চাটমোহর (পাবনা) প্রতিনিধি : পাবনার চাটমোহরসহ চলনবিলাঞ্চলে প্রতিদিন ঘটছে অগ্নিকান্ডের ঘটনা। এসব ঘটনায় পুড়ছে লাখ লাখ টাকা মূল্যমানের জান, মাল, সম্পদ। দমকল বাহিনী ও স্থানীয় এলাকাবাসীর চেষ্টায় ক্ষতির পরিমান কমলেও অগ্নিকান্ডের ঘটনা নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যাচ্ছে।
পরিবার গুলো হয়ে পড়েছে সর্বশান্ত। চলতি বছরে কেবল চাটমোহরে প্রায় ৩০ টি অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। চুলার আগুন, বাতির আগুন, মশার কয়েল, বৈদ্যুতিক শকসার্কিট, চার্জার বিস্ফোরণ, বিড়ি সিগারেটের আগুন এর উৎস হিসেবে কাজ করছে বলে সূত্রে জানা যায়।
চলনবিলে র্যাব পরিচয়ে গণ ডাকাতির ঘটনায় জনমনে আতঙ্ক

চলনবিলাঞ্চলের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হওয়ায় প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে চুরি ও ডাকাতির ঘটনা। র্যাব পরিচয়ে গণ ডাকাতির ঘটনায় জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে। জানা গেছে, গত ২৮ মার্চ শুক্রবার ভোর রাতে চলনবিলের পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলা সদরের চৌবাড়িয়া হারোপাড়া গ্রামের আলহাজ্ব ফজলার রহমান ও আব্দুল আজিজের বাড়িতে র্যাব পরিচয়ে বাড়িতে প্রবেশ করে ডাকাত দল ২২ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ৮ লাখ টাকা ডাকাতি করে নিয়ে যায়।
অপর দিকে, ২৭ মার্চ বৃহস্পতিবার ভোড়ে সিরাজ গঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার পূর্ব লক্ষীকোলা গ্রামে র্যাবের পোষাক পরিহিত অবস্থায় পালাক্রমে ডাকাতি করে। ১০/১২ জনের ডাকাত দল ইব্রাহিম হোসেন, কমিশনার আজমল হোসেন, হাসিল হোসেন গ্রামের আজম আলী, হাফিজুর রহমান, বৈকুন্ঠপুর গ্রামের আফসার আলী, মনিরুজ্জামান, দেলবার হোসেন ও শুকুর আলীর বাড়িসহ ৯ বাড়িতে গন ডাকাতি করে ডাকাতদল নগদ টাকা, স্বর্নালঙ্কারসহ মূল্যবান দ্রব্যাদি ডাকাতি করে নিয়ে।
গৃহকর্তরা বাধা দিলে সশস্ত্র ডাকাত দল অস্ত্রের আঘাতে ৫ জনকে আহত করে পালিয়ে যায়। এ ছাড়া ২৫ মার্চ ভোড় রাতে নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার মামুদপুর ও চকপাড়া গ্রামে র্যাব পরিচয়ে বাড়িতে ঢুকে ৬ বাড়িতে ডাকাতি করে সংঘবদ্ধ ডাকাতদল। বাড়িতে পলাতক আসামী রয়েছে এমন কথা বলে ডাকাতদল গৃহকর্তাদের ঘুম থেকে ডেকে তুলে ঘরে প্রবেশ করে।
অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হাত পা বেঁধে ফেলে ব্যবসায়ী আদম আলী, বিদ্যুৎ, আতোয়ার, স্কুল শিক্ষক নুরুল হুদা প্রভাষক নিজাম উদ্দিন ও কামাল হোসেনের বাড়িতে ডাকাতি করে লাখ লাখ টাকার মালামাল স্বর্ণালঙ্কার ও মূল্যবান দ্রব্যাদি ডাকাতি করে নিয়ে যায়। এসব গণ ডাকাতির ঘটনা জেনে চলনবিল অঞ্চলের মানুষ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। এব্যাপারে ভাঙ্গুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আসাদুজ্জামান মুন্সি বলেন, ডাকাতির ঘটনায় অবশ্যই জনমতে আতঙ্ক হবে স্বাভাবিক। তবে থানা পুলিশ সব সময় তৎপর রয়েছে।




