আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি : মঙ্গলবার বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা সভাকক্ষে আইন শৃংখলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন বিদায়ী উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম খান রাজু, থানার অফিসার ইনচার্জ নজরুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আনোয়ারুল হক, মাদরাসা সুপার মোসলেম উদ্দীন, প্রেসক্লাবের সভাপতি হাফিজার রহমান, ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ রফি আহম্মেদ আচ্চু, প্রধান শিক্ষিকা মনজুয়ারা বেগম, আব্দুল মোত্তাকিম তালুকদার, আবু রেজা খান, সালমা বেগম চাঁপা প্রমূখ। সভায় বক্তারা উপজেলার সার্বিক আইন শৃংখলা পরিস্থিতির উন্নতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বিদায়ী উপজেলা চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম খান রাজু আগামীতে তার পদে নব নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মহিত তালুকদারকে সার্বিক সহযোগীতা করতে সকলের প্রতি আহবান জানান।
সান্তাাহারে ১৫০ প্যাকেট ভারতীয় জিরা উদ্ধার

আদমদীঘির সান্তাহার রেলওয়ে জংশন ষ্টেশনে জিআরপি থানা পুলিশ ট্রেন তল্ল¬াশী করে মালিক বিহীন ১৫০ প্যাকেট ভারতীয় জিরা উদ্ধার করেছে। এ ব্যাপারে জিআরপি থানায় একটি জিডি করা হয়েছে।
সান্তাহার রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ শরিফুল ইসলাম জানায়, গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ সৈয়দপুর হতে ছেড়ে আসা খুলনা গামী রকেট মেইল ট্রেন সান্তাহার ষ্টেশানে থামার পর ৪১১৮ নং মালবাহী বগিতে তল্লাশী কালে পরিত্যাক্ত অবস্থায় মালিক বিহীন বস্তার মধ্যে থাকা ১৫০ প্যাকেট জিরা উদ্ধার করা হয়।
আদমদীঘির পাশ্ববর্তি কামতা গ্রামে মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের উপড় একর পর এক মামলায় জর্জরিত : অনেকেই গ্রাম ছাড়া
আদমদীঘির পাশ্ববর্তি কামতা গ্রামে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন সহ তার পরিবারের লোকজনের উপড় একের পর এক মামলা দায়ের করা সহ হুমকি অব্যাহত রাখায় তারা এখন নিরাপত্তাহীন অবস্থায় রয়েছে। অনেকেই গ্রেফতার আতংকে গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
জানাযায়, আদমদীঘির পাশ্ববর্তি রানীনগরের কামতা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিনের ছেলে মিজানুর রহমান ২০১০ সালে কামতা এস,এন উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর এবং বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের পর থেকে একই গ্রামের প্রতিপক্ষরা নানা ভাবে হয়রানি করে আসছিল। এর জের ধরে গত ২ মার্চ আমজাদ হোসেন বাদী হয়ে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন তার ছেলে মিজানুর, মোমেন সহ ১১ জনকে আসামী করে মারপিট ও টাকা চুরি সংক্রান্ত একটি এবং ১৪ মার্চ জাহেদুল ইসলাম বাদী হয়ে মারপিট ও চুরি সংক্রান্ত অভিযোগে মুক্তিতযোদ্ধা মতিন সহ ১১ জনের বিরুদ্ধে একই দিন তার শ্যালক চয়েন উদ্দীন বাদী হয়ে মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিনের নাতি সহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ইভটিজিং সংক্রান্ত মামলা দায়ের করেন। ওই পরিবারের উপড় ৩ টি মামলা দায়ের করা হয়। দু‘টি মামলায় আদালত কতৃক কিছু আসামী জামিনে মুক্তি পেলেও অপর মামলায় পুলিশের ভয়ে অনেকেই গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে রয়েছে। এদিকে মুক্তিযোদ্ধার ভাইয়ের স্ত্রী ও ভাতিজীকে মারপিট ও সোনার গহনা ছিনিয়ে নেয়া সংক্রান্ত ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হলেও কোন ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছেনা। মুক্তিযোদ্ধা পরিবার একের পর এক মামলার বেড়াজালে জর্জরিত হয়ে পড়ায় ও প্রতিপক্ষের হুমকিতে নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়েছেন। তারা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।




