডিলারগণ প্রতি সপ্তাহে ১৫শ কেজি চাল খোলা বাজারে বিক্রি করতে পারবেন। সরকারের এ কার্যক্রমে চিতলমারী, চরবানিয়ারী ও সন্তোষপুর ইউনিয়নের দরিদ্র মানুষ উপকৃত হলেও উপজেলার বাকী ৪টি ইউনিয়নের গ্রামাঞ্চলের হত দরিদ্র মানুষ এ সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। চিতলমারীতে ৬ জন ডিলার রয়েছে তাদের মধ্যে এহিয়া খান ও মজিবুর রহমান শেখ চিতলমারী বাজারে, শেখ রোকন উদ্দিন চিতলমারী ইউনিয়নের বারাশিয়া বাজারে, চরাবানিয়ারী ইউনিয়নে খাসেরহাট বাজারে প্রফুল রায়, চরবানিয়ারী ও চিতলমারী বাজারের সীমনা ঘেষে অনুপম সাহা এবং সন্তোষপুর ইউনিয়নের বাখরগঞ্জ বাজারে শেখ আঃ কুদ্দুস ওএমএস’র চাল বিক্রী করছেন বলে অফিস সূত্রে জানাগেছে। বাকী ৪টি ইউনিয়নের কোন ডিলার না থাকায় ওই ইউনিয়নগুলোর নিম্ন আয়ের মানুষেরা পড়ছে বিপাকে।
বাজারে মোটা চাল প্রতি কেজি ৩২ থেকে ৩৫ টাকা ও চিকন চাল ৪০ থেকে ৪৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এই চৈত্রমাসে নিম্ন আয়ের মানুষের নুন আনতে পান্তা ফুরানোর অবস্থা। তাই জীবিকা নির্বাহের জন্য চাল কিনতে পারলেও আনুষাঙ্গিক জিনিস ক্রয় করতে হিমশিম খাচ্ছে। এই দূরাবস্থায় উপজেলার সকল হাট-বাজারে ওএমএস এর চাল বিক্রি করলে তারা সহজে তা ক্রয় করত পারত। এ জন্য সরকার সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন নিম্ন আয়ের ওই সকল মানুষ।




