ads

সোমবার , ৭ এপ্রিল ২০১৪ | ১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ডুমুরিয়ায় ধানক্ষেতে ব্লাষ্টরোগের আক্রমণ : দিশেহারা কৃষক

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
এপ্রিল ৭, ২০১৪ ৬:১৪ অপরাহ্ণ

07-04-2014শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া (খুলনা) : খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার বেশকয়েকটি বিলে ‘ব্লাষ্ট’ রোগে আক্রান্ত হয়ে শতাধিক হেক্টর বোরোধানের ক্ষেতে মড়ক লেগেছে। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা চরম বিপাকে পড়েছে।
এলাকার ক্ষতিগ্রস্থ চাষী ও কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার নলঘোনা, সোনাডাঙ্গা, বড়বন্দ, ঘোনা, তেলিখালি, উলা, কেনারমল, মিরেখালি, চাতরা, বান্দা, বগারখোর, জোয়ারের বিল, সিংগার বিলের শতাধিক হেক্টর বোরো ধানের শীষে মড়ক লেগেছে। গত দুইসপ্তাহ ধরে ওইসব ক্ষেতে ধানের পাতায় প্রথমে বাদামী বা কালো রং-এর ফোটা(স্পট) দেখা দেয়। এর কয়েকদিনের মধ্যে ধানের শীষ বের হওয়ার পর তার গোড়ায় বাদামী দাগ হয়ে পচন শুরু হয়। তার এক থেকে দুই দিনের মধ্যেই আক্রান্ত ধানের শীষ শুকিয়ে মরে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে ব্যাপক আকারে এই রোগ ছড়িয়ে পড়ায় বিভিন্ন বিলের কৃষকদের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে।
এ সম্পর্কে জানতে সরেজমিনে ডুমুরিয়া উপজেলা সদরের মিরেখালি বিলে গেলে, দুইবিঘা জমির ধান সম্পূর্ণ নষ্ট হওয়া ক্ষেতের পাশে বসা হায়দার আলীর স্ত্রী জয়নব বিবি(৪৫) বলেন, ‘নিজেগে কোনো জমিজমা নেই। অনেক টাকা হারি(ভাড়া) দিয়ে সবাই গায়ে খাটে এই জমিতি ধান করিছি। কিন্তু দুই-তিন দিনির মধ্যি শীষ পচে এখন সব চিটে হয়ে গেছে।’ শুধু তাদেরই নয়, ওই বিলের শ’শ’ বিঘা জমির ধানে শীষ শুকিয়ে সাদা হয়ে গেছে। কিছুদূর এগিয়ে ভান্ডারপাড়া ইউনিয়নের চাতরা বিলে গেলে কৃষক রফিকুল ইসলাম মোড়ল(৬০) বলেন, ‘আমি অনেক আশা নিয়ে এইবার ৬ বিঘে জমিতি ২৮ ধান লাগাইলাম। কিন্তু ধান ফোলার পরে(শীষ বের হওয়া) হঠাৎ দুই-তিনদিনির মধ্যি শীষি কালো দাগ দেখা দেয়।অনেক ওষুধ-পত্তর দিলাম। কিন্তু কোনো তায় কিচ্ছু হলো না।’ খর্ণিয়া ইউনিয়নের সিংগার বিলে কৃষক হাসান শেখ(৩৫) বলেন, ‘কৃষি অফিস ও ওষুধির দোকানেত্তে পরামর্শ নিয়ে ধানে ওষুধ দিছি। কিন্তু ধান তো বাঁচলো না।’ মিরেখালি বিল কমিটির সভাপতি মোশারফ হোসেন জোয়াদ্দার বলেন, ‘দুই বছর আগে একবার এই রোগ হইলো। এইবারও দেখা দেছে। এলাকার সব চাষিরে আতংকে ভোগতেছে।’
এ প্রসঙ্গে উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার মোখলেসুর রহমান বলেন, ‘এটি এক ধরণের ভাইরাস জনিত ‘বøাস্ট’ রোগ। প্রথমে ধানের পাতায় ও পরে শীষের গোড়ায় কালো দাগ হয়ে পচন ধরে। আর রাতে শীত, দিনে গরম ও ভোরে কুয়াশা পড়ায় এই রোগের বিস্তার ঘটেছে। ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার পঙ্কজ কান্তি মজুমদার বলেন,‘এ বছর উপজেলায় বিশ হাজার পঞ্চাশ হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হয়েছে। তার মধ্যে ডুমুরিয়ায় ধানক্ষেতে ব্লাষ্টরোগের আক্রমণ : দিশেহারা কৃষক
শেখ মাহতাব হোসেন, ডুমুরিয়া (খুলনা) : খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার বেশকয়েকটি বিলে ‘ব্লাষ্ট’ রোগে আক্রান্ত হয়ে শতাধিক হেক্টর বোরোধানের ক্ষেতে মড়ক লেগেছে। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা চরম বিপাকে পড়েছে।
এলাকার ক্ষতিগ্রস্থ চাষী ও কৃষি অফিস সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার নলঘোনা, সোনাডাঙ্গা, বড়বন্দ, ঘোনা, তেলিখালি, উলা, কেনারমল, মিরেখালি, চাতরা, বান্দা, বগারখোর, জোয়ারের বিল, সিংগার বিলের শতাধিক হেক্টর বোরো ধানের শীষে মড়ক লেগেছে। গত দুইসপ্তাহ ধরে ওইসব ক্ষেতে ধানের পাতায় প্রথমে বাদামী বা কালো রং-এর ফোটা(স্পট) দেখা দেয়। এর কয়েকদিনের মধ্যে ধানের শীষ বের হওয়ার পর তার গোড়ায় বাদামী দাগ হয়ে পচন শুরু হয়। তার এক থেকে দুই দিনের মধ্যেই আক্রান্ত ধানের শীষ শুকিয়ে মরে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে ব্যাপক আকারে এই রোগ ছড়িয়ে পড়ায় বিভিন্ন বিলের কৃষকদের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে।
এ সম্পর্কে জানতে সরেজমিনে ডুমুরিয়া উপজেলা সদরের মিরেখালি বিলে গেলে, দুইবিঘা জমির ধান সম্পূর্ণ নষ্ট হওয়া ক্ষেতের পাশে বসা হায়দার আলীর স্ত্রী জয়নব বিবি(৪৫) বলেন, ‘নিজেগে কোনো জমিজমা নেই। অনেক টাকা হারি(ভাড়া) দিয়ে সবাই গায়ে খাটে এই জমিতি ধান করিছি। কিন্তু দুই-তিন দিনির মধ্যি শীষ পচে এখন সব চিটে হয়ে গেছে।’ শুধু তাদেরই নয়, ওই বিলের শ’শ’ বিঘা জমির ধানে শীষ শুকিয়ে সাদা হয়ে গেছে। কিছুদূর এগিয়ে ভান্ডারপাড়া ইউনিয়নের চাতরা বিলে গেলে কৃষক রফিকুল ইসলাম মোড়ল(৬০) বলেন, ‘আমি অনেক আশা নিয়ে এইবার ৬ বিঘে জমিতি ২৮ ধান লাগাইলাম। কিন্তু ধান ফোলার পরে(শীষ বের হওয়া) হঠাৎ দুই-তিনদিনির মধ্যি শীষি কালো দাগ দেখা দেয়।অনেক ওষুধ-পত্তর দিলাম। কিন্তু কোনো তায় কিচ্ছু হলো না।’ খর্ণিয়া ইউনিয়নের সিংগার বিলে কৃষক হাসান শেখ(৩৫) বলেন, ‘কৃষি অফিস ও ওষুধির দোকানেত্তে পরামর্শ নিয়ে ধানে ওষুধ দিছি। কিন্তু ধান তো বাঁচলো না।’ মিরেখালি বিল কমিটির সভাপতি মোশারফ হোসেন জোয়াদ্দার বলেন, ‘দুই বছর আগে একবার এই রোগ হইলো। এইবারও দেখা দেছে। এলাকার সব চাষিরে আতংকে ভোগতেছে।’
এ প্রসঙ্গে উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার মোখলেসুর রহমান বলেন, ‘এটি এক ধরণের ভাইরাস জনিত ‘বøাস্ট’ রোগ। প্রথমে ধানের পাতায় ও পরে শীষের গোড়ায় কালো দাগ হয়ে পচন ধরে। আর রাতে শীত, দিনে গরম ও ভোরে কুয়াশা পড়ায় এই রোগের বিস্তার ঘটেছে। ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষি অফিসার পঙ্কজ কান্তি মজুমদার বলেন,‘এ বছর উপজেলায় বিশ হাজার পঞ্চাশ হেক্টর জমিতে বোরো চাষ হয়েছে। তার মধ্যে বøাস্ট রোগে মোট ২০ থেকে ২৫ হেক্টর জমির ধান ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। আমরা চাষিদের নিয়ে গ্রæপ মিটিংসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা নিয়েছি। জেলা কৃষি অফিসার কাজী আনিসুজ্জামান বলেন, কয়েক হেক্টর জমিতে হলেও ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়েনি। আমরাও চেষ্টা করছি। বর্ষা আসলে এ সমস্যা দূর হবে। রোগে মোট ২০ থেকে ২৫ হেক্টর জমির ধান ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। আমরা চাষিদের নিয়ে গ্রুপ মিটিংসহ বিভিন্ন ব্যবস্থা নিয়েছি। জেলা কৃষি অফিসার কাজী আনিসুজ্জামান বলেন, কয়েক হেক্টর জমিতে হলেও ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়েনি। আমরাও চেষ্টা করছি। বর্ষা আসলে এ সমস্যা দূর হবে।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!