নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি : শস্য ভান্ডার হিসাবে পরিচিত দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে সবুজে ঘেরা বোরো ফসলের মাঠ। প্রকৃতির সাজানো ওই সবুজে ভরা বোরো ফসলের মাঠ যেন সকলের নজর কাড়া হয়ে উঠেছে। ফসলের চেহারা দেখে কৃষকেরা আনন্দিত হয়ে পড়েছে এবং তারা কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে ভাল ফসল পাওয়ারও আশা করছেন। চাষীদের ভাষায় চলতি বোরো মৌসুমের শুরু থেকে সেচ ও সার সুবিধা পাওয়া সহ কোন প্রকার বালাই না থাকায় এবারে ফসলের পরিস্থিতি ভাল হয়েছে। তারা বলছে বর্তমানে ফসলে প্রচুর সেচের প্রয়োজন রয়েছে। কিন্তু এই সময়ে বিদ্যুতের ভয়াবহ লোড শেডিং দেখা দেয়ায় সেচ কাজে বিঘœ ঘটছে। আর এখন সঠিক ভাবে সেচ দিতে না পারলে ফসলের ক্ষতির আশংকা রয়েছে। উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের চাষী আশেক আলী জানান তাদের মাঠে ১/২দিন পর পর পানি দিতে না পারলে মাঠ শুকিয়ে যায়। নারায়ন পুরের চাষী নজরুল ইসলাম জানালেন আলাহর রহমতে ফসলের চেহারা এখন পর্যন্ত বেশ ভাল আছে। তারা কৃষি বিভাগের পরামর্শে চাষাবাদ করেছে। ফলে এবারে তেমন কোন বালাইয়ের শিকার হতে হয়নি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আখেরুও রহমান জানালেন চলতি মৌসুমে কোন প্রকার সমস্যা ছাড়াই চাষীরা চাষাবাদ করেছে এবং তারা যথাযথ সময়ে চাষীদের পরামর্শ দান করেছেন। তিনি জানান চলতি মৌসুমে উপজেলা এলাকায় বোরো ফসলের চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৮ াহাজার ১৮৫ হেকটর জমি। সেখানে অর্জিত হয়েছে ১৮ হাজার ২০০ হেক্টর জমি। এর মধ্যে হাইব্রীড ২ হাজার ৯৫০ হেক্টর জমি ও উফশী ১৫ হাজার ২৫০ হেক্টর জমি।উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে হাইব্রীড হেক্টর প্রতি ৪.৭২ মেঃ টন চাল এবং উফশী হেক্টর প্রতি ৩.৮৬ মেঃ টন চাল।




